আশুরা, আলী, মু’আবিয়া, হুসাইন, শিয়া সম্প্রদায় ও উমাইয়া রাজবংশের উত্থানের ইতিহাস
আল-হুসাইনের শহিদের মৃত্যুবরণ-কে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে শী'আপন্থি মুসলিমরা প্রতি বছর মুহাররামের প্রথম ১০ দিন অনুতাপের দিন হিসাবে পালন করার রীতি চালু করেছে।
পড়ুনমানবসভ্যতা, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম ও সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাস নিয়ে প্রবন্ধসমূহ। প্রচলিত পৌরাণিক ও মতাদর্শিক বয়ানের বাইরে প্রমাণভিত্তিক ইতিহাসকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আল-হুসাইনের শহিদের মৃত্যুবরণ-কে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে শী'আপন্থি মুসলিমরা প্রতি বছর মুহাররামের প্রথম ১০ দিন অনুতাপের দিন হিসাবে পালন করার রীতি চালু করেছে।
পড়ুন
নবী মুহাম্মদকে এক ইহুদী নারীর বিষযুক্ত ভেড়ার মাংশ খাওয়ায় এবং সেই বিষক্রিয়াতেই শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়
পড়ুন
প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে গরুকে শুধু যে যজ্ঞে বলি হিসাবে হত্যা করা হত তাই নয় বরং বিশেষ অতিথি, বেদজ্ঞ প্রভৃতিকে আপ্যায়ণ করারও জন্যও গোমাংসের ব্যবস্থা করা হত
পড়ুন
প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে আশ্চর্যজনক এবং বিভৎস তথ্য জানা যায়, যেমন গোহত্যা, গোমাংস ভোজন, চর্বি দিয়ে হবন করা, আলাদা আলাদা মাংসে দেবতা এবং পিতৃদের তৃপ্তির সময়কাল নির্ধারণ করা
পড়ুন
সিন্ধু সভ্যতার এই লোকেরা ইরানিয়ান অঞ্চল থেকে ঠিক কোন সময়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে সিন্ধুসভ্যতা তৈরি করেছিল
পড়ুন
আলবিরুনী একাদশ শতাব্দীর লোক ছিলেন। আলবিরুনির ভারত ভ্রমণের বিবরণ হতে জানা যায়, হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। যজ্ঞে গরু বলি দেওয়া হত
পড়ুন
প্রাচীনকালে অতিথির সৎকারের জন্য গোহত্যা করা হত। তাই অতিথির নাম হয়েছিল গোঘ্ন।
পড়ুন
যিশুর জীবনীর সাথে যেই ইন্দো-ইউরোপীয় দেবতার জীবনীর মিল রয়েছে তা হল মিত্র (Mithra)। আহুরা মাজদার রশ্মি দেবি আনাহিতার একটি পাথরের উপর পড়েছিলো। আর এ পাথর ফেটে মিত্রের জন্ম হয়।
পড়ুন
রামায়ণ হতে জানা যাচ্ছে- রাম যখন ভরদ্বাজ মুনির আশ্রমে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, ভরদ্বাজ রামকে তখন গোমাংস দ্বারা আপ্যায়ণ করেছিলেন।
পড়ুন
বেদ,ব্রাহ্মণ, উপনিষদ, কল্পসূত্রের মত ধর্মশাস্ত্রগুলিতেও গোমাংস খাওয়া অনুমতি রয়েছে। প্রাচীন সময়ে গরু কোনো গোমাতা ছিল না। গরু নিয়ে রাজনীতিই গরুকে গোমাতা করে তুলেছে।
পড়ুন
ইতোপূর্বেই আমরা দেখেছি বেদের সংহিতা, ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ ভাগে গরু বলির ও গোমাংস খাওয়ার কথা বলা আছে। এখন বেদাঙ্গে খুঁজে দেখবার পালা। বেদাঙ্গের অন্তর্গত গৃহ্যসূত্রগুলির অসংখ্যস্থলে এবং ধর্মসূত্রগুলিতেও গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়ার কথা পাওয়া যায়।
পড়ুন
ইতিহাস বলে হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। তাহলে কেন তারা গোমাংস খাওয়া বন্ধ করলো? কিভাবে হিন্দুদের গোমাংসের জোগান দেওয়া আদিম গরু আজকের গোমাতা হয়ে উঠলো?
পড়ুন
ভারতবর্ষে ধর্মগুলো নিয়ে নৃতাত্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক জ্ঞান যত বেশি গভীর হয়েছে তত জানা গেছে যে আজ যাকে হিন্দুধর্ম বা আর্যব্রাহ্মণ্য ধর্ম বা সনাতন ধর্ম বলা হয় তা আসলে একদিকে আর্য ও অন্যদিকে প্রাক-আর্য বা অনার্য ধর্মকর্মের সমন্বিত রূপ মাত্র
পড়ুন
নৃতাত্ত্বিক গবেষণাগুলোর দ্বারা উঠে এসেছে যে, আর্য পূর্ব সমাজেও কৃষি ও শিকারজীবী, গৃহী ও অরণ্যজীবী এরকম হিসেবে অসংখ্য কোম বা গোষ্ঠী বা একরকম বর্ণবিন্যাস প্রচলিত ছিল
পড়ুন
নৈতিক ঈশ্বর বা মোরালাইজিং গড বলতে সেই ঈশ্বর বা ঈশ্বরদেরকে বোঝানো হয় যারা খারাপ কাজ করা ব্যক্তিকে শাস্তিপ্রদান করে আর ভাল কাজ করা ব্যক্তিকে পুরষ্কৃত করে
পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন কবি, আর বার্গসোঁ একজন পেশাদার দার্শনিক। এদের মধ্যে প্রকৃতিগত অনেক পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কবিগুরুর বলাকা কাব্যে যে বিবর্তন সম্পর্কিত যে দার্শনিক তত্ত্ব উপস্থিত মনে হয়েছে, ভাববাদী বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনার উদ্দেশে এখানে তাই একটু তুলে ধরার চেষ্টা করেছি
পড়ুন
হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে অসুরদের বৈদিক ধর্ম হতে ভ্রষ্ট করতেই বিষ্ণু বুদ্ধ অবতার নিয়ে ধর্ম প্রবর্তন করেন।বৌদ্ধ ধর্মকে আসুরিক ধর্ম হিসাবে দেখানো হয়েছে।
পড়ুন
শুধুমাত্র জানার আগ্রহেই মানুষ জীবনকে বাজি রেখে পাড়ি দিচ্ছে অনন্ত অসীম মহাকাশে, পৌঁছে যাচ্ছে অতল সমুদ্রের তলদেশে, চাঁদের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে চাঁদের বুকে
পড়ুন