Al-Ma'idah
আল-মায়িদা: 119
5 আল-মায়িদা Al-Ma'idah · 120 আয়াত المائدة
মূল আরবি
قَالَ ٱللَّهُ هَـٰذَا يَوْمُ يَنفَعُ ٱلصَّـٰدِقِينَ صِدْقُهُمْ ۚ لَهُمْ جَنَّـٰتٌ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا ۚ رَّضِىَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا۟ عَنْهُ ۚ ذَٰلِكَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ
English Translations
Allāh will say, "This is the Day when the truthful will benefit from their truthfulness." For them are gardens [in Paradise] beneath which rivers flow, wherein they will abide forever, Allāh being pleased with them, and they with Him. That is the great attainment.
Allah will say: "This is a Day on which the truthful will profit from their truth: theirs are Gardens under which rivers flow (in Paradise) - they shall abide therein forever. Allah is pleased with them and they with Him. That is the great success (Paradise).
Allah will say, “This is a day on which the truth of the truthful shall benefit them. For them there are gardens beneath which rivers flow, where they will live forever. Allah is well-pleased with them and they are well-pleased with Him. That is the great achievement.
Thereupon Allah will say: 'This day truthfulness shall profit the truthful. For them are Gardens beneath which rivers flow. There they will abide for ever. Allah is well- pleased with them, and they well-pleased with Allah. That indeed is the mighty triumph.'
Allah saith: This is a day in which their truthfulness profiteth the truthful, for theirs are Gardens underneath which rivers flow, wherein they are secure for ever, Allah taking pleasure in them and they in Him. That is the great triumph.
Allah will say: "This is a day on which the truthful will profit from their truth: theirs are gardens, with rivers flowing beneath,- their eternal Home: Allah well-pleased with them, and they with Allah: That is the great salvation, (the fulfilment of all desires).
বাংলা অনুবাদ
আল্লাহ বলবেন, আজকের দিনে সত্যপন্থীদের সত্যপন্থা উপকার দিবে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার তলদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তাতে তারা স্থায়ী হয়ে চিরকাল থাকবে, আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন আর তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট। এটাই হল মহা সাফল্য।
আল্লাহ বলবেন, ‘এটা হল সেই দিন যেদিন সত্যবাদীগণকে তাদের সততা উপকার করবে। তাদের জন্য আছে জান্নাতসমূহ যার নীচে প্রবাহিত হবে নদীসমূহ। সেখানে তারা হবে চিরস্থায়ী। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। এটা মহাসাফল্য।
আল্লাহ বলবেনঃ এটি সেই দিন যেদিন সত্যবাদীদের সত্যবাদীতা কাজে আসবে, তারা উদ্যান প্রাপ্ত হবে, যার তলদেশে নহরসমূহ বইতে থাকবে, আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট; এটাই হচ্ছে মহাসফলতা।
আল্লাহ্ বলবেন, ‘এ সে দিন যেদিন সত্যবাদিগণ তাদের সত্যের জন্য উপকৃত হবে, তাদের জন্য আছে জান্নাত যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে; আল্লাহ্ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট; এটা মহাসফলতা।’
আল্লাহ বলবেন, ‘এটা সেদিন যেদিন সত্যবাদীগণ তাদের সততার জন্য উপকৃত হবে, তাদের জন্য আছে জান্নাত যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে; আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট; আর এটাই মহাসফলতা।’
১১৯. আল্লাহ তা‘আলা ‘ঈসা (আলাইহিস-সালাম) কে বললেন: আজ কথা, কাজ ও নিয়তে সত্যবাদীদের সত্যতা তাদের উপকারে আসবে। তাদের জন্য রয়েছে এমন জান্নাত যার অট্টালিকা ও গাছের নিচ দিয়ে অনেকগুলো নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। মৃত্যু কখনোই তাদেরকে গ্রাস করবে না। আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর সন্তুষ্ট। কখনোই তাদের উপর অসন্তুষ্ট হবেন না। আর তারাও স্থায়ী নিয়ামত পেয়ে তাঁর উপর সন্তুষ্ট। এ প্রতিদান ও সন্তুষ্টি সত্যিই মহা সফলতা। আর কোন সফলতাই এর নিকটবর্তীও নয়।
তাফসীর
