At-Tariq

আত-তারিক: 14

86:14
টেক্সট কপি
86 আত-তারিক At-Tariq · 17 আয়াত الطارق
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17

মূল আরবি

وَمَا هُوَ بِٱلْهَزْلِ

English Translations

Sahih International

And it is not amusement.

Muhsin Khan

And it is not a thing for amusement.

Taqi Usmani

and it is not a joke.

Abul Ala Maududi

not a flippant jest.

Pickthall

It is no pleasantry.

Yusuf Ali

It is not a thing for amusement.

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

এবং তা কোন হাসি-ঠাট্টামূলক কথা নয়।

রাওয়াই আল-বায়ান

আর তা অনর্থক নয়।

শাইখ মুজিবুর রহমান

এবং এটা নিরর্থক নয়।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

এবং এটা নিরর্থক নয়।

ফাতহুল মাজীদ

এবং এটা হাসি-তামাশা নয়।

মুখতাসার

১৪. এটি তামাশা কিংবা প্রহসন নয়। বরং তা হলো বাস্তব ও চিরসত্য।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

86:11

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

এবং এটা নিরর্থক নয় [১]।

[১] আসমান ও যমীনের শপথ করে যে কথাটি বলা সেটা হচ্ছে, কুরআনের সত্যতা প্রমাণ করা। [ফাতহুল কাদীর] বলা হয়েছে, এ কুরআন হক ও সত্যবাণী। [ইবন কাসীর] অথবা বলা হয়েছে, কুরআন সত্য ও মিথ্যার ফয়সালাকারী। [ফাতহুল কাদীর] এ কুরআন হাসি-তামাশার জন্য আসে নি। এটা বাস্তব সত্য। [ফাতহুল কাদীর] যা কিছু এতে বিবৃত হয়েছে তা বাস্তব সত্য, যা অবশ্যই সংঘটিত হবে। সুতরাং কুরআন হক আর তার শিক্ষাও হক।

তাফসীর আল-কুরতুবী

[সূরা আত-তারিক (৮৬): আয়াত ১১ থেকে ১৬] পূর্ণ পৃষ্ঠা

‌‌[সূরা আত-তারিক (৮৬): আয়াত ১০]অতঃপর তার কোনো শক্তি থাকবে না এবং কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না (১০)আল্লাহ তাআলার বাণী: (অতঃপর তার) অর্থাৎ মানুষের জন্য (কোনো শক্তি) অর্থাৎ এমন কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকবে না যা তাকে রক্ষা করতে পারে। (এবং কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না) যে তাকে আপতিত বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে। ইকরিমাহ থেকে বর্ণিত: (অতঃপর তার কোনো শক্তি থাকবে না এবং কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না) এ সম্পর্কে তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন এই রাজাদের কোনো শক্তি থাকবে না এবং কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না। সুফিয়ান বলেন: শক্তি অর্থ বংশীয় শক্তি বা স্বজন; আর সাহায্যকারী অর্থ মিত্র।

আবার বলা হয়েছে: তার নিজের দেহে কোনো শক্তি থাকবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে এমন কোনো সাহায্যকারী থাকবে না যার মাধ্যমে সে আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। আর এটাই কাতাদাহর অভিমতের মর্মার্থ। ‌‌[সূরা আত-তারিক (৮৬): আয়াত ১১ থেকে ১৬]শপথ আবর্তনশীল (বৃষ্টির) আকাশের (১১) এবং শপথ বিদীর্ণকারী জমিনের (১২) নিশ্চয় এটি এক চূড়ান্ত ফয়সালাকারী বাণী (১৩) এবং এটি কোনো কৌতুক নয় (১৪) নিশ্চয় তারা এক ভীষণ ষড়যন্ত্র করছে (১৫)আর আমিও এক কৌশল অবলম্বন করছি (১৬)আল্লাহ তাআলার বাণী: (শপথ আবর্তনশীল আকাশের) অর্থাৎ বৃষ্টি বিশিষ্ট আকাশের। আকাশ প্রতি বছর বৃষ্টির পর বৃষ্টি ফিরিয়ে আনে।

অধিকাংশ মুফাসসিরগণ এভাবেই বলেছেন। ভাষাবিদগণ বলেন: ‘রাজউ’ অর্থ হলো বৃষ্টি। এ প্রসঙ্গে তাঁরা আল-মুতানাখখিলের একটি কবিতা উদ্ধৃত করেছেন যেখানে তিনি একটি তলোয়ারের বর্ণনা দিতে গিয়ে সেটিকে পানির সাথে তুলনা করেছেন:বৃষ্টির মতো শুভ্র, যা গভীরে প্রবেশ করে যখন... কোনো সমাবেশে আঘাত হেনে তা ছিন্নভিন্ন করে দেয়] জাওহারী বলেন: ‘থাখাত কদমূহু ফিল ওয়াহলি’ অর্থাৎ তার পা কাদায় গেঁথে গেল এবং তাতে হারিয়ে গেল। [ খলিল বলেন: ‘রাজউ’ হলো স্বয়ং বৃষ্টি; আবার ‘রাজউ’ অর্থ বসন্তের উদ্ভিদও হয়। কেউ কেউ বলেন: ‘জাতুর রাজউ’ অর্থ হলো কল্যাণময়। বৃষ্টিকে ‘আওব’ও বলা হয়, যেমন একে ‘রাজউ’ বলা হয়; কবি বলেন:উঁচু ও সুউচ্চ শৃঙ্গ যার চূড়ায় মেঘমালা, মৌমাছির প্রত্যাবর্তন এবং বৃষ্টির ধারা ব্যতীত আর কিছু পৌঁছাতে পারে না(পাদটীকা)(১).

বন্ধনীভুক্ত অংশটি মূল পাণ্ডুলিপির কোনো কোনো কপির পার্শ্বটীকায় উল্লেখিত হয়েছে। ‘আল-মুহতফাল’ হলো শরীরের সবচেয়ে প্রশস্ত বা প্রধান অংশ। আর ‘ইয়াখতালি’ অর্থ হলো কেটে ফেলা।(২). কবিতাটি মুতানাখখিল আল-হুজালীর। আস-সুক্কারি এই পংক্তির ব্যাখ্যায় বলেন: ‘রাব্বাউ’ অর্থাৎ যার ওপর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। তিনি বলছেন, এর উচ্চতার কারণে এই টিলার শিখরে মেঘমালা ও ‘আওব’ ব্যতীত অন্য কিছু পৌঁছাতে পারে না। ‘আওব’ অর্থ হলো মৌমাছির ফিরে আসা। আর ‘সুবুল’ হলো বৃষ্টির ধারা যখন তা বর্ষিত হয়।