Fatir

ফাতির: 3

35:3
35 ফাতির Fatir · 45 আয়াত فاطر

আরবি

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ ۚ هَلْ مِنْ خَـٰلِقٍ غَيْرُ ٱللَّهِ يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ ۚ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ

English Translations

Sahih International

O mankind, remember the favor of Allāh upon you. Is there any creator other than Allāh who provides for you from the heaven and earth? There is no deity except Him, so how are you deluded?

Muhsin Khan

O mankind! Remember the Grace of Allah upon you! Is there any creator other than Allah who provides for you from the sky (rain) and the earth? La ilaha illa Huwa (none has the right to be worshipped but He). How then are you turning away (from Him)?

Taqi Usmani

O mankind, remember Allah’s blessing upon you. Is there any creator other than Allah who gives you provision from the sky and the earth? There is no god but He. So, to where are you being turned around (by your desires)?

Abul Ala Maududi

O people, remember Allah's favour upon you. Is there any creator, apart from Allah, who provides you your sustenance out of the heavens and earth? There is no god but He. Whither are you, then, being misdirected?

Pickthall

O mankind! Remember Allah's grace toward you! Is there any creator other than Allah who provideth for you from the sky and the earth? There is no Allah save Him. Whither then are ye turned?

Yusuf Ali

O men! Call to mind the grace of Allah unto you! is there a creator, other than Allah, to give you sustenance from heaven or earth? There is no god but He: how then are ye deluded away from the Truth?

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর। তিনি ছাড়া কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কি যে তোমাদেরকে আকাশ ও যমীন থেকে রিযক দান করে? তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তাহলে কীভাবে তোমরা বিপথগামী হচ্ছ?

রাওয়াই আল-বায়ান

হে মানুষ, তোমাদের উপর আল্লাহর নিআমতকে তোমরা স্মরণ কর। আল্লাহ ছাড়া আর কোন স্রষ্টা আছে কি, যে, তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে রিয্ক দিবে? তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। অতএব তোমাদেরকে কোথায় ফিরানো হচ্ছে?

শাইখ মুজিবুর রহমান

হে মানুষ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর। আল্লাহ ছাড়া কি কোন স্রষ্টা আছে যে তোমাদেরকে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী হতে রিয্ক দান করে? তিনি ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। সুতরাং কোথায় তোমরা বিপথে চালিত হচ্ছ?

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্বরণ কর। আল্লাহ্ ছাড়া কি কোনো স্রষ্টা আছে, যে তোমাদেরকে আসমানসমূহ ও যমীন থেকে রিযিক দান করে? আল্লাহ্ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। কাজেই তোমাদেরকে কোথায় ফিরানো হচ্ছে?

ফাতহুল মাজীদ

হে মানুষ! তোমাদের ওপর আল্লাহর যেসব নি‘আমাত রয়েছে তা স্মরণ কর। আল্লাহ ছাড়া এমন কোন স্রষ্টা আছে কি, যে তোমাদেরকে আকাশ ও পৃথিবী থেকে রিযক দান করে? তিনি ছাড়া কোন সত্যিকার মা‘বূদ নেই। অতএব তোমরা কিভাবে বিপদগামী হচ্ছ?

মুখতাসার

৩. হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের জিহ্বা, অন্তর ও অঙ্গ প্রত্যঙ্গের আমল দ্বারা তোমাদের উপর আল্লাহ প্রদত্ত নিআমতের শুকরিয়া আদায় করো। তোমাদের কি আল্লাহ ব্যতীত কোন স্রষ্টা রয়েছেন, যিনি আসমান থেকে বারি বর্ষানোর মাধ্যমে আর যমীন থেকে শস্য ও ফসলাদি উদ্গত করার মাধ্যমে রিযিক দিয়ে থাকেন? তিনি ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তদুপরি তোমরা কীভাবে এই সত্য থেকে বিরত থাক। আর আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করো এবং ধারণা করো যে, আল্লাহর শরীক রয়েছে। অথচ তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন ও জীবিকা প্রদান করেছেন?!

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

এ কথারই দলীল বর্ণনা করা হচ্ছে যে, ইবাদতের যোগ্য একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলারই সত্তা। কেননা, সষ্টিকর্তা ও রিযকদাতা শুধুমাত্র তিনিই। সুতরাং তাকে ছাড়া অন্যের ইবাদত করা সম্পূর্ণ ভুল। আসলে তিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কেউই নেই। অতএব তোমরা এতো উজ্জ্বল ও সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ সত্ত্বেও কেমন করে অন্যদিকে ফিরে যাচ্ছ? কি করেই বা তোমরা অন্যের ইবাদতের দিকে ঝুঁকে পড়ছো? এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্বরণ কর। আল্লাহ্ ছাড়া কি কোন স্রষ্টা আছে, যে তোমাদেরকে আসমানসমূহ ও যমীন থেকে রিযিক দান করে? আল্লাহ্ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই। কাজেই তোমাদেরকে কোথায় ফিরানো হচ্ছে [১]?

[১] অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “বলুন, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীনের রব?’ বলুন, ‘আল্লাহ।’ বলুন, ‘তবে কি তোমরা অভিভাবকরূপে গ্ৰহণ করেছ আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে যারা নিজেদের লাভ বা ক্ষতি সাধনে সক্ষম নয়?’ বলুন, ‘অন্ধ ও চক্ষুন্মান কি সমান হতে পারে? নাকি অন্ধকার ও আলো সমান হতে পারে?’ তবে কি তারা আল্লাহর এমন শরীক করেছে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সদৃশ মনে হয়েছে? বলুন, ‘আল্লাহ সকল বস্তুর স্রষ্টা ; আর তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।” [সূরা আর-রাদ: ১৬] [আদওয়াউল বায়ান]