An-Nahl
আন-নাহল: 77
16 আন-নাহল An-Nahl · 128 আয়াত النحل
মূল আরবি
وَلِلَّهِ غَيْبُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَمَآ أَمْرُ ٱلسَّاعَةِ إِلَّا كَلَمْحِ ٱلْبَصَرِ أَوْ هُوَ أَقْرَبُ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
English Translations
And to Allāh belongs the unseen [aspects] of the heavens and the earth. And the command for the Hour is not but as a glance of the eye or even nearer. Indeed, Allāh is over all things competent.
And to Allah belongs the unseen of the heavens and the earth. And the matter of the Hour is not but as a twinkling of the eye, or even nearer. Truly! Allah is Able to do all things.
To Allah belongs the Unseen of the heavens and the earth; and the matter of Hour (of Judgment) is no more than of twinkling of the eye, or even quicker. Of course, Allah is powerful over everything.
Allah has full knowledge of the truths beyond the reach of perception both in the heavens and the earth; and the coming of the Hour will take no more than the twinkling of an eye; it may take even less. Indeed Allah has power over everything.
And unto Allah belongeth the Unseen of the heavens and the earth, and the matter of the Hour (of Doom) is but as a twinkling of the eye, or it is nearer still. Lo! Allah is Able to do all things.
To Allah belongeth the Mystery of the heavens and the earth. And the Decision of the Hour (of Judgment) is as the twingkling of an eye, or even quicker: for Allah hath power over all things.
বাংলা অনুবাদ
আকাশসমূহ ও যমীনের অদৃশ্যের জ্ঞান কেবল আল্লাহরই আছে। ক্বিয়ামাতের ব্যাপার তো চোখের পলকের মত বরং তাত্থেকেও দ্রুত। আল্লাহ সব কিছু করতেই সক্ষম।
আর আসমানসমূহ ও যমীনে গায়েবী বিষয় আল্লাহরই। আর কিয়ামতের ব্যাপারটি শুধু চোখের পলকের ন্যায়। কিংবা তা আরো নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান আল্লাহরই এবং কিয়ামাতের ব্যাপারতো চোখের পলকের ন্যায়, বরং ওর চেয়েও সত্ত্বর; আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
আর আসমানসমূহ ও যমীনের গায়েবী বিষয় আল্লাহ্রই। আর কিয়ামতের ব্যাপার তো চোখের পলকের ন্যায়, অথবা তা থেকেও সত্বর। নিশ্চয় আল্লাহ্ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান আল্লাহ তা‘আলারই এবং কিয়ামতের ব্যাপার তো চোখের পলকের ন্যায়, বরং তার চেয়েও দ্রুততর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
৭৭. এক আল্লাহই আকাশ ও জমিনের সকল অদৃশ্য সম্পর্কে জানেন। তিনিই এসব কিছু বিশেষভাবে জানেন; তাঁর সৃষ্টির অন্য কেউ নয়। আর কিয়ামতের ব্যাপারটি -যা বিশেষ একটি গায়েবী বিষয়- যখন আল্লাহ তা‘আলা তার সংঘটিত হওয়া চাইবেন তখন তা চোখের পলকের মতো অতিদ্রুত সংঘটিত হয়ে যাবে। বরং তা আরো সন্নিকটে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সবকিছু করতে সক্ষম। কেউই তাঁকে অক্ষম করতে পারে না। তিনি যখন কোন কিছু করতে চান তখন তাকে বলেন, হয়ে যাও, তখন তা হয়ে যায়।
তাফসীর
