Fatir
ফাতির: 7
আরবি
ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ۖ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ
English Translations
Those who disbelieve will have a severe punishment, and those who believe and do righteous deeds will have forgiveness and great reward.
Those who disbelieve, theirs will be a severe torment; and those who believe (in the Oneness of Allah Islamic Monotheism) and do righteous good deeds, theirs will be forgiveness and a great reward (i.e. Paradise).
Those who disbelieve will have a severe punishment; and those who believe and do righteous deeds will have forgiveness and a great reward.
A severe chastisement lies in store for those that disbelieve, but there is pardon and a great reward for those that believe and work righteous deeds.
Those who disbelieve, theirs will be an awful doom; and those who believe and do good works, theirs will be forgiveness and a great reward.
For those who reject Allah, is a terrible Penalty: but for those who believe and work righteous deeds, is Forgiveness, and a magnificent Reward.
বাংলা অনুবাদ
যারা কুফুরী করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। আর যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহা প্রতিফল।
যারা কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব; আর যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও বড় প্রতিদান।
যারা কুফরী করে তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি, কিন্তু যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের জন্য আছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
যারা কুফরী করে তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
যারা কুফরী করেছে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি; আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎ কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
৭. যারা শয়তানের অনুসরণ করতে গিয়ে আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছে তাদের জন্য শক্ত শাস্তি রয়েছে। পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে ও নেক আমল করেছে তাদের জন্য পাপের ক্ষমা রয়েছে। আরো রয়েছে তাঁর পক্ষ থেকে জান্নাত নামক মহা পুরস্কার।
তাফসীর
৭-৮ নং আয়াতের তাফসীর: উপরে উল্লিখিতি হয়েছে যে, শয়তানের অনুসারীদের স্থান জাহান্নাম। এ জন্যে এখানে বলা হচ্ছেঃ কাফিরদের জন্যে কঠিন শাস্তি রয়েছে, যেহেতু তারা শয়তানের অনুসারী ও রহমানের অবাধ্য। মুমিনদের যদি কোন পাপ হয়ে যায় তবে হয়তো আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আর তাদের যে পুণ্য রয়েছে তার তারা বড় রকমের বিনিময় লাভ করবে। কাফির ও বদকার লোকেরা তাদের দুষ্কর্মকে ভাল কাজ মনে করে নিয়েছে। মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেনঃ এরূপ বিভ্রান্ত লোকদের উপর তোমার কি ক্ষমতা আছে? হিদায়াত করা ও পথভ্রষ্ট করা আল্লাহর হাতে। সুতরাং তোমার তাদের জন্যে চিন্তা না করা উচিত। আল্লাহর লিখন জারী হয়ে গেছে। কাজের গোপন তথ্য সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক ছাড়া আর কেউ জানে না। পথভ্রষ্ট ও হিদায়াত করণেও তাঁর হিকমত নিহিত রয়েছে। তার কোন কাজই হিকমত বহির্ভূত নয়। বান্দার সমস্ত কাজ তার জ্ঞানের মধ্যে রয়েছে। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর সমস্ত সৃষ্টজীবকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি তাদের উপর নিজের নূর (জ্যোতি) নিক্ষেপ করেছেন। সুতরাং যার উপর ঐ নূর পড়েছে সে দুনিয়ায় এসে সরল-সোজা পথে চলেছে। আর ঐ দিন যে তাঁর নূর লাভ করেনি সে দুনিয়াতে এসেও হিদায়াত লাভে বঞ্চিত হয়েছে। এ জন্যে আমি বলি যে, মহামহিমান্বিত আল্লাহর ইলম অনুযায়ী কলম চলে শুকিয়ে গিয়েছে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত যায়েদ ইবনে আবি আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে আসেন, অতঃপর বলেনঃ “আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা যিনি (বান্দাকে) বিপথ হতে সুপথে আনয়ন করেন এবং যাকে চান তাকে পথভ্রষ্টতায় জড়িয়ে দেন।” (এ হাদীসটি খুবই গরীব বা দুর্বল)
যারা কুফরী করে তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