১১৯-১২০ নং আয়াতের তাফসীর: ঈসা (আঃ) যে বিপথগামী ও মিথ্যাবাদী খ্রীষ্টানদের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন সে কথারই জবাব দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, (আরবী) অর্থাৎ আজকের দিনে একত্ববাদীদের একত্ববাদ এবং সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা উপকার দেবে। তারা প্রবাহিত নহর বিশিষ্ট জান্নাতে প্রবেশ লাভ করবে। সেখান থেকে না তাদেরকে বের করা হবে, না তারা মুহূর্তের জন্যে জান্নাত পরিত্যাগ করবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় কথা।' (৯:৭২) এ আয়াতের সঙ্গে যে হাদীস সম্পর্কযুক্ত রয়েছে তা সত্বরই আসছে।
ইবনে আবি হাতিম (রঃ) হযরত আনাস (রাঃ) হতে মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন- সেই দিন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ উজ্জ্বল দীপ্তিমান অবস্থায় প্রকাশিত হবেন এবং বলবেনঃ ‘তোমরা চাও, আমি তোমাদেরকে প্রদান করবো।' তিনি বলেন যে, তখন তারা তাঁর সন্তুষ্টি প্রার্থনা করবে। তিনি তখন কলবেনঃ ‘আমার সন্তুষ্টিই তো তোমাদেরকে আমার ঘরে নিয়ে এসেছে। জনগণ পুনরায় তাঁর সন্তুষ্টি প্রার্থনা করবে। তখন তিনি বলবেনঃ “তোমরা সাক্ষী থাক যে, মহান আল্লাহ তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছেন। আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ এটাই হচ্ছে বড় সফলতা (৯:৭২) (এরূপ সফলতা আমি আর কাউকেও প্রদান করি না) মহান আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ আমলকারীদের এরূপ আমলই করা উচিত (৩৭:৬১) আল্লাহ তাআলা আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ এ কাজেই প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।
(৮৩:২৬) (আরবী) অর্থাৎ তিনিই সমস্ত জিনিসের সৃষ্টিকর্তা। তিনি প্রত্যেক জিনিসের উপরই পূর্ণ ক্ষমতাবান। সব কিছুরই উপর তাঁর পূর্ণ আধিপত্য রয়েছে। তার সাথে কেউই তুলনীয় নয় এবং তার কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিতাও নেই, পুত্রও নেই এবং স্ত্রীও নেই। তিনি ছাড়া অন্য কোন মা'বুদ নেই।
আল্লাহ্ বলবেন, ‘ এ সে দিন যেদিন সত্যবাদিগণ তাদের সত্যের জন্য উপকৃত হবে,তাদের জন্য আছে জান্নাত যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে; আল্লাহ্ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট [১]; এটা মহাসফলতা [২]।’
[১] আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি। এক হাদীসে বলা হয়েছেঃ জান্নাত পাওয়ার পর আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ বড় নেয়ামত এই যে, আমি তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট; এখন থেকে কখনো তোমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হব না। [বুখারী: ৬৫৪৯; মুসলিম: ১৮৩]
[২] এটিই মহান সফলতা। স্রষ্টা ও পরম প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়ে গেলে এর চাইতে বৃহত্তর সফলতা আর কি হতে পারে? আল্লাহ তা'আলা অন্য আয়াতে এর জন্যই বলছেন যে, "এরূপ সাফল্যের জন্য আমলকারীদের উচিত আমল করা" [সূরা আস-সাফফাত: ৬১] আরও বলেন, “ আর এ বিষয়ে প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করুক” [আল-মুতাফফিফীন: ২৬]
[সূরা আল-মায়িদাহ (৫): আয়াত ১১৯] পূর্ণ পৃষ্ঠা
সবগুলো এবং উল্লিখিত শর্তদ্বয় আয়াতের অর্থের ক্ষেত্রে অধিকতর সংগতিপূর্ণ ও সুপ্রতিষ্ঠিত, যা কেবল আংশিক বক্তব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। ইমাম মুসলিম একাধিক সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সা.) ইবরাহিম (আ.) সম্পর্কে মহান আল্লাহর এই বাণী তিলাওয়াত করলেন: "হে আমার রব, এরা (মূর্তিগুলো) অনেক মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হবে, তবে নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু" [ইবরাহিম: ৩৬]। এবং ঈসা (আ.) বলেছিলেন: "যদি আপনি তাদের শাস্তি দেন, তবে তারা তো আপনারই বান্দা; আর যদি আপনি তাদের ক্ষমা করেন, তবে নিশ্চয়ই আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" অতঃপর তিনি (সা.) তাঁর উভয় হাত উত্তোলন করলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ, আমার উম্মত!" এবং তিনি ক্রন্দন করলেন।
তখন মহান আল্লাহ বললেন: "হে জিবরাইল, মুহাম্মাদের কাছে যাও—অথচ তোমার রব সমধিক অবগত—অতঃপর তাকে জিজ্ঞাসা করো, কিসে তাকে কাঁদাচ্ছে?" জিবরাইল (আ.) তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে যা বলেছিলেন তা অবগত করলেন—অথচ তিনি (আল্লাহ) সমধিক অবগত। অতঃপর আল্লাহ বললেন: "হে জিবরাইল, মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং তাঁকে বলো: নিশ্চয়ই আমি অচিরেই আপনার উম্মতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করব এবং আপনাকে ব্যথিত করব না।" কেউ কেউ বলেছেন: এই আয়াতে 'তাকদিম' ও 'তাখির' (শব্দবিন্যাসের অগ্র-পশ্চাৎ) রয়েছে। এর অর্থ হলো: "যদি আপনি তাদের শাস্তি দেন তবে নিশ্চয়ই আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়; আর যদি আপনি তাদের ক্ষমা করেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা।" তবে আমরা যা বর্ণনা করেছি সেই ধারাবাহিকতা অনুযায়ী বক্তব্যের ধরনটিই অধিকতর উত্তম।
