Al-Isra
আল-ইসরা: 22
17 আল-ইসরা Al-Isra · 111 আয়াত الإسراء
আরবি
لَّا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَتَقْعُدَ مَذْمُومًا مَّخْذُولًا
English Translations
Do not make [as equal] with Allāh another deity and [thereby] become censured and forsaken.
Set not up with Allah any other ilah (god), (O man)! (This verse is addressed to Prophet Muhammad SAW, but its implication is general to all mankind), or you will sit down reproved, forsaken (in the Hell-fire).
Do not set up any other god along with Allah, otherwise you will sit condemned, forsaken.
Do not set up any other god with Allah lest you are rendered humiliated and helpless.
Set not up with Allah any other god (O man) lest thou sit down reproved, forsaken.
Take not with Allah another object of worship; or thou (O man!) wilt sit in disgrace and destitution.
বাংলা অনুবাদ
আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ সাব্যস্ত করো না, করলে তিরস্কৃত হতভাগ্য হয়ে পড়ে থাকবে।
আল্লাহর সাথে অপর কোন ইলাহ নির্ধারণ করো না। তাহলে তুমি নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হয়ে বসে পড়বে।
আল্লাহর সাথে অপর কোন মা‘বূদ স্থির করনা; তাহলে নিন্দিত ও নিঃসহায় হয়ে পড়বে।
আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহ সাব্যস্ত করো না; করলে নিন্দিত ও লাঞ্চিত হয়ে বসে পড়বে।
আল্লাহর সাথে অপর কাউকে ইলাহ্ সাব্যস্ত কর না; করলে নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হয়ে পড়বে।
২২. হে বান্দা! তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা’বূদের উপাসনা করো না। ফলে তুমি আল্লাহ ও তাঁর নেককার বান্দাদের নিকট নিন্দিত হবে। কেউ তোমার প্রশংসাকারী হবে না। তুমি লাঞ্ছিত হবে। কেউ তোমার সাহায্যকারী থাকবে না।
তাফসীর
ইবাদতের চাপ যাদের উপর রয়েছে, তাদের প্রত্যেককেই আল্লাহ তাআলা এখানে সম্বোধন করেছেন। রাসূলুল্লাহর (সঃ) সমস্ত উম্মতকেই তিনি সম্বোধন করে বলছেনঃ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করো। তাঁর ইবাদতে অন্য কাউকে শরীক করো না। যদি এরূপ কর তবে লাঞ্ছিত হয়ে যাবে এবং তোমাদের উপর থেকে আল্লাহর সাহায্য সরে যাবে। এ সময় তোমাদেরকে তারই কাছে সমর্পণ করা হবে যার তোমরা ইবাদত করবে। আর এটা প্রকাশ্য কথা যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ লাভ ও ক্ষতির মালিক নয়। আল্লাহ এক ও অংশীবিহীন।মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ক্ষুধার্ত হয় এবং লোকদের কাছে ঐ ক্ষুধা মিটাবার জন্যে প্রার্থনা করতে চায়, আল্লাহ তার ক্ষুধা নিবারণ করেন না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এ জন্যে আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করে, তিনি তাকে সম্পদশালী করে দেন, তাড়াতাড়ি হোক অথবা বিলম্বেই হোক।” (এই হাদীসটি সুনানে আবি দাউদ ও জামে ও তিরমিযীতেও রয়েছে। সহীহ ও গারীব বলা হয়েছে)
আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ সাব্যস্ত করো না; করলে নিন্দিত ও লাঞ্চিত হয়ে বসে পড়বে [১]।
[১] সাধারণত যারা আল্লাহর সাথে শির্ক করে তাদের বেশির ভাগেই বিপদাপদে আল্লাহকে ভুলে বিভিন্ন পীর-ফকীর, আলী, দরগাহ ইত্যাদিকে ডাকে এবং তাদের কাছে নিজের অভাব গোছানো বা বিপদ মুক্তির আহবান জানাতে থাকে। এতে তারা শির্ক করার কারণে আখেরাতে নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হবে। কারণ, আল্লাহর সাথে কেউ শরীক করলে আল্লাহ তাকে আর সাহায্য করবেন না। বরং তাকে সে শরীকের কাছে ন্যস্ত করে দেন যাকে সে আল্লাহর সাথে শরীক করেছে। অথচ সে তার কোন ক্ষতি কিংবা উপকারের মালিক নয়। কারণ, ক্ষতি বা উপকারের মালিকতো আল্লাহতা'আলাই। সুতরাং আল্লাহর সাথে শরীক করার কারণে তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়েই থাকতে হবে। [ইবন কাসীর] এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "অভাব ও সমস্যাগ্ৰস্ত কেউ যখন তার অভাব ও সমস্যা মানুষের কাছে ব্যক্ত করে তখন তার সে অভাব পূর্ণ হয়না, পক্ষান্তরে যে আল্লাহর দরবারে পেশ করে অচিরেই আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী করে দেয়। দ্রুত মৃত্যুর মাধ্যমে অথবা দ্রুত ধনী করার মাধ্যমে।” [আবুদাউদঃ ১৬৪৫, তিরমিয়ীঃ ২৩২৬, মুসনাদেআহমাদঃ ১/৪০৭]
