At-Tawbah
আত-তাওবা: 103
9 আত-তাওবা At-Tawbah · 129 আয়াত التوبة
আরবি
خُذْ مِنْ أَمْوَٰلِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيهِم بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْ ۖ إِنَّ صَلَوٰتَكَ سَكَنٌ لَّهُمْ ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
English Translations
Take, [O Muḥammad], from their wealth a charity by which you purify them and cause them increase, and invoke [Allāh's blessings] upon them. Indeed, your invocations are reassurance for them. And Allāh is Hearing and Knowing.
Take Sadaqah (alms) from their wealth in order to purify them and sanctify them with it, and invoke Allah for them. Verily! Your invocations are a source of security for them, and Allah is All-Hearer, All-Knower.
Take Sadaqah (obligatory alms) out of their wealth through which you may cleanse and purify them, and pray for them. Indeed, your prayer is a source of peace for them. And Allah is (All-) Hearing, (All-) Knowing.
[9:103] (O Prophet)! "Take alms out of their riches and thereby cleanse them and bring about their growth (in righteousness), and pray for them. Indeed your prayer is a source of tranquillity for them." Allah is All-Hearing, All-Knowing.
Take alms of their wealth, wherewith thou mayst purify them and mayst make them grow, and pray for them. Lo! thy prayer is an assuagement for them. Allah is Hearer, Knower.
Of their goods, take alms, that so thou mightest purify and sanctify them; and pray on their behalf. Verily thy prayers are a source of security for them: And Allah is One Who heareth and knoweth.
বাংলা অনুবাদ
তাদের সম্পদ থেকে সদাকাহ গ্রহণ করবে যাতে তা দিয়ে তাদেরকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করতে পার। তুমি তাদের জন্য দু‘আ করবে, বস্তুতঃ তোমার দু‘আ তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক, আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন সব কিছু জানেন।
তাদের সম্পদ থেকে সদাকা নাও। এর মাধ্যমে তাদেরকে তুমি পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করবে। আর তাদের জন্য দো‘আ কর, নিশ্চয় তোমার দো‘আ তাদের জন্য প্রশান্তিকর। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
(হে নাবী!) তুমি তাদের ধন-সম্পদ হতে সাদাকাহ গ্রহণ কর, যদ্বারা তুমি তাদেরকে পবিত্র করে দিবে, আর তাদের জন্য দু‘আ কর। নিঃসন্দেহে তোমার দু‘আ হচ্ছে তাদের জন্য শান্তির কারণ, আর আল্লাহ খুব শোনেন, খুব জানেন।
আপনি তাদের সম্পদ থেকে ‘সদকা’ গ্রহন করুন। এর দ্বারা আপনি তাদেরকে পবিত্র করবেন এবং পরিশোধিত করবেন। আর আপনি তেদের জন্য দো’আ করুন। আপনার দো’আ তো তোদের জন্য প্রশান্তি কর। আর আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
তুমি তাদের সম্পদ হতে ‘সদাক্বাহ’ গ্রহণ কর। তার দ্বারা তুমি তাদেরকে পবিত্র করবে এবং পরিশোধিত করবে। তুমি তাদের জন্য দু‘আ করবে। তোমার দু‘আ তো তাদের জন্য চিত্ত স্বস্তিকর। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
১০৩. হে রাসূল! আপনি তাদের সম্পদ থেকে যাকাত নিন। যার মাধ্যমে আপনি তাদেরকে গুনাহ ও পাপরাশির ময়লা থেকে পবিত্র করবেন এবং তাদের পুণ্য বাড়িয়ে দিবেন। উপরন্তু তা গ্রহণের পর তাদের জন্য দু‘আ করুন। কারণ, আপনার দু‘আ তাদের জন্য রহমত ও প্রশান্তি স্বরূপ। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলা আপনার দু’আ শুনছেন এবং তিনি তাদের কর্মকাণ্ড ও নিয়্যাত সম্পর্কে ভালোই জানেন।