৭৭-৭৯ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় পূর্ণজ্ঞান ও পূর্ণ ক্ষমতার বর্ণনা দিচ্ছেন যে, যমীন ও আসমানের অদৃশ্যের খবর তিনিই রাখেন। কেউ এমন নেই যে, অদৃশ্যের খবর জানতে পারে। তিনি যাকে যে জিনিসের খবর অবহিত করেন সে তখন তা জানতে পারে। প্রত্যেক জিনিসই তার ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। কেউ তাঁর বিপরীত করতে পারে না, কেউ তাকে বাধা প্রদানও করতে পারে না। যখন যে কাজের তিনি ইচ্ছা করেন তখনই তা করতে পারেন। হে মানুষ! তোমাদের চক্ষু বন্ধ করার পর তা খুলতে তো কিছু সময় লাগে, কিন্তু আল্লাহর হুকুম পুরো হতে ততটুকুও সময় লাগে না। কিয়ামত আনয়নও তাঁর কাছে এরূপই সহজ ওটাও হুকুম হওয়া মাত্রই সংঘটিত হয়ে যাবে।
একজনকে সৃষ্টি করা এবং অনেককে সৃষ্টি করা তাঁর কাছে সমান।মহান আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ সম্পর্কে চিন্তা করে দেখো, তিনি মানুষকে মায়ের গর্ভ হতে বের করেছেন। তখন তারা ছিল সম্পূর্ণরূপে শক্তিহীন। তারপর তিনি তাদেরকে শুনবার জন্যে কান দিলেন, দেখবার জন্যে দিলেন চক্ষু এবং বুঝবার জন্যে দিলেন জ্ঞান-বুদ্ধি। জ্ঞান-বুদ্ধির স্থান হচ্ছে। হৃদয়। কেউ কেউ মস্তিষ্কও বলেছেন। জ্ঞান ও বিবেক দ্বারাই লাভ ও ক্ষতি জানতে পারা যায়। এই শক্তি ও এই ইন্দ্রিয় মানুষকে ক্রমান্বয়ে অল্প অল্প করে দেয়া হয়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এটাও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
শেষ পর্যন্ত পূর্ণতায় পৌঁছে যায়। মানুষকে এ সব এ জন্যেই দেয়া হয়েছে যে, তারা এ গুলোকে আল্লাহর মারেফাত ও ইবাদতে লাগিয়ে দেবে।” যেমন সহীহ বুখারীতে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “যারা আমার বন্ধুদের সাথে শত্রুতা করে তারা আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। আমার ফরজ আদায় করার মাধ্যমে বান্দা আমার যতটা নৈকট্য ও বন্ধুত্ব লাভ করে এতটা আর কিছুর মাধ্যমে করতে পারে না। খুব বেশী বেশী নফল আদায় করতে করতে বান্দা আমার নৈকট্য লাভে সমর্থ হয় এবং আমার বন্ধু হয়ে যায়। যখন আমি তাকে মুহব্বত করতে শুরু করি তখন আমিই তার কান হয়ে যাই যার দ্বারা শুনে, আমিই তার চক্ষু হয়ে যাই যার দ্বারা সে দেখে, আমিই তার হাত হয়ে যাই যার দ্বারা সে ধারণ করে এবং আমিই তার পা হয়ে যাই যার দ্বারা সে চলে-ফিরে।
সে আমার কাছে চাইলে আমি তাকে দিয়ে থাকি। আশ্রয় চাইলে তাকে আশ্রয় দিয়ে থাকি। আমি কোন কাজে ততো ইতস্ততঃ করি না যতো ইতস্তত করি আমার মুমিন বান্দার রূহ কব করতে। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে এবং আমি তাঁকে অসন্তুষ্ট করতে চাই না। কিন্তু মৃত্যু এমনই যে, কোন প্রাণীই এর থেকে রেহাই পেতে পারে না।”এই হাদীসের ভাবার্থ এই যে, মু'মিন যখন আন্তরিকতা ও আনুগত্যে পূর্ণতা লাভ করে তখন তার সমস্ত কাজ শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্যে হয়ে থাকে। সে শুনে আল্লাহর জন্যে, দেখে আল্লাহর জন্যে। অর্থাৎ সে শরীয়তের কথা শুনে এবং শরীয়তে যেগুলি দেখা জায়েয রয়েছে সেগুলিই দেখে থাকে।
