Al-Ghashiyah

আল-গাশিয়াহ: 6

88:6
88 আল-গাশিয়াহ Al-Ghashiyah · 26 আয়াত الغاشية

আরবি

لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍ

English Translations

Sahih International

For them there will be no food except from a poisonous, thorny plant

Muhsin Khan

No food will there be for them but a poisonous thorny plant,

Taqi Usmani

There will be no food for them except from a thorny plant

Abul Ala Maududi

They shall have no food except bitter dry thorns

Pickthall

No food for them save bitter thorn-fruit

Yusuf Ali

No food will there be for them but a bitter Dhari'

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

কাঁটাযুক্ত শুকনো ঘাস ছাড়া তাদের জন্য আর কোন খাদ্য থাকবে না।

রাওয়াই আল-বায়ান

তাদের জন্য কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তাদের জন্য বিষাক্ত কন্টক ব্যতীত খাদ্য নেই –

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তাদের জন্য খাদ্য থাকবে না কাঁটাযুক্ত গুল্ম ছাড়া ,

ফাতহুল মাজীদ

তাদের জন্য বিষাক্ত কাঁটাযুক্ত লতাগাছ ব্যতীত কোন খাদ্য নেই;

মুখতাসার

৬. তাদেরকে খাদ্য হিসাবে শিবরিক নামীয় নোংরা ও দুর্গন্ধময় তৃণলতা যা শুকিয়ে গেলে বিষাক্ত হয়ে যায় তা ব্যতীত অন্য কোন খাবার দেয়া হবে না।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

88:1

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

তাদের জন্য খাদ্য থাকবে না কাঁটাযুক্ত গুল্ম ছাড়া [১] ,

[১] ضَرِيْعٌ শব্দের অর্থ করা হয়েছে, কাঁটাযুক্ত গুল্ম। অর্থাৎ জাহান্নামীরা কোন খাদ্য পাবে না কেবল এক প্রকার কণ্টকবিশিষ্ট ঘাস। পৃথিবীর মাটিতে এ ধরনের গুল্ম ছড়ায়। দুৰ্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত কাঁটার কারণে জন্তু-জানোয়ার এর ধারে কাছেও যায় না। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, ضَرِيْعٌ হচ্ছে জাহান্নামের একটি গাছ। যা খেয়ে কেউ মোটা তাজা হবে না এবং এতে ক্ষুধা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে না। [ফাতহুল কাদীর]

লক্ষণীয় যে, কুরআন মজীদে কোথাও বলা হয়েছে, জাহান্নামের অধিবাসীদের খাবার জন্য “যাককুম” দেয়া হবে। কোথাও বলা হয়েছে, “গিসলীন” (ক্ষতস্থান থেকে ঝরে পড়া তরল পদার্থ) ছাড়া তাদের আর কোন খাবার থাকবে না। আর এখানে বলা হচ্ছে, তারা খাবার জন্য কাঁটাওয়ালা শুকনো ঘাস ছাড়া আর কিছুই পাবে না। এ বর্ণনাগুলোর মধ্যে মূলত কোন বৈপরীত্য নেই। এর অর্থ এও হতে পারে যে, জাহান্নামের অনেকগুলো পর্যায় থাকবে। বিভিন্ন অপরাধীকে তাদের অপরাধ অনুযায়ী সেই সব পর্যায়ে রাখা হবে। তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের আযাব দেয়া হবে। আবার এর অর্থ এও হতে পারে যে, তারা “যাককুম” খেতে না চাইলে “গিসলীন” পাবে এবং তা খেতে অস্বীকার করলে কাঁটাওয়ালা ঘাস ছাড়া আর কিছুই পাবে না। মোটকথা, তারা কোন মনের মতো খাবার পাবে না। [কুরতুবী]