তাফসীর
১০৩-১০৪ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন-হে নবী! তুমি তাদের মালের যাকাত আদায় কর। এটা তাদেরকে পাক পবিত্র করবে। কতকগুলো লোক (আরবী)- এর সর্বনাম ঐ লোকদের দিকে ফিরিয়েছেন যারা নিজেদের পাপ ও অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছিল এবং ভালো ও মন্দ উভয় আমল করেছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই হুকুম বিশিষ্ট নয়, বরং এটা সাধারণ হুকুম। এ কারণেই আরব গোত্রগুলোর মধ্যে কতকগুলো লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করে বসেছিল। তাদের মনে এই বিশ্বাস বদ্ধমূল হয়েছিল যে, ইমামের যাকাত নেয়ার অধিকার নেই। এটা শুধু রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর জন্যেই নির্দিষ্ট ছিল। আর এ জন্যেই তারা আল্লাহ তা'আলার (আরবী)-এই উক্তিকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু আবু বকর (রাঃ) এবং অন্যান্য সমস্ত সাহাবী তাদের ভুল ব্যাখ্যা ও বাজে অনুভূতি খণ্ডন করে দিয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে। যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তখন বাধ্য হয়ে তারা সেই সময়ের খলীফাকে যাকাত প্রদান করেছে যেমন তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে প্রদান করতো। এমন কি আবু বকর (রাঃ) ঘোষণা করেছিলেনঃ “যদি তারা যাকাতের মালের একটি উষ্ট্রীর বাচ্চা বা রঞ্জুর একটা খণ্ডও আদায় করা থেকে বিরত থাকে তবুও আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো।”আল্লাহ পাকের উক্তি (আরবী) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ)! তুমি তাদের জন্যে দুআ কর এবং ক্ষমা প্রার্থনা কর।” যেমন সহীহ মুসলিমে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন কারো কাছে যাকাতের মাল আসতো তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) আল্লাহ তা'আলার নির্দেশ অনুযায়ী তার জন্যে দুআ করতেন। আমার পিতা যখন যাকাতের মাল পেশ করলেন তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) দুআ করলেনঃ “হে আল্লাহ! আবূ আওফার (রাঃ) বংশধরের উপর দয়া করুন।” অন্য একটি হাদীসে আছে যে, একটি স্ত্রীলোক বলেঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার জন্যে ও আমার স্বামীর জন্যে দুআ করুন।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বললেনঃ “আল্লাহ তোমার উপর ও তোমার স্বামীর উপর রহম করুন।” আল্লাহ তাআলার উক্তি- (আরবী) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই তোমার দুআ হচ্ছে তাদের জন্যে শান্তির কারণ।” কেউ কেউ (আরবী) কে বহুবচন করে (আরবী) পড়েছেন। আবার অন্যেরা একবচন ধরে পড়েছেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবী) শব্দের অর্থ হচ্ছে রহমত। আর কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এর অর্থ হচ্ছে (আরবী) বা পদমর্যাদা।(আরবী) অর্থাৎ হে নবী! তোমার দুআ আল্লাহ শ্রবণকারী (আরবী) অর্থাৎ (হে নবী সঃ)! কে তোমার দুআ’র দাবীদার তা আল্লাহ খুব ভালই জানেন। মুসনাদে আহমাদে রয়েছে- ওয়াকী (রঃ) ইসনাদসহ বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সঃ) যখন কারো জন্যে দুআ করতেন তখন তা তার পক্ষে, তার পুত্রদের পক্ষে এবং তার পৌত্রদের পক্ষে ককূল হয়ে যেতো। আবূ নাঈম (রঃ) হতে ইসনাদসহ বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ)-এর দুআ' কোন মানুষের পক্ষে, তার পুত্রদের পক্ষে এবং তার