পরিবার কি শুধুই মায়ার বাঁধন, নাকি টিকে থাকার স্বার্থপর জিন ও অর্থনীতির হিসাব-নিকাশ? এই দীর্ঘ প্রবন্ধে নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের লেন্স দিয়ে পরিবারের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। এখানে উঠে এসেছে কীভাবে হাজার বছরের বিবর্তনে পরিবার প্রেম, রাজনীতি ও ক্ষমতার এক জটিল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। লেখায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম ও পরিবারের দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক। ধর্ম পরিবারকে ‘পবিত্রতা’ ও স্থায়িত্ব দিলেও, নারীবাদী ও সেক্যুলার তাত্ত্বিকরা দেখিয়েছেন কীভাবে ধর্ম শিশুদের মনে অপরাধবোধ জন্ম দেয় এবং পিতৃতান্ত্রিক শোষণকে টিকিয়ে রাখে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পরিবারের এই ভাঙাগড়া এবং একটি স্বতন্ত্র ‘পরিবার বিদ্যা’ বা ‘ফ্যামিলি স্টাডিজ’ ডিসিপ্লিনের অপরিহার্যতা নিয়েই এই গভীর অনুসন্ধান।
যখন ইউরোপ ‘অন্ধকার যুগে’ নিমজ্জিত, তখন অষ্টম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত বাগদাদ থেকে কর্ডোবা পর্যন্ত এক জ্ঞানভিত্তিক সভ্যতা জেগে উঠেছিল। এই ইসলামী স্বর্ণযুগে পণ্ডিতরা কেবল গ্রিক জ্ঞানের মশাল রক্ষা করেননি, বরং তাতে নতুন তেল ঢেলে তাকে আরও উজ্জ্বল করেছিলেন। গণিত, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যা, দর্শন ও প্রকৌশলে তাদের যুগান্তকারী অবদান পরবর্তীকালে ইউরোপীয় রেনেসাঁ ও আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কৌতূহল, যুক্তি ও বহুসাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক মহাকাব্য এই স্বর্ণযুগ, যা ইতিহাসের এক প্রায়-বিস্মৃত অথচ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, যার উত্তরাধিকার আজও আধুনিক বিশ্বকে আলোকিত করে রেখেছে।
মহাবিশ্বের বিশাল বিশৃঙ্খলার মাঝে মানুষের মস্তিষ্ক বিন্যাস খোঁজে, আর এই খোঁজের প্রধান হাতিয়ার হলো যুক্তিবিদ্যা বা লজিক। এই লেখাটি কেবল যুক্তির সংজ্ঞা বা ইতিহাসেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এক ব্যবহারিক টুলবক্স যা আমাদের অপরিচ্ছন্ন চিন্তাকে শৃঙ্খলিত করতে শেখায়। সত্য ও বৈধতার পার্থক্য, ডিডাকশন ও ইন্ডাকশনের পথ, এবং চিন্তার সাধারণ ভুল (ফ্যালাসি) থেকে শুরু করে আমাদের মস্তিষ্কের গভীরে থাকা পক্ষপাত (কগনিটিভ বায়াস) – সবকিছুই এখানে আলোচিত। চূড়ান্তভাবে, এটি কুসংস্কারের অন্ধকারে যুক্তিবাদের মশাল জ্বালিয়ে সত্য অনুসন্ধানের এক বুদ্ধিবৃত্তিক অভিযাত্রা, যা আমাদের নির্ভুলভাবে চিন্তা করতে এবং প্রতারণার ফাঁদ এড়াতে সাহায্য করে।
পরিবার কি শুধুই মায়ার বাঁধন, নাকি টিকে থাকার স্বার্থপর জিন ও অর্থনীতির হিসাব-নিকাশ? এই দীর্ঘ প্রবন্ধে নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের লেন্স দিয়ে পরিবারের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। এখানে উঠে এসেছে কীভাবে হাজার বছরের বিবর্তনে পরিবার প্রেম, রাজনীতি ও ক্ষমতার এক জটিল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। লেখায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম ও পরিবারের দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক। ধর্ম পরিবারকে ‘পবিত্রতা’ ও স্থায়িত্ব দিলেও, নারীবাদী ও সেক্যুলার তাত্ত্বিকরা দেখিয়েছেন কীভাবে ধর্ম শিশুদের মনে অপরাধবোধ জন্ম দেয় এবং পিতৃতান্ত্রিক শোষণকে টিকিয়ে রাখে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পরিবারের এই ভাঙাগড়া এবং একটি স্বতন্ত্র ‘পরিবার বিদ্যা’ বা ‘ফ্যামিলি স্টাডিজ’ ডিসিপ্লিনের অপরিহার্যতা নিয়েই এই গভীর অনুসন্ধান।
জানুন মহাভারতের যে কথাগুলো জাতিবাদের ভিত নাড়িয়ে দিতে পারে। জাতিভেদের মূলে কুঠারাঘাত করতে পারে এই বক্তব্যগুলি।
জাকির নায়েক দাবী করছেন যে, খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে নাকি খুব পরিষ্কারভাবে নবী মুহাম্মদের আগমনের ভবিষ্যবাণী করা আছে।
