At-Tawbah
আত-তাওবা: 8
9 আত-তাওবা At-Tawbah · 129 আয়াত التوبة
আরবি
كَيْفَ وَإِن يَظْهَرُوا۟ عَلَيْكُمْ لَا يَرْقُبُوا۟ فِيكُمْ إِلًّا وَلَا ذِمَّةً ۚ يُرْضُونَكُم بِأَفْوَٰهِهِمْ وَتَأْبَىٰ قُلُوبُهُمْ وَأَكْثَرُهُمْ فَـٰسِقُونَ
English Translations
How [can there be a treaty] while, if they gain dominance over you, they do not observe concerning you any pact of kinship or covenant of protection? They satisfy you with their mouths, but their hearts refuse [compliance], and most of them are defiantly disobedient.
How (can there be such a covenant with them) that when you are overpowered by them, they regard not the ties, either of kinship or of covenant with you? With (good words from) their mouths they please you, but their hearts are averse to you, and most of them are Fasiqun (rebellious, disobedient to Allah).
How (can they have a treaty) while if they overcome you, they will not observe any bond or treaty with you. They want to please you with (words of) their mouths, but their hearts refuse. Most of them are sinners.
[9:8] How can there be any covenant with the other polytheists for were they to prevail against you, they will respect neither kinship nor agreement. They seek to please you with their tongues while their hearts are averse to you, and most of them are wicked.
How (can there be any treaty for the others) when, if they have the upper hand of you, they regard not pact nor honour in respect of you? They satisfy you with their mouths the while their hearts refuse. And most of them are wrongdoers.
How (can there be such a league), seeing that if they get an advantage over you, they respect not in you the ties either of kinship or of covenant? With (fair words from) their mouths they entice you, but their hearts are averse from you; and most of them are rebellious and wicked.
বাংলা অনুবাদ
কীভাবে (চুক্তি থাকতে পারে) যদি তারা তোমাদেরকে পরাজিত করতে পারে তাহলে তারা তোমাদের সঙ্গে না আত্মীয়তার মর্যাদা দেয়, আর না ওয়াদা-অঙ্গীকারের; তারা তাদের মুখের কথায় তোমাদেরকে সন্তুষ্ট রাখতে চায় কিন্তু তাদের অন্তর তা অস্বীকার করে, তাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী অপরাধী।
কীভাবে থাকবে (মুশরিকদের জন্য অঙ্গীকার)? অথচ তারা যদি তোমাদের উপর জয়ী হয়, তাহলে তারা তোমাদের আত্মীয়তা ও অঙ্গীকারের ব্যাপারে লক্ষ্য রাখে না। তারা তাদের মুখের (কথা) দ্বারা তোমাদেরকে সন্তুষ্ট করে, কিন্তু তাদের অন্তর তা অস্বীকার করে। আর তাদের অধিকাংশ ফাসিক।
কি করে চুক্তি রক্ষা হবে, যদি অবস্থা এই হয় যে, তারা যদি তোমাদের উপর প্রাধান্য লাভ করে তাহলে তোমাদের আত্মীয়তার মর্যাদাও রক্ষা করবেনা এবং অঙ্গীকারেরও না। তারা তোমাদেরকে নিজেদের মুখের কথায় সন্তুষ্ট রাখে, কিন্তু তাদের অন্তরসমূহ অস্বীকার করে, আর তাদের অধিকাংশ লোকই ফাসিক ।
কেমন করে চুক্তি বলবৎ থাকবে? অথচ তারা যদি তোমাদের উপর জয়ী হয়, তবে তারা তোমাদের আত্মীয়তার ও অঙ্গীকারের কোনো মর্যাদা দেবে না তারা মুখে তোমাদেরকে সন্তুষ্ট রাখে; কিন্তু তাদের হৃদয় তা অস্বীকার করে; আর তাদের অধিকাংশই ফাসেক।
কেমন করে থাকবে? তারা যদি তোমাদের ওপর জয়ী হয়, তবে তারা তোমাদের আত্মীয়তার ও অঙ্গীকারের কোন মর্যাদা দেবে না; তারা মুখে তোমাদেরকে সন্তুষ্ট রাখে; কিন্তু তাদের হৃদয় সেটা অস্বীকার করে; তাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী।
৮. তাদের জন্য কীভাবেই বা চুক্তি ও নিরাপত্তা থাকতে পারে; অথচ তারা তোমাদেরই শত্রু। যদি তারা তোমাদেরকে সুযোগ মতো পেয়ে বসে তখন তারা তোমাদের ব্যাপারে আল্লাহ, আত্মীয়তার বন্ধন অথবা চুক্তি তথা কোন কিছুরই তোয়াক্কা করবে না। বরং তারা তোমাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাবে?! তারা মুখের সুন্দর কথা দিয়ে তোমাদেরকে সন্তুষ্ট করছে। তবে তাদের অন্তর তো মুখের অনুগামী নয়। তারা যা বলে তা কখনো পুরা করে না। বরং তাদের অধিকাংশই ওয়াদা ভঙ্গের কারণে আল্লাহর আনুগত্যের বাইরে।
তাফসীর
আল্লাহ তাআলা কাফিরদের প্রতারণা এবং তাদের অন্তরের শক্রতা থেকে মুসলিমদেরকে সতর্ক করেছেন, যেন তারা তাদের সাথে আন্তরিক বন্ধুত্ব না রাখে। তারা যেন তাদের কথা ও অঙ্গীকারের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত না থাকে। তাদের কুফরী ও শিরুক তাদেরকে তাদের ওয়াদার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে দেবে না। তারা তো সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে। ক্ষমতা পেলে তারা তোমাদেরকে জ্যান্তই চিবিয়ে খেয়ে নেবে। তারা আত্মীয়তার মর্যাদা রক্ষা করবে না এবং ওয়াদা। অঙ্গীকারেরও কোন পরওয়া করবে না। তারা তাদের সাধ্যমত তোমদেরকে কষ্ট দেবে এবং এতে তৃপ্তি লাভ করবে। (আরবী) শব্দের অর্থ হচ্ছে আত্মীয়তা। ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতেও এই অর্থ বর্ণিত আছে। কবি তামীর ইবনে মুকবিল ও কবি হাসসান ইবনে সাবিতও (রাঃ) তাঁদের কবিতায় শব্দকে এই অর্থে প্রয়োগ করেছেন। আবার এর অর্থ এরূপও করা হয়েছে যে, যখন তারা বিজয় লাভ করবে তখন আল্লাহ তা'আলার প্রতিও লক্ষ্য রাখবে না এবং আর কারো প্রতিও না। এই (আরবী) শব্দটিই (আরবী) রূপ (আরবী) ও (আরবী) -এর মধ্যে এসেছে। অর্থাৎ এর অর্থ হচ্ছে “আল্লাহ।” কিন্তু প্রথম উক্তিটিই হচ্ছে বেশী স্পষ্ট ও প্রসিদ্ধ এবং অধিকাংশ মুফাসসিরেরও এটাই উক্তি। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা অঙ্গীকার বুঝানো হয়েছে। আর কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে কসম বা শপথ।
কেমন করে চুক্তি বলবৎ থাকবে? অথচ তারা যদি তোমাদের উপর জয়ী হয়, তবে তারা তোমাদের আত্মীতার ও অঙ্গীকারের কোন মর্যাদা দেবে না তারা মুখে তোমাদেরকে সন্তুষ্ট রাখে; কিন্তু তাদের হৃদয় তা অস্বীকার করে; আর তাদের অধিকাংশই ফাসেক।
