Ghafir

গাফির: 16

40:16
40 গাফির Ghafir · 85 আয়াত غافر

আরবি

يَوْمَ هُم بَـٰرِزُونَ ۖ لَا يَخْفَىٰ عَلَى ٱللَّهِ مِنْهُمْ شَىْءٌ ۚ لِّمَنِ ٱلْمُلْكُ ٱلْيَوْمَ ۖ لِلَّهِ ٱلْوَٰحِدِ ٱلْقَهَّارِ

English Translations

Sahih International

The Day they come forth nothing concerning them will be concealed from Allāh. To whom belongs [all] sovereignty this Day? To Allāh, the One, the Prevailing.

Muhsin Khan

The Day when they will (all) come out, nothing of them will be hidden from Allah. Whose is the kingdom this Day? (Allah Himself will reply to His Question): It is Allah's the One, the Irresistible!

Taqi Usmani

the day they will come in open view. Nothing about them will remain hidden from Allah. To whom belongs the kingdom today? To Allah alone, the One, the All-Dominant.

Abul Ala Maududi

the Day when they will emerge and nothing of them shall be hidden from Allah. (On that Day they will be asked): “Whose is the kingdom today?” (The whole world will cry out): “It is Allah's, the One, the Overpowering.”

Pickthall

The day when they come forth, nothing of them being hidden from Allah. Whose is the Sovereignty this day? It is Allah's, the One, the Almighty.

Yusuf Ali

The Day whereon they will (all) come forth: not a single thing concerning them is hidden from Allah. Whose will be the dominion that Day?" That of Allah, the One the Irresistible!

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

মানুষ যেদিন (ক্ববর থেকে) বের হয়ে আসবে, আল্লাহর কাছে তাদের কোন কিছুই গোপন থাকবে না। (সেদিন ঘোষণা দেয়া হবে) আজ একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কার? (উত্তর আসবে) এক ও একক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর।

রাওয়াই আল-বায়ান

যে দিন লোকেরা প্রকাশ হয়ে পড়বে। সে দিন আল্লাহর নিকট তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। ‘আজ রাজত্ব কার’? প্রবল প্রতাপশালী এক আল্লাহর।

শাইখ মুজিবুর রহমান

যেদিন মানুষ বের হয়ে পড়বে। সেদিন আল্লাহর নিকট তাদের কিছুই গোপন থাকবেনা। ঐ দিন কর্তৃত্ব কার? এক, পরাক্রমশালী আল্লাহরই।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

যেদিন তারা (লোকসকল) প্রকাশিত হবে সেদিন আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আজ কর্তৃত্ব কার? আল্লাহরই, যিনি এক, প্ৰবল প্ৰতাপশালী।

ফাতহুল মাজীদ

যেদিন তারা (কবর হতে) বের হয়ে পড়বে, সেদিন আল্লাহর নিকট তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। (আল্লাহ জিজ্ঞাসা করবেন) আজ কর্তৃত্ব কার? এক পরাক্রমশালী আল্লাহরই।

মুখতাসার

১৬. সেদিন তারা একই ভূমিতে প্রকাশ্যভাবে সমবেত হবে। তাদের কোন কিছু আল্লাহর কাছে গোপন থাকবে না। না তাদের সত্তা, না তাদের আমল। আর না তাদের প্রতিদান। সে দিন তিনি জিজ্ঞেস করবেন আজকের দিনের রাজত্ব কার?! তখন একটি মাত্র উত্তর ব্যতীত অন্য কোন জবাব থাকবে না। তা হলো রাজত্ব কেবল ওই আল্লাহর যিন আপন সত্তা, গুণাবলী ও কার্যাবলীতে একক। যিনি এমন প্রতাপশালী যদ্বারা তিনি সর্ব বস্তুকে করতলগত করেছেন এবং তাঁর জন্য সব কিছু অধীন হয়েছে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

40:15

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

যেদিন তারা (লোকসকল) প্রকাশিত হবে সেদিন আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আজ কর্তৃত্ব কার? আল্লাহরই, যিনি এক, প্ৰবল প্ৰতাপশালী [১]।

[১] উল্লেখিত আয়াতসমূহে এ বাক্যটি

يَوْمَ التَّلَاقِ ও يَوْمَ هُمْ بَارِزُوْنَ

এর পরে এসেছে। বলাবাহুল্য, يَوْمَ التَّلَاقِ তথা সাক্ষাত ও সমাবেশের দিন দ্বিতীয় ফুঁকের পরে হবে। এমনিভাবে يَوْمَ هُمْ بَارِزُوْنَ এর ঘটনাও তখন হবে, যখন দ্বিতীয় ফুৎকারের পরে নতুন ভূপৃষ্ঠ সমতল করে দেয়া হবে, যাতে কোন আড়াল থাকবে না। এরপরে لِمَنِ الْمُلْكُ বাক্যটি আনার কারণে বাহ্যত: বোঝা যায় যে, আল্লাহ তা'আলার এ বাণী দ্বিতীয় ফুঁকের মাধ্যমে সবকিছু পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পরে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু একটি হাদীসে এসেছে “কিয়ামতের প্রারম্ভে আহবানকারী আহবান করে বলবেন: হে লোক সকল! তোমাদের কিয়ামত এসেছে, তখন জীবিত মৃত সবাই শুনতে পাবে। আর আল্লাহ প্রথম আসমানে নেমে এসে বললেন: আজকের দিনে কার রাজত্ব? একমাত্র পরাক্রম আল্লাহর জন্যই। [মুস্তাদরাকে হাকিম: ২/৪৭৫, ৩৬৩৭] তাছাড়া অন্য বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, আল্লাহ তা'আলা এ উক্তি তখন করবেন, যখন প্রথম ফুঁকের পর সমগ্র সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং জিবরাইল, মীকাইল, ইস্রাফীল, প্রমূখ নৈকট্যশীল ফেরেশতাগণও মারা যাবে এবং আল্লাহর সত্ত্বা ব্যতীত কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। আল্লাহ বলবেন, আজকের দিন রাজত্ব কার? আল্লাহ নিজেই জওয়াব দেবেন: প্রবল পরাক্রান্ত এক আল্লাহর!” হাদীস থেকে এর সমর্থন পাওয়া যায় ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা সমগ্ৰ পৃথিবী এবং সমগ্র আসমানসমূহকে হাতে গুটিয়ে বলবেন: আমিই বাদশাহ! আমিই পরাক্রমশালী, আমি অহংকারী, দুনিয়ার বাদশারা কোথায়? কোথায় পরাক্রমশালীরা? কোথায় অহংকারকারীরা? [বুখারী: ৭৪১২; মুসলিম: ২৭৮৮]