অনুরূপ ভাবে তার হাত বাড়ানো এবং পা চালানোও আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজের জন্যেই হয়ে থাকে। সে আল্লাহ তাআলার উপর ভরসা করে এবং তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। তার সমস্ত কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই হয়ে থাকে। কোন কোন গায়ের সহীহ হাদীসে এরপর নিম্নলিখিত কথাও এসেছেঃ “অতপর সে আমার জন্যেই শ্রবণ করে, আমার জন্যেই দর্শন করে , আমার জন্যেই ধারণ করে এবং আমার জন্যেই চলাফেরা করে।” এজন্যেই আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন শ্রবণ শক্তি, দৃষ্টি শক্তি, এবং হৃদয় যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।” যেমন অন্য আয়াতে তিনি বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তুমি বলঃ তিনিই (আল্লাহই) তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় দিয়েছেন, তোমরা খুব কমই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে।
তুমি বলঃ তিনিই তোমারেকে ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং তোমাদেরকে তাঁরই কাছে একত্রিত করা হবে।” (৬৭:২৩-২৪)এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেনঃ “তোমরা কি আকাশের শূন্য গর্ভে নিয়ন্ত্রণাধীন পাখিগুলির দিকে লক্ষ্য কর না? আল্লাহ তাআলাই ওগুলিকে স্বীয় ক্ষমতা বলে স্থির রাখেন। তিনিই ওদেরকে এভাবে উড়বার শক্তি দান করেছেন এবং বায়ুকে ওদের অনুগত করে দিয়েছেন।” সূরায়ে মুলকের মধ্যে আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ “তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের ঊর্ধ্বদেশে বিহঙ্গকুলের প্রতি যারা পক্ষ বিস্তার করে ও সংকুচিত করে? তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।” এখানেও আল্লাহ তাআলা সমাপ্তি টেনে বলেনঃ “এতে ঈমানদারদের জন্যে বহু নিদর্শন রয়েছে।”
আর আসমানসমূহ ও যমীনের গায়েবী বিষয় আল্লাহ্রই। আর কিয়ামতের ব্যাপার তো চোখের পলকের ন্যায় [১], অথবা তা থেকেও সত্বর। নিশ্চয় আল্লাহ্ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
[১] উপরোক্ত দুটি উদাহরণ পেশ করার পর আল্লাহ তা'আলা এখানে নিজের প্রশংসা করছেন যে, তিনিই শুধু গায়বের সংবাদের মালিক। তিনি ছাড়া আর কেউ গায়েব জানে না। আসমান ও যমীনে যা বর্তমানে গায়েব আছে তা একমাত্র তিনিই জানেন। অনুরূপভাবে কিয়ামতের দিনের খবরও তিনিই জানেন; বান্দাদের কাছে তা গায়েব রাখা হয়েছে। [ফাতহুল কাদীর]
[সূরা আন-নাহল (১৬): আয়াত ৭৭] পূর্ণ পৃষ্ঠা
'কাল্ল' তাকেও বলা হয় যার কোনো সন্তান বা পিতা নেই। 'কাল্ল' অর্থ পরিবারের বোঝা বা খোরাকি, এর বহুবচন হলো 'কুলুল'। প্রবাদ রয়েছে: ছুরির ধার ভোঁতা হয়ে যাওয়া, অর্থাৎ এর ধার এমনভাবে কমে যাওয়া যে তা আর কাটে না। (তাকে যেখানেই পাঠানো হোক না কেন, সে কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না) জমহুর (অধিকাংশ) ক্বারীগণ 'ইউওয়াজ্জিহহু' পড়েছেন এবং এটিই কুরআনের লিপি অনুযায়ী পাঠ। অর্থাৎ তার মালিক তাকে যেখানেই পাঠাক না কেন, সে কোনো কল্যাণ নিয়ে আসে না; কারণ তাকে যা বলা হয় সে তা জানে না, বোঝে না এবং কোনো কিছু উপলব্ধিও করতে পারে না। আর ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াসসাব 'ইউওয়াজ্জাহু' অর্থাৎ কর্মবাচ্যের ক্রিয়া (Passive) হিসেবে পড়েছেন।
ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে 'তাওয়াজ্জাহ' অর্থাৎ সম্বোধন হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে। (সে কি ঐ ব্যক্তির সমান হতে পারে, যে ন্যায়ের আদেশ দেয় এবং সে নিজে সরল পথে প্রতিষ্ঠিত?) অর্থাৎ এই মূক ব্যক্তি কি ঐ ব্যক্তির সমান হতে পারে যে ন্যায়ের নির্দেশ দেয় এবং নিজে সরল সঠিক পথে অবিচল রয়েছে? [সূরা আন-নাহল (১৬): আয়াত ৭৭]আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় আল্লাহরই অধিকারে। আর কিয়ামতের বিষয়টি তো চোখের পলকের মতো কিংবা তার চাইতেও নিকটতর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। (৭৭)মহান আল্লাহর বাণী: (আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় আল্লাহরই অধিকারে) এর অর্থ ইতোপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
আর এটি আল্লাহর এই বাণীর সাথে সংশ্লিষ্ট: "নিশ্চয়ই আল্লাহ জানেন, কিন্তু তোমরা জানো না।" অর্থাৎ হালাল ও হারাম নির্ধারণ করা কেবল তাঁর পক্ষেই শোভা পায় যিনি সমস্ত পরিণাম ও কল্যাণ সম্পর্কে পরিবেষ্টনকারী জ্ঞান রাখেন। কিন্তু হে মুশরিকরা, তোমরা সে বিষয়ে পরিবেষ্টনকারী জ্ঞান রাখো না, তবে কেন তোমরা বিধান আরোপ করতে চাও? (আর কিয়ামতের বিষয়টি তো চোখের পলকের মতো) এবং তখন তোমাদের আমল অনুযায়ী তোমাদের প্রতিদান প্রদান করা হবে। 'আস-সাআহ' (কিয়ামত) হলো সেই সময় যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। একে 'সাআহ' (মুহূর্ত) বলা হয়েছে কারণ তা হঠাৎ করে মানুষের নিকট এসে পড়বে এবং এক মহান শব্দে সমগ্র সৃষ্টি মৃত্যুবরণ করবে।
'লামহ' অর্থ দ্রুত দৃষ্টিপাত করা। বলা হয়ে থাকে- সে চোখের পলকে তা দেখেছে। ব্যাখ্যার দিক হলো এই যে, কিয়ামত যেহেতু অবশ্যম্ভাবী, তাই নৈকট্যের বিবেচনায় একে চোখের পলকের ন্যায় সাব্যস্ত করা হয়েছে। আয-যাজ্জাজ বলেন: এখানে কিয়ামত চোখের পলকে উপস্থিত হবে এমনটি বোঝানো উদ্দেশ্য নয়; বরং তা আনয়নে আল্লাহর কুদরতের দ্রুততার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তিনি কোনো কিছুকে বলেন 'হও', অমনি তা হয়ে যায়। কেউ কেউ বলেছেন: চোখের পলকের সাথে উদাহরণ দেওয়ার কারণ হলো, মানুষ চোখের পলকে আকাশ দেখতে পায় যদিও পৃথিবী থেকে তা অনেক দূরে অবস্থিত। আবার কেউ বলেছেন: এটি নৈকট্যের একটি উপমা, যেমন কেউ বলে থাকে- পুরো একটি বছর যেন একটি মুহূর্তের ন্যায়, এবং এই জাতীয় কথা।
অন্য মতে: এর অর্থ হলো আল্লাহর নিকট তা এমন দ্রুত, সৃষ্টির নিকট নয়। এর দলিল হলো আল্লাহর বাণী: "তারা একে সুদূর মনে করে, আর আমি একে নিকটবর্তী দেখি।" (কিংবা তার চাইতেও নিকটতর) এখানে 'অথবা' শব্দটি সন্দেহের জন্য নয়; বরং উপমা প্রদানকারী যেকোনো একটি দিয়ে উপমা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। কেউ বলেছেন: এটি সম্বোধিত ব্যক্তির সন্দেহের কারণে এসেছে। আবার কেউ বলেছেন: 'অথবা' শব্দটি 'বরং' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। (নিশ্চয়ই আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান) এর ব্যাখ্যা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।(১). 'ই' থেকে বর্ণিত।(২). দেখুন ৯ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭৭।(৩).
দেখুন ১৮তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৮৩।(৪). দেখুন ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২৪।
