Knowledge Base Article

ঋতুর সময় স্ত্রীর শরীরে নবী ঘষাঘষি করতেন

প্রকাশিত: এপ্রিল 24, 2024 · লেখক: আসিফ মহিউদ্দীন · 2 মিনিট পড়া

নবী মুহাম্মদের একইসাথে ৯ জন বিবি এবং দুইজন দাসী ছিল, এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নারীর সাথে তার সম্পর্কের কথা জানা যায়। ৯ জন বিবি এবং দুইজন দাসী থাকা অবস্থাতেও তিনি ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে যৌনসুখ লাভ করতেন। ঋতুচক্রের সময় সাধারণত সহবাসের বিষয়টি থেকে আমরা বিরত থাকি, নিজেদের কামনা নিয়ন্ত্রণ করি। নবীর যেহেতু এতগুলো বিবি আর দাসী ছিল, তাই স্বাভাবিকভাবেই তিনি অন্য স্ত্রীর কাছে গিয়ে সেই সময় যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারতেন। কিন্তু নবী সেই ঋতুর সময়ও স্ত্রীদের ছাড়তেন না। স্ত্রীর গোপনাঙ্গে কাপড় বেঁধে শরীরের অন্যান্য অংশ ব্যবহার করে নিজের যৌন চাহিদা পূরণ করতেন। অর্থাৎ নিশ্চয়ই হাঁটু, বুক, মুখ ইত্যাদির সাথে নিজের গোপনাঙ্গ ঘষাঘষি করতেন। আসুন বিষয়টি আহমদুল্লাহর থেকে জেনে নিই,

এই বিষয়গুলোর প্রমাণ মেলে অনেকগুলো হাদিস থেকে – [1] [2]

সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩/ হায়েয
পরিচ্ছেদঃ ১. ইযারের উপরে ঋতুমতী মহিলার সাথে মেলামেশা করা
৫৭২। আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ), যূহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কেউ যখন ঋতুমতী হয়ে পড়ত তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশে সে নিম্নাঙ্গে ভাল করে বস্ত্র ভাল করে বেধে নিত। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে মেলামেশা করতেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩/ হায়েজ ও ইস্তিহাজা প্রসঙ্গে
পরিচ্ছেদঃ ১২/ ঋতুমতী স্ত্রীর শরীরে শরীর মিলানো
৩৭৪। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ ঋতুমতী হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তিনি তার দেহের সাথে দেহ মেলাতেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)


তথ্যসূত্রঃ
  1. সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৫৭২ ↩︎
  2. সুনান আন-নাসায়ী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৩৭৪ ↩︎

One thought on

  1. সূরা: বাকরা
    ২২২. আর তারা আপনাকে রজঃস্রাব (হায়েয) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে। বলুন, তা ‘অশুচি’, অপবিত্র (১)। কাজেই তোমরা রজঃস্রাবকালে স্ত্রী-সংগম থেকে বিরত থাক এবং পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত(২) (সংগমের জন্য) তাদের নিকটবর্তী হবে না(৩)। তারপর তারা যখন উত্তমরূপে পরিশুদ্ধ হবে তখন তাদের নিকট ঠিক সেভাবে গমন করবে, যেভাবে আল্লাহ্‌ তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তাওবাকারীকে ভালবাসেন এবং তাদেরকেও ভালবাসেন যারা পবিত্র থাকে।

    সহিহ: বুখারি (ই,ফা)-২৯৩, আন্তর্জাতিক নম্বর:২৯৭
    আবূ নু’আয়ম (রহঃ) …. আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তখন আমি হায়যের অবস্থায় ছিলাম।

    এখানে দেখা যায়, কুরআনে হায়েজ কে অপবিত্র বলা হলেও, প্রিয় নবী সেই অপবিত্রের সংস্পর্শে কুরআন তেলওয়াত করতেন।

Leave a comment

Your email will not be published.