Al-Ma'idah
আল-মায়িদা: 115
5 আল-মায়িদা Al-Ma'idah · 120 আয়াত المائدة
আরবি
قَالَ ٱللَّهُ إِنِّى مُنَزِّلُهَا عَلَيْكُمْ ۖ فَمَن يَكْفُرْ بَعْدُ مِنكُمْ فَإِنِّىٓ أُعَذِّبُهُۥ عَذَابًا لَّآ أُعَذِّبُهُۥٓ أَحَدًا مِّنَ ٱلْعَـٰلَمِينَ
English Translations
Allāh said, "Indeed, I will send it down to you, but whoever disbelieves afterwards from among you - then indeed will I punish him with a punishment by which I have not punished anyone among the worlds."
Allah said: "I am going to send it down unto you, but if any of you after that disbelieves, then I will punish him with a torment such as I have not inflicted on anyone among (all) the 'Alamin (mankind and jinns)."
Allah said, “I am going to send it down to you; but whoever among you disbelieves after that, I shall give him such a punishment as I shall not give to anyone else in all the worlds.”
Allah said: 'I shall indeed send it down to you; then, I shall afflict whoever among you who disbelieves with a chastisement wherewith I will afflict none in the worlds.'
Allah said: Lo! I send it down for you. And whoso disbelieveth of you afterward, him surely will I punish with a punishment wherewith I have not punished any of (My) creatures.
Allah said: "I will send it down unto you: But if any of you after that resisteth faith, I will punish him with a penalty such as I have not inflicted on any one among all the peoples."
বাংলা অনুবাদ
আল্লাহ বললেন, আমি তোমাদের কাছে তা নাযিল করব, অতঃপর তোমাদের কেউ কুফরী করলে আমি তাকে এমনভাবে শাস্তি প্রদান করব, যে শাস্তি আমি বিশ্বজগতের কাউকে দেইনি।
আল্লাহ বললেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তা নাযিল করব; কিন্তু এরপর তোমাদের মধ্যে যে কুফরী করবে তাকে নিশ্চয় আমি এমন আযাব দেব, যে আযাব সৃষ্টিকুলের কাউকে দেব না।’
আল্লাহ বললেনঃ আমি এই খাদ্য তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করব, অনন্তর তোমাদের মধ্য হতে যে এরপর অকৃতজ্ঞ হবে, আমি তাকে এমন শাস্তি দিব যে, বিশ্ববাসীদের মধ্যে ঐ শাস্তি আর কেহকেও দিবনা।
আল্লাহ্ বললেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে তা নাযিল করব; কিন্তু এর পর তোমাদের মধ্যে কেউ কুফরী করলে তাকে আমি এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি সৃষ্টিকুলের আর কাউকেও দেব না।’
আল্লাহ বললেন: ‘আমি অবশ্যই তোমাদের নিকট তা নাযিল করব; কিন্তু এরপর তোমাদের মধ্যে কেউ কুফরী করলে তাকে এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি বিশ্বজগতে অপর কাউকেও দেইনি।’
১১৫. আল্লাহ তা‘আলা ‘ঈসা (আলাইহিস-সালাম) এর ডাকে সাড়া দিয়ে বললেন: তোমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিশ্চিত খাঞ্চাভর্তি খাদ্য নাযিল করবো। তবে নাযিল হওয়ার পরও কেউ কুফরি করলে সে যেন নিজকেই তিরস্কার করে। আমি তাকে অচিরেই এমন কঠিন শাস্তি দেবো যা আর কাউকে দেবো না। কারণ, সে সুস্পষ্ট নিদর্শন দেখেছে। তাই তার কুফরি হলো হঠকারিতার কুফরি। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলা তাদের সাথে কৃত ওয়াদা বাস্তবায়ন ও তা তাদের উপর নাযিল করলেন।
তাফসীর
5:112
আল্লাহ্ বললেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে তা নাযিল করব; কিন্তু এর পর তোমাদের মধ্যে কেউ কুফরী করলে তাকে আমি এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি সৃষ্টিকুলের আর কাউকেও দেব না [১]।’
[১] এ আয়াত থেকে জানা গেল যে, নেয়ামত অসাধারণ ও অনন্য হলে তার কৃতজ্ঞতার তাকিদও অসাধারণ হওয়া দরকার এবং অকৃতজ্ঞতার শাস্তিও অসাধারণ হওয়াই স্বাভাবিক। এক হাদীসে এসেছে, কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললঃ আপনি আপনার রবের নিকট দো'আ করুন যেন তিনি আমাদের জন্য সাফা পাহাড়কে সোনায় পরিণত করে দেন, এরপর আমরা আপনার উপর ঈমান আনব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি তা করবে? জবাবে তারা বললঃ হ্যাঁ। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোআ করলে জীবরাঈল এসে বললেনঃ আপনার প্রভূ আপনাকে সালাম দিচ্ছেন এবং বলছেনঃ যদি আপনি চান তবে তাদের জন্য তিনি সাফা পাহাড়কে সোনায় পরিণত করবেন। কিন্তু এরপর তাদের মধ্যে যদি কেউ কুফরী করে তাহলে আমি তাকে এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি পৃথিবীর কাউকে কোনদিন দিব না, আর যদি আপনি চান তবে তাদের জন্য আমি তাওবাহ এবং রহমতের দরজা খুলে দেব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি অয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ বরং আমি চাই তাওবাহ এবং রহমতের দরজা।‘ [মুসনাদে আহমাদঃ ১/২৪২,২১৬৭, মুস্তাদরাকে হাকেমঃ ৫৩]
