Al-Isra

আল-ইসরা: 39

17:39
17 আল-ইসরা Al-Isra · 111 আয়াত الإسراء

আরবি

ذَٰلِكَ مِمَّآ أَوْحَىٰٓ إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ ٱلْحِكْمَةِ ۗ وَلَا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَتُلْقَىٰ فِى جَهَنَّمَ مَلُومًا مَّدْحُورًا

English Translations

Sahih International

That is from what your Lord has revealed to you, [O Muḥammad], of wisdom. And, [O mankind], do not make [as equal] with Allāh another deity, lest you be thrown into Hell, blamed and banished.

Muhsin Khan

This is (part) of Al-Hikmah (wisdom, good manners and high character, etc.) which your Lord has inspired to you (O Muhammad SAW). And set not up with Allah any other ilah (god) lest you should be thrown into Hell, blameworthy and rejected, (from Allah's Mercy).

Taqi Usmani

This is part of the Wisdom your Lord has revealed to you. And do not set up any other god along with Allah, lest you should be thrown into Jahannam , reproached, rejected.

Abul Ala Maududi

That is part of the wisdom your Lord has revealed to you. So do not set up any deity beside Allah lest you are cast into Hell, rebuked and deprived of every good.

Pickthall

This is (part) of that wisdom wherewith thy Lord hath inspired thee (O Muhammad). And set not up with Allah any other god, lest thou be cast into hell, reproved, abandoned.

Yusuf Ali

These are among the (precepts of) wisdom, which thy Lord has revealed to thee. Take not, with Allah, another object of worship, lest thou shouldst be thrown into Hell, blameworthy and rejected.

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

এসব সেই হিকমাতের অন্তর্ভুক্ত যা তোমার প্রতিপালক তোমার প্রতি ওয়াহী করেছেন। আল্লাহর সঙ্গে অপর কোন ইলাহ স্থির করো না, করলে তুমি নিন্দিত ও যাবতীয় কল্যাণ বঞ্চিত হয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

রাওয়াই আল-বায়ান

এগুলো সেই হিকমতভুক্ত, যা তোমার রব তোমার নিকট ওহীরূপে পাঠিয়েছেন। আর তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য নির্ধারণ করো না, তাহলে তুমি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে নিন্দিত ও বিতাড়িত হয়ে।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তোমার রাব্ব অহীর দ্বারা তোমাকে যে হিকমাত দান করেছেন এগুলি উহার অন্তর্ভুক্ত; তুমি আল্লাহর সাথে কোন ইলাহ স্থির করনা, তাহলে তুমি নিন্দিত ও (আল্লাহর) অনুগ্রহ হতে দূরীকৃত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আপনার রব ওহীর দ্বারা আপনাকে যে হিকমত দান করেছেন এগুলো তার অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ স্থির করো না, করলে নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

ফাতহুল মাজীদ

তোমার প্রতিপালক ওয়াহীর দ্বারা তোমাকে যে হিকমাত দান করেছেন এগুলো তার অন্ত‎র্ভুক্ত। তুমি আল্লাহর সাথে অপর কোন ইলাহ্ স্থির কর না, করলে তুমি নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

মুখতাসার

৩৯. যে আদেশ, নিষেধ ও বিধানাবলী সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে তা আপনার প্রতিপালকই আপনার নিকট ওহী করেছেন। আর হে মানুষ! তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা’বূদ গ্রহণ করো না। ফলে তুমি তিরস্কৃত ও সকল কল্যাণ থেকে বিতাড়িত হয়ে কিয়ামতের দিন জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। তোমার অন্তরই তোমাকে তিরস্কার করবে এবং অন্য মানুষও।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

আল্লাহ তাআলা বলছেনঃ হে নবী (সঃ)! যে সব হুকুম আমি নাযিল করেছি সবগুলিই উত্তম গুণের অধিকারী এবং যে সব জিনিস থেকে আমি নিষেধ করেছি সেগুলি সবই জঘন্য। এসব কিছু আমি তোমার কাছে ওয়াহীর মাধ্যমে নাযিল করেছি যে, তুমি লোকদেরকে নির্দেশ দিবে এবং নিষেধ করবে। দেখো, আমার সাথে অন্য কোন মা'বূদ স্থির করবে না। অন্যথায় এমন এক সময় আসবে যখন তুমি নিজেকেই ভৎসনা করবে এবং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেও তুমি তিরস্কৃত হবে। আর তোমাকে সমস্ত কল্যাণ থেকে দূর করে দেয়া হবে। এই আয়াতে রাসূলুল্লাহর (সঃ) মাধ্যমে তাঁর উম্মতকে সম্বোধন করা হয়েছে। কেননা, তিনি তো সম্পূর্ণরূপে নিস্পাপ।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

আপনার রব ওহীর দ্বারা আপনাকে যে হিকমত দান করেছেন এগুলো তার অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ স্থির করো না, করলে নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে [১]।

[১] এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হলেও উদ্দেশ্য হলো তার উম্মত। কারণ তিনি শির্ক করার অনেক উর্ধের্ব। লক্ষণীয় যে, এ আদেশ, নিষেধ ও অসিয়তের শুরু হয়েছিল শির্কের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে। শেষ করা হলো আবার সেই শির্কের নিষেধাজ্ঞা দিয়েই। এর দ্বারা এটাই বোঝানো ও এ বিষয়ে তাকীদ দেয়া উদ্দেশ্য যে, দ্বীনের মূলই হচ্ছে শির্ক থেকে দূরে থাকা। তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা। কেউ কেউ বলেন, প্রথম যখন শির্ক থেকে নিষেধ করা হয়েছিল তখন তার শাস্তি বলা হয়েছে যে, লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে বসে পড়বে, অর্থাৎ দুনিয়াতে তারা এভাবে সাহায্যহীন হয়ে থাকবে। তারপর সবশেষে যখন শির্ক থেকে নিষেধ করা হয়েছে তখন তার শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে যে, তাহলে জাহান্নামে নিন্দিত ও বিতাড়িত হয়ে নিক্ষিপ্ত হবে। এটা নিঃসন্দেহে আখেরাতে হবে। [ফাতহুল কাদীর]