An-Nahl
আন-নাহল: 52
16 আন-নাহল An-Nahl · 128 আয়াত النحل
আরবি
وَلَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَلَهُ ٱلدِّينُ وَاصِبًا ۚ أَفَغَيْرَ ٱللَّهِ تَتَّقُونَ
English Translations
And to Him belongs whatever is in the heavens and the earth, and to Him is [due] worship constantly. Then is it other than Allāh that you fear?
To Him belongs all that is in the heavens and (all that is in) the earth and Ad-Din Wasiba is His [(i.e. perpetual sincere obedience to Allah is obligatory). None has the right to be worshipped but Allah)]. Will you then fear any other than Allah?
And to Him belongs what is in the heavens and the earth, and it is only He who deserves obedience as ever due. Would you, then, fear someone other than Allah?
His is whatever is in the heavens and the earth, and obedience to Him inevitably pervades the whole universe. Will you, then, hold in awe any other than Allah?
Unto Him belongeth whatsoever is in the heavens and the earth, and religion is His for ever. Will ye then fear any other than Allah?
To Him belongs whatever is in the heavens and on earth, and to Him is duty due always: then will ye fear other than Allah?
বাংলা অনুবাদ
আকাশসমূহ আর যমীনে যা কিছু আছে তা তাঁরই, আর দ্বীন সদা-সর্বদা একান্তভাবে তাঁরই জন্য। তাহলে তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করবে?
আর আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে, তা তারই এবং সার্বক্ষণিক আনুগত্য তারই। অতএব তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ভয় করবে?
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই; এবং নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য; তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ভয় করবে?
আর আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু আছে তা তাঁরই এবং সার্বক্ষণিক আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য। তারপরও কি তোমরা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও তাকওয়া অবলম্বন করবে?
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই এবং নিরবচ্ছিন্ন আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য। এরপরও কি তোমরা আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অপরকে ভয় করবে?
৫২. আকাশ ও জমিনের সবকিছুর স্রষ্টা, মালিক ও পরিকল্পনাকারী কেবল তিনিই। তাই তাঁর জন্যই কেবল আনুগত্য, বিনয় ও নিষ্ঠা অবধারিত। তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করছো?! না, তা হয় না। বরং তোমরা কেবল তাঁকেই ভয় করো।
তাফসীর
16:51
আর আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু আছে তা তাঁরই এবং সার্বক্ষণিক আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য [১]। তারপরও কি তোমরা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও তাকওয়া অবলম্বন করবে?
[১] এ আয়াতের একটি অনুবাদ উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, যা কাতাদাহ থেকে বর্ণিত। [আত-তাফসীরুস সহীহ] কোন কোন মুফাসসির বলেন, (وَاصِبًا) এর অর্থ হচ্ছে, (واجبًا) বা বাধ্যতামূলকভাবে। [ইবন কাসীর] কোন কোন মুফাসসির (وَاصِبًا) এর অর্থ হচ্ছে, (التَّعَبُ وَالاِعْيٰاءُ) বা ক্লান্তক্লিষ্ট। অর্থাৎ আল্লাহর আনুগত্য করেই যেতে হবে, যদিও বান্দা সেটা করতে ক্লান্ত-ক্লিষ্ট হয়ে পড়ে। [কুরতুবী] আর যদি (وَاصِبًا) শব্দের অর্থ (خالصًا) ধরা হয় [কুরতুবী] তখন এর অর্থ হবে "আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সেগুলোর ইবাদত একমাত্র তাঁরই উদ্দেশ্যে”। তখন আয়াতটির সমার্থবোধক হবে আল্লাহর বাণীঃ
"তারা কি আল্লাহর দ্বীন ব্যতীত অন্য কিছু খুঁজে ফিরছে? অথচ আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় তাঁরই কাছে আত্মসমৰ্পন করেছে" [সূরা আলে ইমরানঃ ৮৩]
তাছাড়া আয়াতটির নির্দেশসূচক অর্থও করা যায়। অর্থাৎ তোমরা একমাত্র তাঁকেই ভয় কর এবং তাঁরই আনুগত্য কর। যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছেঃ
“সাবধান দ্বীনকে একমাত্র আল্লাহর জন্যই খালেস করে নাও" [সূরা আয-যুমারঃ ৩]