আল্লাহর তাওফিক কাম্য। [সূরা আল-মায়িদাহ (৫): আয়াত ১১৯]আল্লাহ বলবেন, "এটি এমন একদিন যখন সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে। তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। এটিই মহাসাফল্য।" (১১৯)মহান আল্লাহর বাণী: (আল্লাহ বলবেন, এটি এমন একদিন যখন সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে) অর্থাৎ দুনিয়াতে তাদের সত্যবাদিতা। কেননা পরকালে সত্যবাদিতা কোনো উপকারে আসবে না। দুনিয়াতে তাদের সত্যবাদিতার তাৎপর্য হতে পারে আল্লাহর উদ্দেশ্যে তাদের আমলের একনিষ্ঠতা, আবার এও হতে পারে যে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলদের ওপর মিথ্যারোপ বর্জন করা।
আর সেই দিনে (কিয়ামতে) সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে, যদিও তা সব দিনেই উপকারী, কারণ সেই দিনে প্রতিদান প্রদান করা হবে। অন্যমতে, এর অর্থ হলো পরকালের সত্যবাদিতা; আর তা হলো তাদের নবীদের রিসালাত পৌঁছানোর ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান এবং নিজেদের আমল সম্পর্কে নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে উপকারের দিকটি হবে এই যে, সাক্ষ্য গোপন না করার কারণে তারা পাকড়াও হওয়া থেকে বেঁচে যাবে। ফলে নবীদের স্বপক্ষে এবং নিজেদের বিরুদ্ধে সত্য স্বীকৃতির কারণে তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আল্লাহই ভালো জানেন। নাফি এবং ইবন মুহাইসিন 'ইয়াওমা' (নসব যোগে) পাঠ করেছেন।
আর অবশিষ্টগণ 'রফ' যোগে পাঠ করেছেন এবং এটিই মুবতাদা ও খবর হিসেবে সুস্পষ্ট পঠনরীতি।(১). থেকে: কাফ পাণ্ডুলিপি।(২). দেখুন খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা ৩৬৮।(৩). আইন পাণ্ডুলিপি থেকে।
তিরমিযী (তিনি একে সহীহ বলেছেন), নাসাঈ, ইবনে আবি হাতিম, আবুশ শায়খ, ইবনে মারদুওয়াইহ এবং দাইলামী আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তাআলা ঈসা (আ.)-কে তাঁর দলীল শিখিয়ে দিয়েছেন, আর আল্লাহ তাআলা এটি তাঁর এই বাণীর প্রেক্ষিতে শিখিয়েছিলেন যে, যখন আল্লাহ বলবেন: হে মারইয়াম তনয় ঈসা! তুমি কি মানুষকে বলেছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার জননীকে দুই উপাস্যরূপে গ্রহণ করো?
আবু হুরায়রা (রা.) নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: তখন আল্লাহ তাকে শিখিয়ে দেন যে, {আপনি পবিত্রময়!
যা বলার অধিকার আমার নেই, তা বলা আমার পক্ষে শোভন নয়...}সম্পূর্ণ আয়াতইবনে জারীর, ইবনুল মুনযির, ইবনে আবি হাতিম এবং আবুশ শায়খ মাইসারা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন আল্লাহ বললেন: হে মারইয়াম তনয় ঈসা! তুমি কি মানুষকে বলেছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার জননীকে দুই উপাস্যরূপে গ্রহণ করো?
তখন তাঁর শরীরের প্রতিটি জোড়া প্রকম্পিত হতে লাগল, এমনকি তিনি পড়ে গেলেনইবনে আবি হাতিম হাসান ইবনে সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন তিনি বললেন, তুমি কি মানুষকে বলেছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার জননীকে দুই উপাস্যরূপে গ্রহণ করো?
তখন ভয়ে তাঁর প্রতিটি জোড়া নিজ স্থান থেকে সরে গেলআবদুর রাজ্জাক, ইবনে জারীর এবং ইবনে আবি হাতিম কাতাদাহ (র.) থেকে তাঁর এই বাণী তুমি কি মানুষকে বলেছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার জননীকে দুই উপাস্যরূপে গ্রহণ করো?
প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন যে, (জিজ্ঞেস করা হলো) এটি কখন হবে?
তিনি বললেন: কিয়ামতের দিন। আপনি কি দেখেন না যে তিনি বলছেন, এটি এমন একদিন যেদিন সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে
(সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ১১৯)ইবনে জারীর ও ইবনে আবি হাতিম সুদ্দী (র.) থেকে এই বাণী যখন আল্লাহ বলবেন: হে মারইয়াম তনয় ঈসা! তুমি কি মানুষকে বলেছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার জননীকে দুই উপাস্যরূপে গ্রহণ করো?
প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহ যখন ঈসা ইবনে মারইয়ামকে নিজের দিকে তুলে নিলেন, তখন খ্রিষ্টানরা যা বলার তা বলল এবং দাবি করল যে ঈসা (আ.)-ই তাদের তা করতে আদেশ করেছিলেন।
