Al-Isra

আল-ইসরা: 75

17:75
17 আল-ইসরা Al-Isra · 111 আয়াত الإسراء

আরবি

إِذًا لَّأَذَقْنَـٰكَ ضِعْفَ ٱلْحَيَوٰةِ وَضِعْفَ ٱلْمَمَاتِ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ عَلَيْنَا نَصِيرًا

English Translations

Sahih International

Then [if you had], We would have made you taste double [punishment in] life and double [after] death. Then you would not find for yourself against Us a helper.

Muhsin Khan

In that case, We would have made you taste a double portion (of punishment) in this life and a double portion (of punishment) after death. And then you would have found none to help you against Us.

Taqi Usmani

In that case, We would have surely made you taste a double (punishment) in life and a double (punishment) after death, then you would not have found anyone to help you against Us.

Abul Ala Maududi

whereupon We would have made you taste double (the chastisement) in the world and double (the chastisement) after death, and then you would have found none to help you against Us.

Pickthall

Then had we made thee taste a double (punishment) of living and a double (punishment) of dying, then hadst thou found no helper against Us.

Yusuf Ali

In that case We should have made thee taste an equal portion (of punishment) in this life, and an equal portion in death: and moreover thou wouldst have found none to help thee against Us!

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

তুমি তা করলে আমি তোমাকে এ দুনিয়ায় দ্বিগুণ আর পরকালেও দ্বিগুণ ‘আযাবের স্বাদ আস্বাদন করাতাম। সে অবস্থায় তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পেতে না।

রাওয়াই আল-বায়ান

তখন আমি অবশ্যই তোমাকে আস্বাদন করাতাম জীবনের দ্বিগুণ ও মরণের দ্বিগুণ আযাব।* তারপর তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পাবে না। * এখানে জীবনের দিগুণ ও মরণের দিগুণ আযাব দ্বারা দুনিয়াবী জীবন ও আখিরাতের জীবনের দিগুণ আযাব উদ্দেশ্য।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তুমি ঝুঁকে পড়লে অবশ্যই তোমাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতেনা।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তাহলে অবশ্যই আমরা আপনাকে ইহজীবনে দিগুন ও পরজীবনে দিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য কোনো সাহায্যকারী পেতেন না।

ফাতহুল মাজীদ

যদি এমন হত তাহলে অবশ্যই আমি তোমাকে ইহজীবনে দ্বিগুণ ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি‎ আস্বাদন করাতাম; তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতে না।

মুখতাসার

৭৫. আপনি যদি তাদের প্রস্তাবের প্রতি ঝুঁকে পড়তেন তাহলে আমি আপনাকে দুনিয়া ও আখিরাতে দ্বিগুণ শাস্তি দিতাম। সেক্ষেত্রে আপনি আমার বিপক্ষে এমন কোন সাহায্যকারী পেতেন না যে আপনাকে সাহায্য করবে এবং আপনার উপর থেকে আমার শাস্তিকে প্রতিরোধ করবে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

17:73

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

তাহলে অবশ্যই আমরা আপনাকে ইহজীবনে দিগুন ও পরজীবনে দিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতেন না [১]।

[১] এ সমগ্ৰ কাৰ্যবিবরণীর উপর মন্তব্য প্রসংগে আল্লাহ দু'টি কথা বলেছেন। এক, যদি আপনি সত্যকে জানার পর মিথ্যার সাথে কোন আপোস করে নিতেন তাহলে বিক্ষুব্ধ জাতি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যেতো ঠিকই কিন্তু আল্লাহর গযব তোমার উপর নেমে পড়ত এবং আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানেই দ্বিগুণ সাজা দেয়া হতো। দুই, মানুষ নবী হলেও আল্লাহর সাহায্য ও সুযোগ-সুবিধা তার সহযোগী না হলে শুধুমাত্র নিজের শক্তির উপর নির্ভর করে সে মিথ্যার তুফানের মোকাবিলা করতে পারে না। শুধুমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত ধৈর্য ও অবিচলতার সাহায্যেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য ও ন্যায়ের উপর পাহাড়ের মতো অটল থাকেন এবং বিপদের সয়লাব স্রোত তাকে একচুলও স্থানচ্যুত করতে পারেনি। তিনিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দৃঢ়পদ রেখেছেন, হেফাযত করেছেন, অপরাধী ও দুষ্ট লোকদের ক্ষতি থেকে নিরাপদ করেছেন। আর তিনিই তার যাবতীয় কাজের দায়িত্ব নিচ্ছেন। তিনিই তাকে জয়ী করবেন। তিনি তাকে কারও কাছে তাঁর কোন বান্দার কাছে সোপর্দ করবেন না। তার দ্বীনকে তিনি তার বিরোধী প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শক্তির পরাজিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করবেন। [ইবন কাসীর]