An-Nahl
আন-নাহল: 104
16 আন-নাহল An-Nahl · 128 আয়াত النحل
আরবি
إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ لَا يَهْدِيهِمُ ٱللَّهُ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
English Translations
Indeed, those who do not believe in the verses of Allāh - Allāh will not guide them, and for them is a painful punishment.
Verily! Those who believe not in the Ayat (proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, etc.) of Allah, Allah will not guide them and theirs will be a painful torment.
Surely, those who do not believe in Allah’s verses, Allah does not lead them to the right path, and for them there is a painful punishment.
Surely Allah will not enable those who do not believe in the signs of Allah to be directed to the Right Way, and a painful chastisement awaits them.
Lo! those who disbelieve the revelations of Allah, Allah guideth them not and theirs will be a painful doom.
Those who believe not in the Signs of Allah,- Allah will not guide them, and theirs will be a grievous Penalty.
বাংলা অনুবাদ
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে না, আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না, আর তাদের জন্য আছে ভয়ানক শাস্তি।
নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াতসমূহে বিশ্বাস করে না, আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রদায়ক আযাব।
যারা আল্লাহর আয়াত বিশ্বাস করেনা তাদেরকে আল্লাহ হিদায়াত করেননা এবং তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।
নিশ্চয় যারা আল্লাহ্র আয়াত সমূহে ঈমান আনে না, তাদেরকে আল্লাহ্ হিদায়াত করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদয়ক শাস্তি।
নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ তা‘আলার নিদর্শনে বিশ্বাস করে না, তাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা হিদায়াত দান করেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
১০৪. যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ তাঁর কাছ থেকে এসেছে বলে বিশ্বাস করে না আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে হিদায়েতের তাওফীক দেন না। যতক্ষণ তারা এ কথার উপর অটল থাকে। বরং আল্লাহর সাথে কুফরি ও তাঁর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করার দরুন তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
তাফসীর
১০৪-১০৫ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, যারা আল্লাহর যিকর হতে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তাঁর কিতাবের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে ও তাঁর কথার উপর বিশ্বাসই রাখে না, এইরূপ লোকদেরকে আল্লাহ তাআলাও দূরে নিক্ষেপ করে থাকেন। তারা সত্য দ্বীনের উপর আসার তাওফীক লাভ করে না। পরকালে তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলেন যে, এই রাসূল (সঃ) আল্লাহ তাআলার উপর মিথ্যা আরোপ করতে পারেন না। এই কাজ তো হচ্ছে নিকৃষ্টতম মাখলুকের। যারা ধর্মত্যাগী ও কাফির তাদের মিথ্যা কথা লোকদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হয়ে থাকে। হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সঃ) তো সমস্ত মাখলুকের মধ্যে সবচেয়ে বেশী উত্তম দ্বীনদার, খোদাভীরু এবং সত্যবাদী। তিনি সর্বাপেক্ষা বেশী জ্ঞানী, ঈমানদার এবং পূণ্যবান। সত্যবাদীতায়, কল্যাণ সাধনে, বিশ্বাসে এবং মারেফাতে তিনি অদ্বিতীয়। কাফিরদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারাও তাঁর সত্যবাদীতার কথা অকপটে স্বীকার করবে। তারা তাঁর বিশ্বস্ততার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাদের মধ্যেই তিনি ‘আমীন’ বা আমানতদার উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। রোমক সম্রাট হিরাক্লিয়াস যখন আবু সুফিয়ানকে (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ) সম্পর্কে অনেকগুলি প্রশ্ন করেছিলেন তখন একটি প্রশ্ন এটাও ছিলঃ “নুবওয়তের পূর্বে তোমরা তাঁকে কোন দিন মিথ্যা বলতে শুনেছো কি?” উত্তরে তিনি বলেছিলেনঃ “না, কখনো নয়। এ সময় তিনি মন্তব্য করেছিলেনঃ “যে ব্যক্তি পার্থিব ব্যাপারে কখনো মিথ্যা কথা বলেন নাই, তিনি আল্লাহ তাআলার উপর কি করে মিথ্যা আরোপ করতে পারেন?”
নিশ্চয় যারা আল্লাহ্র আয়াত সমূহে ঈমান আনে না, তাদেরকে আল্লাহ্ হিদায়াত করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদয়ক শাস্তি।