পৌত্রদের পক্ষে অবশ্যই ককূল হয়ে যেতো। আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ তারা কি এটা অবগত নয় যে, আল্লাহই নিজ বান্দাদের তাওবা কবুল করেন, আর তিনিই দান-খয়রাত কবূল করে থাকেন? এর উদ্দেশ্য হচ্ছে তাওবা ও দান খয়রাতের উপর মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। কেননা এ দুটোই মানুষ থেকে পাপকে সরিয়ে দেয় এবং নাফরমানী নিশ্চিহ্ন করে দেয়। আল্লাহ তাআলা খবর দিয়েছেন যে, যে তাঁর কাছে তাওবা পেশ করে তিনি তার সেই তাওবা কবুল করে থাকেন। যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খণ্ডও সাদকা করে, আল্লাহ সেটা তার ডান হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি ওটাকে সাদকাকারীর জন্যে বিনিয়োগ করতে থাকেন এবং ছোট থেকে বড় করে দেন। শেষ পর্যন্ত সাদকার ঐ একটি মাত্র খেজুর উহুদ পাহাড়ের মত হয়ে যায়। যেমন এই হাদীসেই রাসূলুল্লাহ (সঃ) হতে বর্ণিত আছে এবং যেমন ওয়াকী (রঃ) ইসনাদসহ আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা সাদকা কবুল করে থাকেন এবং ওটাকে নিজের দক্ষিণ হস্তে গ্রহণ করেন। অতঃপর তিনি ওটাকে বড় করতে থাকেন, যেমন তোমরা ঘোড়ার বাচ্চাকে লালন পালন করে বড় করে থাকো। শেষ পর্যন্ত সাদকার এক লুকমাও উহুদ পাহাড় হয়ে যায়। আল্লাহর কিতাবের দ্বারাও এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “তারা কি জানে না যে, আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের তাওবা কবুল করে থাকেন এবং যাকাত ও সাদকাও নিয়ে থাকেন?” মহান আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেন: (আরবী) অর্থাৎ “আল্লাহ সুদকে বরবাদ করে দেন এবং যাকাতকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেন।” (২:২৭৬)সাওরী (রঃ) ইসনাদসহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, সাদকার মাল ভিক্ষুকের হাতে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর হাতে পড়ে যায়। অতঃপর আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) আল্লাহ তা'আলার (আরবী) -এ উক্তিটি পাঠ করেন। ইবনে আসাকির (রঃ) স্বীয় ইতিহাসের মধ্যে আব্দুল্লাহ ইবনুশ শাইর আসসাকীর (রঃ) ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করে (যিনি দেমাকী ছিলেন, কিন্তু তার প্রকৃত দেশ ছিল হিমস এবং তিনি ফকীহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন) বর্ণনা করেছেন যে, মুআবিয়া (রাঃ) -এর যুগে জনগণ জিহাদে গমন করেন, যাঁদের নেতা ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে ওয়ালীদ (রাঃ)। তখন একজন মুসলিম গনীমতের মালের মধ্য থেকে একশ দীনার (স্বর্ণমদ্রা) আত্মসাৎ করে । অতঃপর যখন সেনাবাহিনী ফিরে যায় এবং লোকেরা নিজ নিজ বাড়ীতে গমন করে তখন ঐ (আত্মসাৎকারী) মুসলিমটি খুবই লজ্জিত হয়। সে তখন ঐ দীনারগুলো সেনাপতির কাছে পৌঁছিয়ে দিতে যায়। কিন্তু সেনাপতি ওগুলো নিতে অস্বীকার করেন এবং বলেনঃ “সৈন্যরা তো নিজ নিজ বাড়ী চলে গেছে যাদের মধ্যে এগুলো বণ্টন করা যেতো। সুতরাং আমিতো এখন এগুলো নিতে পারি না। এগুলো তুমি কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে পেশ করবে।” লোকটি তখন সাহাবীদের প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করতে থাকে। কিন্তু সবাই ঐ কথাই বলে। সে তখন দামেস্ক আসে এবং মুআবিয়া (রাঃ)-কে তা কবূল করতে বলে। কিন্তু তিনিও তা কবূল করতে অস্বীকার করেন। সে সেখান থেকে কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসে এবং আব্দুল্লাহ ইবনুশ শাইর আসসাকীর (রঃ) পার্শ্ব দিয়ে গমন করে। