Al-Hajj
আল-হাজ্জ: 14
আরবি
إِنَّ ٱللَّهَ يُدْخِلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ جَنَّـٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ
English Translations
Indeed, Allāh will admit those who believe and do righteous deeds to gardens beneath which rivers flow. Indeed, Allāh does what He intends.
Truly, Allah will admit those who believe (in Islamic Monotheism) and do righteous good deeds (according to the Quran and the Sunnah) to Gardens underneath which rivers flow (in Paradise). Verily, Allah does what He wills.
Surely, Allah will admit those who believe and do good deeds into gardens beneath which rivers flow. Surely Allah does what He intends.
(In contrast) Allah will assuredly cause those who believe and act righteously to enter Gardens beneath which rivers flow. For, most certainly, Allah does whatever He pleases.
Lo! Allah causeth those who believe and do good works to enter Gardens underneath which rivers flow. Lo! Allah doth what He intendeth.
Verily Allah will admit those who believe and work righteous deeds, to Gardens, beneath which rivers flow: for Allah carries out all that He plans.
বাংলা অনুবাদ
যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, আল্লাহ যা করতে চান, তাই করেন।
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন এমন জান্নাতে, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। নিশ্চয়ই আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন।
যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত; আল্লাহ যা ইচ্ছা তা-ই করেন।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে আল্লাহ্ তাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; নিশ্চয় আল্লাহ্ যা ইচ্ছে তা-ই করেন।
যারা ঈমান আনে ও সৎ কর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; আল্লাহ যা ইচ্ছা তা-ই করেন।
১৪. যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে ও নেক আমল করে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যেগুলোর অট্টালিকাসমূহের তলদেশ দিয়ে অনেকগুলো নদী প্রবাহিত। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা যা চান তাই করেন। যাকে দয়া করতে চান তাকে দয়া করেন। আর যাকে শাস্তি দিতে চান তাকে শাস্তি দিয়ে থাকেন। তাঁকে বাধ্যকারী কেউ নেই। তিনি হচ্ছেন পূত ও পবিত্র।
তাফসীর
মন্দ লোকদের বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ তাআলা ভাল লোকদের বর্ণনা দিচ্ছেন। যাদের অন্তরে বিশ্বাসের জ্যোতি রয়েছে এবং যাদের আমলে সুন্নাত প্রকাশ পায়, যারা সৎকার্যের দিকে অগ্রসর হয় ও মন্দ কার্য হতে দূরে থাকে। তারা সুউচ্চ প্রাসাদ লাভ করবে এবং উচ্চ মর্যাদায় সমাসীন হবে। কেননা, তারা সুপথ প্রাপ্ত। তাদের ছাড়া অন্যেরা হলো অচেতন। মহান আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা-ই করে থাকেন। তার কাজে বাধা দেয়ার কেউই নেই।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে আল্লাহ্ তাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত [১] ; নিশ্চয় আল্লাহ্ যা ইচ্ছে তা-ই করেন [২]।
[১] অর্থাৎ যাদের অবস্থা উল্লেখিত মতলবী, ধান্দাবাজ, দো-মনা ও দৃঢ় বিশ্বাসহীন মুসলমানের মতো নয়। বরং যারা ঠাণ্ডা মাথায় খুব ভালোভাবে ভেবে চিন্তে আল্লাহ, রাসূল ও আখেরাতকে মেনে নেবার ফায়সালা করে তারপর ভালো মন্দ যে কোন অবস্থার সম্মুখীন হতে হোক এবং বিপদের পাহাড় মাথায় ভেঙে পড়ুক বা বৃষ্টিধারার মতো পুরস্কার ঝরে পড়ুক সর্বাবস্থায় দৃঢ়পদে সত্যের পথে এগিয়ে চলে। তারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, খারাপ কাজ থেকে দূরে থেকেছে। সুতরাং আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতের সেই উচু বাগ-বাগিচার ওয়ারিশ বানিয়েছেন। [ইবন কাসীর]
[২] অর্থাৎ আল্লাহর ক্ষমতা অসীম। দুনিয়ায় বা আখেরাতে অথবা উভয় স্থানে তিনি যাকে যা চান দিয়ে দেন এবং যার থেকে যা চান ছিনিয়ে নেন। তিনি দিতে চাইলে বাধা দেবার কেউ নেই। না দিতে চাইলে আদায় করারও কেউ নেই। যেহেতু তিনি কাউকে হিদায়াত করেছেন আর কাউকে পথভ্রষ্ট করেছেন তাই আয়াতের শেষে বলেছেন, “তিনি যা ইচ্ছে তা করেন।” [ইবন কাসীর]
