Al-Kahf
আল-কাহফ: 51
18 আল-কাহফ Al-Kahf · 110 আয়াত الكهف
আরবি
۞ مَّآ أَشْهَدتُّهُمْ خَلْقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَلَا خَلْقَ أَنفُسِهِمْ وَمَا كُنتُ مُتَّخِذَ ٱلْمُضِلِّينَ عَضُدًا
English Translations
I did not make them witness to the creation of the heavens and the earth or to the creation of themselves, and I would not have taken the misguiders as assistants.
I (Allah) made them (Iblis and his offspring) not to witness (nor took their help in) the creation of the heavens and the earth and not (even) their own creation, nor was I (Allah) to take the misleaders as helpers.
I did not make them witnesses of the creation of the heavens and the earth, nor of their own creation. I was not such that I should take the misleaders as helpers.
I did not call them to witness the creation of the heavens and the earth, nor in their own creation. I do not seek the aid of those who lead people astray.
I made them not to witness the creation of the heavens and the earth, nor their own creation; nor choose I misleaders for (My) helpers.
I called them not to witness the creation of the heavens and the earth, nor (even) their own creation: nor is it for helpers such as Me to take as lead (men) astray!
বাংলা অনুবাদ
আসমান যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখিনি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টি (প্রত্যক্ষ করার জন্য)ও না, পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারী গ্রহণ করা আমার কাজ নয়।
আমি তাদেরকে আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টির সাক্ষী করিনি এবং না তাদের নিজদের সৃষ্টির। আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সহায়তাকারী হিসেবে গ্রহণ করিনি।
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে ডাকিনি এবং তাদের সৃজনকালেও নয়, এবং আমি বিভ্রান্তকারীদের সাহায্য গ্রহণ করার নই।
আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী করিনি এবং তাদের নিজেদের সৃষ্টির সময়ও নয়, আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণকারী নই।
আকাশমণ্ডলীর ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখিনি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টির জন্যও না। আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করার নই।
৫১. আমাকে বাদ দিয়ে যাদেরকে তোমরা বন্ধু বানিয়ে নিলে তারা তো তোমাদের মতোই আল্লাহর গোলাম। আমি যখন আকাশ ও জমিনকে সৃষ্টি করেছি তখন তাদেরকে সে কাজের সাক্ষী বানাইনি। বরং তারা সেখানে উপস্থিও ছিলো না। না আমি তাদের কাউকে অন্যের সৃষ্টির সাক্ষী বানিয়েছি। তাদের সৃষ্টি ও পরিচালনায় আমি একাই। আমি কখনো পথভ্রষ্টকারী মানুষ ও জিন শয়তানকে আমার সহযোগী বানাই না। কারণ, আমার সহযোগীর কোন প্রয়োজন নেই।
তাফসীর
মহান আল্লাহ মানবমণ্ডলীকে সম্বোধন করে বলছেনঃ আল্লাহ ছাড়া যাকে যাকে তোমরা তোমাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা তোমাদের মতই আমার গোলাম। তাদের কোন কিছুরই মালিকানা নেই। আকাশমণ্ডলী ও পথিবীর সষ্টিকালে আমি তাদেরকে আহবান করি নাই। বরং তারা নিজেরাই সেই সময় বিদ্যমান ছিল না; সমস্ত কিছু একমাত্র আমিই সৃষ্টি করেছি। সবকেই আমিই পরিচালনা করে থাকি। আমার কোন অংশীদার, উযীর ও পরামর্শদাতা নেই। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “যাদেরকে তোমরা নিজেদের ধারণায় কিছু একটা মনে করে রেখেছে তাদের সকলকেই আল্লাহ ব্যতীত ডেকে দেখো। জেনে রেখো যে, আসমান ও যমীনে তাদের কারো এক অনুপরিমাণও অধিকার ও মালিকানা নেই, না তাদের কেউ আল্লাহর অংশীদার, না তাঁরা সাহায্যকারী, না তাদের কেউ আল্লাহর কাছে তার অনুমতি ছাড়া কারো জন্যে শাফাআত করতে পারে।" (৩৪:২২) মহান আল্লাহ বলেনঃ আমার জন্যে এটা শোভনীয়ও নয় এবং আমার কোন প্রয়োজনও নেই যে, তাদেরকে এবং বিশেষ করে বিভ্রান্তকারীদেরকে নিজের বন্ধু ও সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবো।
আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী করিনি এবং তাদের নিজেদের সৃষ্টির সময়ও নয়, আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণকারী নই [১]।
[১] তাদের সৃষ্টি করার সময় আমার কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন হয়নি। যাদেরকে তোমরা আহ্বান করছ তারা সবাই তোমাদের মতই তাঁর বান্দাহ, কোন কিছুরই মালিক নয়। আসমান ও যমীন সৃষ্টি করার সময় তারা সেখানে ছিল না, তাই দেখার প্রশ্নও উঠে না। অন্যত্র আল্লাহ বলেন: “বলুন, “তোমরা ডাক তাদেরকে যাদেরকে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে ইলাহ মনে করতে। তারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে অণু পরিমাণ কিছুর মালিক নয় এবং এ দুটিতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেই তার সহায়কও নয়। যাকে অনুমতি দেয়া হয়। সে ছাড়া আল্লাহর কাছে কারো সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। ” [সূরা সাবা: ২২-২৩]
