যুল খালাসা – এক তীর্থস্থানের ধ্বংসের ইতিহাস
দশম হিজরীতে আল বজলীকে যুল খালাসাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পাঠান হয়।মহানবী তাকে বাহিনীসহ প্রেরণ করেন। সেখানে গিয়ে অমুসলিমদের উপাসনালয় শামিয়া কা'বা ধ্বংস করে
পড়ুনধর্মের উৎপত্তি, বিশ্বাসের মনস্তত্ত্ব, ধর্মীয় নৈতিকতা, প্রতিষ্ঠান, ক্ষমতা ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে প্রবন্ধসমূহ। ধর্মীয় দাবিগুলোকে যুক্তি, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধের আলোকে পরীক্ষা করা হয়েছে।
দশম হিজরীতে আল বজলীকে যুল খালাসাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পাঠান হয়।মহানবী তাকে বাহিনীসহ প্রেরণ করেন। সেখানে গিয়ে অমুসলিমদের উপাসনালয় শামিয়া কা'বা ধ্বংস করে
পড়ুন
মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাস হচ্ছে, কোরআন মানব ইতিহাসের একমাত্র অবিকৃত গ্রন্থ যা আল্লাহ পাক যেভাবে নাজিল করেছিলেন, ঠিক সেরকম অবস্থাতেই আমরা এখনও দেখতে পাই।
পড়ুন
ভূমিকা বর্তমান সময়ে অনেক মুসলিম দাবি করেন যে, কোরআন বলে চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সেই ১৪০০ বছর আগেই কোরআন এই
পড়ুন
বৈজ্ঞানিকেরা টেস্টটিউবের মাধ্যমে বাচ্চার জন্ম দিচ্ছেন, তারা প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে যে, তাদের পূর্বপুরুষেরা তো হাজার হাজার বছর আগেই এসব আবিষ্কার করে ফেলেছিল
পড়ুন
শাতিমে রাসুল অন্তর থেকে তওবা করার ফলে আল্লাহ পাকও যদি মাফ করেন, তারপরেও ইসলামী শরীয়ার হুকুম এটিই যে, তাকে কতল করতে হবে। এছাড়া ভিন্ন কোন পথ নেই
পড়ুন
আয়িশার ঘটনা থেকে জানা যায়, ইসলামে মেয়েদের বিবাহের কোন বয়সসীমা নেই, শিশু মেয়ের সাথে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক অবস্থায় বয়ঃসন্ধিকালে না পৌঁছালেও যৌনকর্মে কোন বাধা নেই
পড়ুন
প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে গরুকে শুধু যে যজ্ঞে বলি হিসাবে হত্যা করা হত তাই নয় বরং বিশেষ অতিথি, বেদজ্ঞ প্রভৃতিকে আপ্যায়ণ করারও জন্যও গোমাংসের ব্যবস্থা করা হত
পড়ুন
কোন মন্ত্র উচ্চারণ করিয়া দেবতাকে ডাকিলে সিদ্ধিলাভ হয়— আমার এ বিশ্বাস কদাপি ছিল না, এখনও নাই ; আমার মতে উহা একটি মধ্যযুগীয় কুসংস্কার মাত্র।
পড়ুন
হায়দ্রাবাদে বিশ্বশান্তির জন্য অশ্বমেধ যজ্ঞ করা হয়েছিল। ধর্মের ধান্দাবাজেরা কিভাবে মানুষকে বোকা বানায় তার অনুমান করা যায় যে, যজ্ঞের অনুষ্ঠানে না শান্তি আছে
পড়ুন
প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে আশ্চর্যজনক এবং বিভৎস তথ্য জানা যায়, যেমন গোহত্যা, গোমাংস ভোজন, চর্বি দিয়ে হবন করা, আলাদা আলাদা মাংসে দেবতা এবং পিতৃদের তৃপ্তির সময়কাল নির্ধারণ করা
পড়ুন
আলবিরুনী একাদশ শতাব্দীর লোক ছিলেন। আলবিরুনির ভারত ভ্রমণের বিবরণ হতে জানা যায়, হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। যজ্ঞে গরু বলি দেওয়া হত
পড়ুন
প্রাচীনকালে অতিথির সৎকারের জন্য গোহত্যা করা হত। তাই অতিথির নাম হয়েছিল গোঘ্ন।
পড়ুন
সংস্কৃত সাহিত্য থেকে জানা যাচ্ছে আশ্চর্যজনক সব কথা। বাল্মীকি তার আশ্রমে ঋষি বশিষ্ঠকে আপ্যায়ন করলেন গোমাংস দিয়ে। রামের পিতা দশরথের মেনুতে থাকতো গোমাংস , তা দিয়ে চলতো অতিথি আপ্যায়ন।
পড়ুন
রামায়ণ হতে জানা যাচ্ছে- রাম যখন ভরদ্বাজ মুনির আশ্রমে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, ভরদ্বাজ রামকে তখন গোমাংস দ্বারা আপ্যায়ণ করেছিলেন।
পড়ুন
বেদ,ব্রাহ্মণ, উপনিষদ, কল্পসূত্রের মত ধর্মশাস্ত্রগুলিতেও গোমাংস খাওয়া অনুমতি রয়েছে। প্রাচীন সময়ে গরু কোনো গোমাতা ছিল না। গরু নিয়ে রাজনীতিই গরুকে গোমাতা করে তুলেছে।
পড়ুন
ইতোপূর্বেই আমরা দেখেছি বেদের সংহিতা, ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ ভাগে গরু বলির ও গোমাংস খাওয়ার কথা বলা আছে। এখন বেদাঙ্গে খুঁজে দেখবার পালা। বেদাঙ্গের অন্তর্গত গৃহ্যসূত্রগুলির অসংখ্যস্থলে এবং ধর্মসূত্রগুলিতেও গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়ার কথা পাওয়া যায়।
পড়ুন
ইতিহাস বলে হিন্দুরা আগে গোমাংস খেত। তাহলে কেন তারা গোমাংস খাওয়া বন্ধ করলো? কিভাবে হিন্দুদের গোমাংসের জোগান দেওয়া আদিম গরু আজকের গোমাতা হয়ে উঠলো?
পড়ুন
ঋগেবেদের অনেক স্থানেই অজাচারী দেবতাদের উল্লেখ পাওয়া যায়। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের দশম সুক্তে যম ও যমী নামক দুই যমজ ভাইবোনের মধ্যে অজাচারমূলক কথোপকথন দেখা যায়
পড়ুন
ধর্মশাস্ত্রগুলির মধ্যে অত্রি সংহিতা অন্যতম। ঋষি অত্রি এর রচয়িতা। এতে তিনি ‘চতুর্বর্ণের সনাতন ধর্ম’ ব্যক্ত করেছেন। তার শাস্ত্রে দেখা যায় স্ত্রী ও শূদ্র কুকুর ও কাকের সমার্থক, শূদ্রকে হত্যা করলে গাধা হত্যার প্রায়শ্চিত্ত, শ্বপাক জাতির ছায়া মারালেও প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়।
পড়ুন
মধ্যপন্থী মুসলিমরা সাধারণত কুরআনের অমুসলিমবিদ্বেষী আয়াত সমূহ দেখে বিব্রতবোধ করেন। কুরআনের অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা, তাদেরকে নিয়ে কটুক্তি করা, গালি দেওয়া তারা মেনে নিতে পারেন না
পড়ুন