Yunus
ইউনুস: 108
10 ইউনুস Yunus · 109 আয়াত يونس
আরবি
قُلْ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدْ جَآءَكُمُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكُمْ ۖ فَمَنِ ٱهْتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهْتَدِى لِنَفْسِهِۦ ۖ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا ۖ وَمَآ أَنَا۠ عَلَيْكُم بِوَكِيلٍ
English Translations
Say, "O mankind, the truth has come to you from your Lord, so whoever is guided is only guided for [the benefit of] his soul, and whoever goes astray only goes astray [in violation] against it. And I am not over you a manager."
. Say: "O you mankind! Now truth (i.e. the Quran and Prophet Muhammad SAW), has come to you from your Lord. So whosoever receives guidance, he does so for the good of his own self, and whosoever goes astray, he does so to his own loss, and I am not (set) over you as a Wakil (disposer of affairs to oblige you for guidance)."
Say, “O people, the truth has come to you from your Lord. So, whoever accepts guidance accepts it to his own benefit, and whoever goes astray does so to his own detriment. And I am not responsible for you.”
Tell them (O Muhammad): 'Men! Truth has come to you from your Lord. Whosoever, then, follows the true guidance does so for his own good; and whosoever strays, his straying will be to his own hurt. I am no custodian over you.
Say: O mankind! Now hath the Truth from your Lord come unto you. So whosoever is guided, is guided only for (the good of) his soul, and whosoever erreth erreth only against it. And I am not a warder over you.
Say: "O ye men! Now Truth hath reached you from your Lord! those who receive guidance, do so for the good of their own souls; those who stray, do so to their own loss: and I am not (set) over you to arrange your affairs."
বাংলা অনুবাদ
বল, ‘‘হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পৌঁছেছে। অতঃপর যে সঠিক পথ অবলম্বন করবে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই সঠিক পথ ধরবে। আর যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ক্ষতি করার জন্য, আমি তোমাদের হয়ে কাজ উদ্ধার করে দেয়ার কেউ নেই।
বল, ‘হে মানুষ’, তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট সত্য এসেছে। সুতরাং যে হিদায়াত গ্রহণ করবে, সে নিজের জন্যই হিদায়াত গ্রহণ করবে। আর যে পথভ্রষ্ট হবে, সে নিজের ক্ষতির জন্য পথভ্রষ্ট হবে। আর আমি তোমাদের অভিভাবক নই।
বলঃ হে লোক সকল! তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ হতে সত্য (ধর্ম) এসেছে, অতএব যে ব্যক্তি সঠিক পথে আসবে, বস্তুতঃ সে নিজের জন্যই পথে আসবে; আর যে ব্যক্তি পথভ্রষ্ট থাকবে তার পথভ্রষ্টতা তারই উপরে বর্তাবে, আর আমাকে (রাসূলকে) তোমাদের উপর দায়িত্বশীল করা হয়নি।
বলুন, ‘হে লোকসকল ! অবশ্যই তোমাদের রবের কাছ থেকে তোমাদের কাছে সত্য এসেছে। কাজেই যারা সৎপথ অবলম্বন করবে তারা তো নিজেদেরই মঙ্গলের জন্য সৎপথ অবলম্বন করবে এবং যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা তো পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ধ্বংসের জন্য এবং আমি তোমাদের উপর কর্মবিধায়ক নই।‘
বল: ‘হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমাদের নিকট সত্য এসেছে। সুতরাং যারা সৎপথ অবলম্বন করবে তারা তো নিজেদেরই মঙ্গলের জন্য সৎপথ অবলম্বন করবে এবং যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা তো পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ধ্বংসের জন্য এবং আমি তোমাদের কর্মবিধায়ক নই।’
১০৮. হে রাসূল! আপনি বলে দিন: হে মানুষ! তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কুর‘আন নাযিল হয়েছে। যে ব্যক্তির তার উপর ঈমান এনে তা কর্তৃক হিদায়েতপ্রাপ্ত হয়েছে তার লাভ তারই উপর বর্তাবে। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের আনুগত্যের অমুখাপেক্ষী। আর যে পথভ্রষ্ট হয়েছে তার ভ্রষ্টতার কুফল একা তাকেই ভোগ করতে হবে। কারণ, বান্দাদের পাপ আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারে না। আর আমি তোমাদের কোন সংরক্ষক নই। যার ফলে আমি তোমাদের আমলগুলো সংরক্ষণ করবো এবং তার হিসাব নেবো।
তাফসীর
১০৮-১০৯ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা নবী (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন- হে নবী (সঃ)! তুমি লোকদেরকে বলে দাও যে, আল্লাহ তা'আলার নিকট হতে যেসব অহী এসেছে তা সত্য। তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। যে ব্যক্তি হিদায়াত প্রাপ্ত হয়েছে এবং তার অনুসরণ করেছে, তার উপকার সে নিজেই লাভ করবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি হিদায়াত লাভ করেনি, তার কুফল তাকেই ভোগ করতে হবে। আমি আল্লাহর ফৌজদার নই যে, তোমাদেরকে জোরপূর্বক মুমিন বানিয়ে দিব। আমি তো শুধু তোমাদেরকে আল্লাহর শাস্তি হতে ভয় প্রদর্শনকারী। হিদায়াত দান করার কাজ একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ পাক বলেন- হে নবী (সঃ)! তুমি নিজেই অহীর অনুসরণ কর এবং তাকে শক্ত করে ধরে থাক। যারা তোমার বিরোধিতা করছে ওর উপর ধৈর্যধারণ কর, যে পর্যন্ত না আল্লাহর ফায়সালা চলে আসে। তিনি উত্তম ফায়সালাকারী। অর্থাৎ স্বীয় ইনসাফ ও হিকমতের মাধ্যমে তিনি উত্তম মীমাংসাকারী।
বলুন, ‘হে লোকসকল ! অবশ্যই তোমাদের রবের কাছ থেকে তোমাদের কাছে সত্য এসেছে। কাজেই যারা সৎপথ অবলম্বন করবে তারা তো নিজেদেরই মঙ্গলের জন্য সৎপথ অবলম্বন করবে এবং যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা তো পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ধ্বংসের জন্য এবং আমি তোমাদের উপর কর্মবিধায়ক নই [১]।‘
[১] অন্যত্রও আল্লাহ তা'আলা এ কথা বলেছেন। যেমন, “যে সৎপথ অবলম্বন করবে সে তো নিজেরই মংগলের জন্য সৎপথ অবলম্বন করে এবং যে পথভ্রষ্ট হবে সে তো পথভ্রষ্ট হবে নিজেরই ধ্বংসের জন্য।" [সূরা আল-ইসরা: ১৫]
