At-Tariq
আত-তারিক: 11
আরবি
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلرَّجْعِ
English Translations
By the sky which sends back
By the sky (having rain clouds) which gives rain, again and again.
I swear by the sky that rains,
By the heaven with its recurring cycle of rain,
By the heaven which giveth the returning rain,
By the Firmament which returns (in its round),
বাংলা অনুবাদ
ঘুরে ঘুরে আসা বৃষ্টিবাহী আকাশের শপথ,
বৃষ্টিসম্পন্ন আসমানের কসম।
শপথ আসমানের যা ধারণ করে বৃষ্টি,
শপথ আসমানের, যা ধারণ করে বৃষ্টি
শপথ বেশি বেশি বৃষ্টি বর্ষণকারী আকাশের,
১১. আল্লাহ বারংবার বর্ষণশীল আসমানের শপথ করলেন। বস্তুতঃ আসমান থেকে বারংবার বারি বর্ষিত হয়।
তাফসীর
১১-১৭ নং আয়াতের তাফসীর(আরবি) শব্দের অর্থ হলো বৃষ্টি ধারা, বৃষ্টি রয়েছে যেই মেঘে সেই মেঘ। এই বাদলের মাধ্যমে প্রতিবছর বান্দাদের রিযকের ব্যবস্থা হয়ে থাকে। যেই রিক ছাড়া ওরা এবং ওদের পশুগুলো মৃত্যুমুখে পতিত হতো। সূর্য, চন্দ্র এবং নক্ষত্রসমূহের এদিক ওদিক প্রত্যাবর্তন অর্থেও এ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।জমীন ফেটে যায়। শস্য দানা, ঘাস, তৃণ বের হয়। এরপর ঘঘাষিত হচ্ছেঃ নিশ্চয় আল-কুরআন মীমাংসাকারী বাণী। ন্যায় বিচারের কথা এতে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিরর্থক ও বাজে কথা সম্বলিত কোন কিস্সা-কাহিনী এটা নয়। কাফিররা এই কুরআনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, আল্লাহ্র পথ থেকে লোকদেরকে ফিরিয়ে রাখে। নানারকম ধোকা, প্রতারণা এবং ফেরেকবাযীর মাধ্যমে লোকদেরকে কুরআনের বিরুদ্ধাচরণে উদ্বুদ্ধ করে। আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলছেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি এই কাফিরদেরকে কিছুটা অবকাশ দাও। তারপর দেখবে যে, অচিরেই তারা নিকৃষ্টতম আযাবের শিকার হবে। যেমন অন্যত্র রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “আমি তাদেরকে সামান্য সুখ ভোগ করাবো, অতঃপর তাদেরকে কঠোর শাস্তির দিকে আসতে বাধ্য করবো।” (৩১:২৪)
শপথ আসমানের, যা ধারণ করে বৃষ্টি [১] ,
[১] আকাশের জন্য (বৃষ্টি বর্ষণকারী) বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ‘রাজ‘আ’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, ফিরে আসা। তবে পরোক্ষভাবে আরবী ভাষায় এ শব্দটি বৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হয়। কারণ বৃষ্টি মাত্র একবার বর্ষিত হয়েই খতম হয়ে যায় না বরং একই মওসূমে বারবার এবং কখনো মওসূম ছাড়াই একাধিকবার ফিরে আসে এবং যখন তখন বর্ষিত হয়। সুতরাং এর অর্থ পর পর বর্ষিত বৃষ্টি। [ফাতহুল কাদীর] কাতাদাহ বলেন, এর অর্থ, আকাশের বৃষ্টি প্রতিবছর মানুষের রিফিক নিয়ে আসে। যদি তা নিয়ে না আসত তবে মানুষ ও জীব-জানোয়ারের ধ্বংস অনিবার্য হতো। [ইবন কাসীর] বৃষ্টিকে প্রত্যাবর্তনকারী বলার আর একটি কারণ এটাও হতে পারে পৃথিবীর সমুদ্রগুলো থেকে পানি বাষ্পের আকারে উঠে যায়। আবার এই বাস্পই পানির আকারে পৃথিবীতে বৰ্ষিত হয়। [দেখুন, ফাতহুল কাদীর]
