An-Nahl
আন-নাহল: 74
16 আন-নাহল An-Nahl · 128 আয়াত النحل
আরবি
فَلَا تَضْرِبُوا۟ لِلَّهِ ٱلْأَمْثَالَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
English Translations
So do not assert similarities to Allāh. Indeed, Allāh knows and you do not know.
So put not forward similitudes for Allah (as there is nothing similar to Him, nor He resembles anything). Truly! Allah knows and you know not.
So, do not coin similarities for Allah. Surely, Allah knows and you do not know.
So do not strike any similitudes to Allah. Allah knows whereas you do not know.
So coin not similitudes for Allah. Lo! Allah knoweth; ye know not.
Invent not similitudes for Allah: for Allah knoweth, and ye know not.
বাংলা অনুবাদ
কাজেই কারো সাথে আল্লাহর তুলনা দিও না। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জান না।
সুতরাং তোমরা আল্লাহর জন্য অন্য কোন দৃষ্টান্ত স্থাপন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না।
সুতরাং তোমরা আল্লাহর কোন সদৃশ স্থির করনা; নিশ্চয়ই আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জাননা।
কাজেই তোমরা আল্লাহ্র কোন সদৃশ স্থির করো না। নিশ্চয় আল্লাহ্ জানেন এবং তোমরা জান না।
সুতরাং তোমরা আল্লাহ তা‘আলার কোন সাদৃশ্য স্থির কর না। আল্লাহ তা‘আলা জানেন এবং তোমরা জান না।
৭৪. হে মানুষ! তোমরা আল্লাহর জন্য এ মূর্তিগুলোর কোন সাদৃশ্য সাব্যস্ত করো না। যেগুলো না কোন উপকার করতে পারে, না কোন ক্ষতি। কারণ, আল্লাহর কোন সাদৃশ্য নেই যে, তোমরা তাঁর সাথে ওকে ইবাদাতে শরীক করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলাই ভালো জানেন তাঁর পরিপূর্ণতা ও মহত্ত্বের গুণ কোনগুলো। তোমরা তা জানো না। তাই তাঁর সাথে তোমরা শিরকে লিপ্ত হও এবং তোমাদের মূর্তিগুলোর জন্য তাঁর সাদৃশ্যের দাবি করে থাকো।
তাফসীর
16:73
কাজেই তোমরা আল্লাহ্র কোন সদৃশ স্থির করো না [১]। নিশ্চয় আল্লাহ্ জানেন এবং তোমরা জান না।
[১] ‘আল্লাহর জন্য সদৃশ স্থির করো না- মুফাসসির যাজ্জাজ এর তাফসীরে বলেন, তোমরা আল্লাহর জন্য উদাহরণ ও দৃষ্টান্ত পেশ করো না। কেননা, তিনি এক, তার কোন দৃষ্টান্ত নেই। আর তারা বলত যে, জগতের মা’বুদ এতই মহিয়ান যে তাকে আমাদের কেউ ইবাদত করতে পারে না। সুতরাং তারা মূর্তি-প্রতিমা, দেব-দেবী ও তারকারাজির মাধ্যম গ্রহণ করত। যেমন সাধারণ ছোট ছোট লোকেরা বাদশার দরবারে যেতে বড় বড় লোকদের দ্বারস্থ হয়ে থাকে। আর এ বড় বড় লোকগুলো বাদশার খেদমত করে, সুতরাং তাদের কথা শুনবে। এ আয়াতে তাদেরকে তা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। [ফাতহুল কাদীর] অর্থাৎ আল্লাহকে দুনিয়ার রাজা-মহারাজা ও বাদশাহ-শাহানশাহদের সমপর্যায়ে রেখে বিচার করো না। রাজা-বাদশাহদের অনুচর, সভাসদ ও মোসাহেবদের মাধ্যম ছাড়া তাদের কাছে কেউ নিজের আবেদন নিবেদন পৌছাতে পারে না। ঠিক তেমনি আল্লাহর ব্যাপারেও তোমরা এ ধারণা করতে থাকো যে, তিনি নিজের শাহী মহলে ফেরেশতা, আউলিয়া ও অন্যান্য সভাসদ পরিবৃত হয়ে বিরাজ করছেন এবং এদের মাধ্যমে ছাড়া তাঁর কাছে কারোর কোন কাজ সম্পন্ন হতে পারে না। আলোচ্য বাক্যটি তাদের সন্দেহের মূল উপড়ে দিয়ে বলেছে যে, আল্লাহ তা'আলার জন্য সৃষ্টজীবের দৃষ্টান্ত পেশ করা একান্তই নিবুদ্ধিতা। তিনি দৃষ্টান্ত, উদাহরণ এবং আমাদের ধারণা-কল্পনার অনেক উর্ধ্বে। এরপর আল্লাহ্ তা'আলা তার জন্য দৃষ্টান্ত পেশ করতে নিষেধ করার কারণ হিসেবে বলেছেন যে, আল্লাহ জানেন তোমাদের উপর কি ইবাদাত করণীয়, তোমরা জান না তিনি ব্যতীত অন্যদের ইবাদত করলে কি কঠিন পরিণতির সম্মুখীন তোমাদের হতে হবে। [ফাতহুল কাদীর]
