At-Tariq

আত-তারিক: 4

86:4
86 আত-তারিক At-Tariq · 17 আয়াত الطارق
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17

আরবি

إِن كُلُّ نَفْسٍ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ

English Translations

Sahih International

There is no soul but that it has over it a protector.

Muhsin Khan

There is no human being but has a protector over him (or her) (i.e. angels incharge of each human being guarding him, writing his good and bad deeds, etc.)

Taqi Usmani

-there is no human being, but there is a watcher over him.

Abul Ala Maududi

There is no living being but there is a protector over it.

Pickthall

No human soul but hath a guardian over it.

Yusuf Ali

There is no soul but has a protector over it.

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

প্রত্যেক আত্মার সাথে একজন সংরক্ষক আছে।

রাওয়াই আল-বায়ান

প্রত্যেক জীবের উপরই সংরক্ষক রয়েছে।

শাইখ মুজিবুর রহমান

প্রত্যেক জীবের উপরই সংরক্ষক রয়েছে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

প্রত্যেক জীবের উপরই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।

ফাতহুল মাজীদ

নিশ্চয়ই প্রত্যেক জীবের ওপরই এক সংরক্ষক রয়েছে।

মুখতাসার

৪. প্রত্যেকের জন্যে একজন ফিরিশতা নিয়োজিত রয়েছেন যিনি কিয়ামত দিবসের হিসাবের জন্য আমল সংরক্ষণ করেন।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

86:1

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

প্রত্যেক জীবের উপরই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে [১]।

[১] এটা শপথের জওয়াব। حافظ শব্দের অর্থ তত্ত্বাবধায়ক। অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা আকাশ ও নক্ষত্রের শপথ করে বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের ওপর তত্ত্বাবধায়ক বা আমলনামা লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতা নিযুক্ত রয়েছে। সে তার সমস্ত কাজকর্ম ও নড়াচড়া দেখে, জানে। [ফাতহুল কাদীর] এর পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের চিন্তা করা উচিত যে, সে দুনিয়াতে যা কিছু করছে, তা সবই কেয়ামতের দিন হিসাব-নিকাশের জন্যে আল্লাহ্র কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তাই কোন সময় আখেরাত ও কেয়ামতের চিন্তা থেকে গাফেল হওয়া অনুচিত। এখানে حافظ শব্দ একবচনে উল্লেখ করা হলেও তারা যে একাধিক তা অন্য আয়াত থেকে জানা যায়। অন্য আয়াতে আছে وَاِنَّ عَلَيْكُمْ لَهَفِظِيْنَ ٭ كِرَامًا كٰتِبِيْنَ “নিশ্চয় তোমাদের উপর নিয়োজিত রয়েছে তত্ত্বাবধায়করা, সম্মানিত লেখকরা”। [সূরা আল-ইনফিতার; ১০-১১]

তাছাড়া حافظ এর অপর অর্থ আপদ-বিপদ থেকে হেফাযতকারী ও হয়ে থাকে। [ইবন কাসীর] আল্লাহ্ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষের হেফাযতের জন্যে ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তারা দিন-রাত মানুষের হেফাযতে নিয়োজিত থাকে। তবে আল্লাহ্ তা’আলা যার জন্যে যে বিপদ অবধারিত করে দিয়েছেন, তারা সে বিপদ থেকে হেফাযত করে না। অন্য এক আয়াতে একথা পরিষ্কারভাবে বর্ণিত হয়েছে,

لَهُ مُعَقِّبَاتٌ مِّن بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ يَحْفَظُونَهُ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ

অর্থাৎ মানুষের জন্যে পালাক্রমে আগমনকারী পাহারাদার ফেরেশতা নিযুক্ত রয়েছে। তারা আল্লাহ্র আদেশে সামনে ও পেছনে থেকে তার হেফাযত করে। [সূরা আর-রা‘দ: ১১]

অথবা হেফাযতকারী বলতে এখানে আল্লাহ্কেই বুঝানো হয়েছে। [ফাতহুল কাদীর] তিনি আকাশ ও পৃথিবীর ছোট বড় সকল সৃষ্টির দেখাশুনা, তত্ত্বাবধান ও হেফাযত করছেন। তিনিই সব জিনিসকে অস্তিত্ব দান করেছেন তিনিই সবকিছুকে টিকিয়ে রেখেছেন। তিনি সব জিনিসকে ধারণ করেছেন বলেই প্রত্যেকটি জিনিস তার নিজের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত আছে। তিনি সব জিনিসকে তার যাবতীয় প্ৰায়োজন পূর্ণ করার এবং তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত বিপদমুক্ত রাখার দায়িত্ব নিয়েছেন। এ বিষয়টির জন্য আকাশের ও রাতের অন্ধকারে আত্মপ্রকাশকারী প্ৰত্যেকটি গ্রহ ও তারকার কসম খাওয়া হয়েছে।