Al-Fajr

আল-ফাজর: 7

89:7
89 আল-ফাজর Al-Fajr · 30 আয়াত الفجر

আরবি

إِرَمَ ذَاتِ ٱلْعِمَادِ

English Translations

Sahih International

[With] Iram - who had lofty pillars,

Muhsin Khan

Who were very tall like lofty pillars,

Taqi Usmani

of Iram , the men of tall pillars,

Abul Ala Maududi

of Iram, known for their lofty columns,

Pickthall

With many-columned Iram,

Yusuf Ali

Of the (city of) Iram, with lofty pillars,

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

উচ্চ স্তম্ভ নির্মাণকারী ইরাম গোত্রের প্রতি?

রাওয়াই আল-বায়ান

ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিল সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী?

শাইখ মুজিবুর রহমান

ইরাম গোত্রের প্রতি, যারা অধিকারী ছিল সুউচ্চ প্রাসাদের?

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

ইরাম গোত্রের প্রতি--- যারা অধিকারী ছিল সুউচ্চ প্রাসাদের?---

ফাতহুল মাজীদ

যা ছিল ইরাম গোত্রের, সুউচ্চ প্রাসাদের

মুখতাসার

৭. আদ গোত্র হলো তাদের দাদা সুদীর্ঘ দেহের অধিকারী ইরামের প্রতি সম্বন্ধিত।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

89:1

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

ইরাম গোত্রের প্রতি [১]--- যারা অধিকারী ছিল সুউচ্চ প্রাসাদের?---

[১] ‘আদ ও সামুদ জাতিদ্বয়ের বংশলতিকা উপরের দিকে ইরামে গিয়ে এক হয়ে যায়। তাই আয়াতে বর্ণিত ইরাম শব্দটি ‘আদ ও সামূদ উভয়ের বেলায় প্রযোজ্য। এখানে ইরাম শব্দ ব্যবহার করে ‘আদ-গোত্রের পূর্ববতী বংশধর তথা প্রথম ‘আদকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। তারা দ্বিতীয় ‘আদের তুলনায় ‘আদের পূর্বপুরুষ ইরামের নিকটতম বিধায় তাদেরকে عادإرم ‘আদে-ইরাম শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে এবং সূরা আন-নাজমে عَادَانِالْاُوْاٰى শব্দ দ্বারা বর্ণনা করা হয়েছে। [ফাতহুল কাদীর]

এখানে তাদের বিশেষণে বলা হয়েছে ذات العماد মূলত: عملد শব্দের অর্থ স্তম্ভ। তারা অত্যন্ত দীর্ঘকায় জাতি ছিল বিধায় তাদের ذَاتِ الْعِمَادِ বলা হয়েছে। অপর কারো কারো মতে তারা যেহেতু অট্টালিকায় বাস করত সেহেতু তাদেরকে ذَاتِ الْعِمَادِ বলা হয়েছে। কারণ অট্টালিকা নির্মাণ করতে স্তম্ভ নির্মানের প্রয়োজন হয়। তারা সর্বপ্রথম এ জাতীয় অট্টালিকা নির্মাণ করে। দুনিয়ায় তারাই সর্বপ্রথম উঁচু উঁচু স্তম্ভের ওপর ইমারত নির্মাণ করার কাজ শুরু করে। কুরআন মজীদের অন্য জায়গায় তাদের এই বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে: হূদ আলাইহিস্ সালাম তাদেরকে বললেন, ‘তোমাদের এ কেমন অবস্থা, প্রত্যেক উঁচু জায়গায় অনর্থক একটি স্মৃতিগৃহ তৈরি করছো এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছো, যেন তোমরা চিরকাল এখানে থাকবে।” [সূরা আশ শু‘আরা: ১২৮-১২৯] অন্য আয়াতে আছে,

وَكَانُوا يَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا آمِنِينَ

“আর তারা পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণ করত নিরাপদ বাসের জন্য। [সূরা আল-হিজর: ৮২]