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ “কাঁদছো কেন?” উত্তরে সে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করে এবং বলে যে, কোন আমীরই তার আত্মসাৎকৃত একশ’টি দীনার গ্রহণ করলেন না। তখন আব্দুল্লাহ (রঃ) তাকে বললেনঃ “তুমি আমার কথা শুনবে কি?” সে উত্তর দিলোঃ “হ্যা অবশ্যই।” তিনি বললেনঃ “তুমি মুআবিয়া (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে বল-বায়তুল মালের হক এক পঞ্চমাংশ আপনি নিয়ে নিন। সুতরাং বিশ দীনার তাকে দিয়ে দাও। আর অবশিষ্ট আশি দীনার ঐ সৈন্যদের পক্ষ থেকে খয়রাত করে দাও যারা এর হকদার ছিল। কেননা, আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদের তাওবা কবুল করে থাকেন। তিনি ঐ সৈন্যদের নাম, বাসস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে পূর্ণ ওয়াকিফ হাল। তিনি তাদেরকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিবেন।” ঐ লোকটি তখন এই কাজই করলো। মুআবিয়া (রাঃ) বললেনঃ “আমি যদি তাকে এই ফতওয়া দিতাম তবে এটা আমার কাছে আমার সাম্রাজ্যের চাইতেও প্রিয় ছিল। তিনি খুব সুন্দর তদবীর বাতলিয়ে দিয়েছেন।”
আপনি তাদের সম্পদ থেকে ‘সদকা’ গ্রহন করুন [১]। এর দ্বারা আপনি তাদেরকে পবিত্র করবেন এবং পরিশোধিত করবেন। আর আপনি তেদের জন্য দো’আ করুন। আপনার দো’আ তো তোদের জন্য প্রশান্তি কর [২]। আর আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
[১] মুফাসসিরগণ এ সাদকার প্রকৃতি নির্ধারণ নিয়ে দুটি মত দিয়েছেন। কারও কারও মতে, এ আয়াতে পূর্ববর্তী আয়াতে যাদের তাওবাহ কবুল করা হয়েছে তাদের সদকা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। সেটা ফরয বা নফল যে কোন সদকা হতে পারে। [ফাতহুল কাদীর] এ মতের সমর্থনে ইবন আববাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত আছে যে, যখন পূর্বোক্ত লোকদের তাওবা কবুল করা হয়, তখন তারা তাদের সম্পদ নিয়ে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এগুলো আমাদের সম্পদ, এগুলো গ্রহণ করে আমাদের পক্ষ থেকে সদকা দিন এবং আমাদের জন্য ক্ষমার দো'আ করুন। তিনি বললেন, আমাকে এর নির্দেশ দেয়া হয়নি। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। [আত-তাফসীরুস সহীহ] তবে অধিকাংশের মতে, নির্দেশটি ব্যাপক, সবার জন্যই প্রযোজ্য। তবে সেটা ফরয সদকা বা যাকাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। [ফাতহুল কাদীর] এ মতের সমর্থনে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে, যাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাকাত প্রদানকারীদের জন্য দোআ করেছেন।
[২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ নির্দেশ মোতাবেক সাহাবীদের মধ্যে কেউ যাকাত নিয়ে আসলে তাদের পরিবারের জন্য দোআ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কোন সম্প্রদায়ের লোকেরা যাকাত নিয়ে আসলে তিনি বলতেন, আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা আলে ফুলান’। (হে আল্লাহ! অমুকের বংশধরের জন্য সালাত প্রেরণ করুন) অতঃপর আমার পিতা তার কাছে যাকাত নিয়ে আসলে তিনি দো'আ করলেন, আল্লাহুম্মা সাল্লে 'আলা আলে আবি আওফা"। (হে আল্লাহ! আৰু আওফার বংশধরের জন্য সালাত প্রেরণ করুন) [বুখারী: ১৪৯৭] অন্য বর্ণনায় এসেছে, জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এক মহিলা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমার ও আমার স্বামীর জন্য দোআ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সাল্লাল্লাহু আলাইকে ওয়া 'আলা যাওজিকে (আল্লাহ তোমার ও তোমার স্বামীর জন্য সালাত প্রেরণ করুন)। [আবু দাউদ: ১৫৩৩]
