Az-Zumar

আয-যুমার: 13

39:13
39 আয-যুমার Az-Zumar · 75 আয়াত الزمر

আরবি

قُلْ إِنِّىٓ أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّى عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

English Translations

Sahih International

Say, "Indeed I fear, if I should disobey my Lord, the punishment of a tremendous Day."

Muhsin Khan

Say (O Muhammad SAW): "Verily, if I disobey my Lord, I am afraid of the torment of a great Day."

Taqi Usmani

Say, “If I were to disobey my Lord, I fear the punishment of a great day.”

Abul Ala Maududi

Say: “If I disobey my Lord, I fear the chastisement of an Awesome Day.”

Pickthall

Say: Lo! if I should disobey my Lord, I fear the doom of a tremendous Day.

Yusuf Ali

Say: "I would, if I disobeyed my Lord, indeed have fear of the Penalty of a Mighty Day."

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

বল- আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হই, তবে আমি ভয়ঙ্কর দিনের শাস্তির ভয় করি।

রাওয়াই আল-বায়ান

বল, ‘আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তবে আমি এক মহাদিবসের আযাবের আশঙ্কা করি।’

শাইখ মুজিবুর রহমান

বলঃ আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তাহলে আমি ভয় করি মহা দিনের শাস্তির।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

বলুন, 'আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই, তবে আমি ভয় করি মহাদিনের শাস্তির।'

ফাতহুল মাজীদ

বল : আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হই তবে আমি ভয় করি মহা দিবসের শাস্তির।

মুখতাসার

১৩. হে রাসূল! আপনি বলুন, আমি যদি আল্লাহর আনুগত্য না করে তাঁর অবাধ্য হই তবে আমার জন্য মহান দিনের শাস্তি তথা কিয়ামত দিবসের শাস্তির ভয় রয়েছে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

১৩-১৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তুমি ঘোষণা করে দাও- যদিও আমি আল্লাহর রাসূল, তবুও আমি আল্লাহর আযাব হতে নির্ভয় নই। যদি আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হই তবে কিয়ামতের দিন আমিও আল্লাহর আযাব হতে বাঁচতে পারবো না। সুতরাং অন্য লোকদের আল্লাহর অবাধ্যতা হতে বহুগুণে বেশী বেঁচে থাকা উচিত। হে নবী (সঃ)! তুমি আরো ঘোষণা করে দাও- আমি ইবাদত করি আল্লাহরই তাঁর প্রতি আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে। অতএব তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার ইচ্ছা তার ইবাদত কর। এতেও ভীতি প্রদর্শন ও ধমক রয়েছে, অনুমতি নয়। কিয়ামতের দিন পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত তারাই হবে যারা নিজেদের ও নিজেদের পরিজনবর্গের ক্ষতি সাধন করে। কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা এসে যাবে। তাদের পরিজনবর্গ জান্নাতে গেলে এরা জাহান্নামে যাচ্ছে। আর সবাই জাহান্নামে গেলে মন্দভাবে একে অপর হতে সরে থাকবে এবং হতবুদ্ধি ও চিন্তিত থাকবে। এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি। অতঃপর জাহান্নামে তাদের অবস্থার কথা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, তাদের জন্যে থাকবে তাদের উধ্বদিকে অগ্নির আচ্ছাদন এবং নিম্নদিকেও আচ্ছাদন। যেমন। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তাদের বিছানা হবে জাহান্নামের আগুনের এবং তাদের উপরেও হবে আগুনের চাদর, এবং এরূপেই আমি যালিমদেরকে প্রতিফল দিয়ে থাকি।”(৭:৪১) অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “সেই দিন শাস্তি তাদের উপরে ও পায়ের নীচে পর্যন্ত ঢেকে ফেলবে এবং তিনি (আল্লাহ) বলবেনঃ তোমরা যা আমল করতে তার স্বাদ গ্রহণ কর।” (২৯:৫৫) মহান আল্লাহ্ বলেনঃ এতদ্বারা আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করেন তার প্রকৃত শাস্তি হতে যে, নিশ্চিত রূপে ঐ শাস্তি দেয়া হবে। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। সুতরাং তার বান্দাদের সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত এবং পাপকার্য ও আল্লাহর অবাধ্যাচরণ পরিত্যাগ করা তাদের একান্তভাবে কর্তব্য। তাই তিনি বলেনঃ হে আমার বান্দাগণ! তোমরা আমার পাকড়াও, আমার শাস্তি, আমার ক্রোধ এবং আমার প্রতিশোধ ও হিসাব গ্রহণকে ভয় কর।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

বলুন, 'আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই, তবে আমি ভয় করি মহাদিনের শাস্তির।'