Al-Layl

আল-লাইল: 19

92:19
92 আল-লাইল Al-Layl · 21 আয়াত الليل
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21

আরবি

وَمَا لِأَحَدٍ عِندَهُۥ مِن نِّعْمَةٍ تُجْزَىٰٓ

English Translations

Sahih International

And not [giving] for anyone who has [done him] a favor to be rewarded –

Muhsin Khan

And have in his mind no favour from anyone for which a reward is expected in return,

Taqi Usmani

while no one has conferred any favour on him for which he would give a return,

Abul Ala Maududi

not as payment for any favours that he received,

Pickthall

And none hath with him any favour for reward,

Yusuf Ali

And have in their minds no favour from anyone for which a reward is expected in return,

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

(সে দান করে) তার প্রতি কারো অনুগ্রহের প্রতিদান হিসেবে নয়,

রাওয়াই আল-বায়ান

আর তার প্রতি কারো এমন কোন অনুগ্রহ নেই, যার প্রতিদান দিতে হবে।

শাইখ মুজিবুর রহমান

এবং তার প্রতি কারও অনুগ্রহের প্রতিদান হিসাবে নয়,

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

এবং তার প্রতি কারও এমন কোনো অনুগ্রহ নেই যার প্রতিদান দিতে হবে,

ফাতহুল মাজীদ

এবং তার ওপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনূগ্রহ থাকে না।

মুখতাসার

১৯. তার সম্পদ ব্যয়র পেছনে কারো অনুগ্রহের প্রতিদান প্রদানের হেতু নেই।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

92:12

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

এবং তার প্রতি কারও এমন কোন অনুগ্রহ নেই যার প্রতিদান দিতে হবে [১] ,

[১] এখানে সেই মুত্তাকী ব্যক্তির আরো বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। সে যে নিজের অর্থ যাদের জন্য ব্যয় করে, আগে থেকেই তার কোন অনুগ্রহ তার ওপর ছিল না, যার প্রতিদান বা পুরস্কার দিচ্ছে অথবা ভবিষ্যতে তাদের থেকে কোন স্বাৰ্থ উদ্ধারের অপেক্ষায় তাদেরকে উপহার-উপঢৌকন ইত্যাদি দিয়ে ব্যয় করছে; বরং সে নিজের মহান ও সর্বশক্তিমান রবের সস্তুষ্টি লাভের জন্যই এমন-সব লোককে সাহায্য করছে, যারা ইতোপূর্বে তার কোন উপকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও তাদের উপকার পাওয়ার আশা নেই। [তাবারী] বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, এ আয়াতটি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর শানে নাযিল হয়েছে। [মুসনাদে বাযযার (আল-বাহরুয, যাখখার) : ৬/১৬৮, ২২০৯] আবু বকর সিদীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু মক্কা মু‘আযযমার যে অসহায় গোলাম ও বাঁদীরা ইসলাম গ্ৰহণ করেছিলেন এবং এই অপরাধে তাদের মালিকরা তাদের ওপর চরম অকথ্য নির্যাতন ও নিপীড়ন চালাচ্ছিল তাদেরকে মালিকদের যুলুম থেকে বাঁচাবার জন্য কিনে নিয়ে আযাদ করে দিচ্ছিলেন। যেসব দাসকে আবুবকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু প্রচুর অর্থ দিয়ে ক্রয় করে মুক্ত করে দেন, তাদের কোন সাবেক অনুগ্রহও তাঁর উপর ছিল না, যার প্রতিদানে এরূপ করা যেত; বরং তার লক্ষ্য মহান আল্লাহ্ তা‘আলার সস্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত কিছুই ছিল না। এ ধরনের মুসলিম সাধারণ দুর্বল ও শক্তিহীন হত। একদিন তার পিতা আবু কোহাফা বললেন: তুমি যখন গোলামদেরকে মুক্তই করে দাও, তখন শক্তিশালী ও সাহসী গোলাম দেখেই মুক্ত করো, যাতে ভবিষ্যতে সে শত্রুর হাত থেকে তোমাকে রক্ষা করতে পারে। আবুবকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন: কোন মুক্ত-করা মুসলিম থেকে উপকার লাভ করা আমার লক্ষ্য নয়। আমি তো কেবল আল্লাহ্র সন্তুষ্টি লাভের জন্যেই তাদেরকে মুক্ত করি। [মুস্তাদরাকে হাকিম: ২/৫৭২, নং ৩৯৪২]