Al-Isra
আল-ইসরা: 68
17 আল-ইসরা Al-Isra · 111 আয়াত الإسراء
আরবি
أَفَأَمِنتُمْ أَن يَخْسِفَ بِكُمْ جَانِبَ ٱلْبَرِّ أَوْ يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا ثُمَّ لَا تَجِدُوا۟ لَكُمْ وَكِيلًا
English Translations
Then do you feel secure that [instead] He will not cause a part of the land to swallow you or send against you a storm of stones? Then you would not find for yourselves an advocate.
Do you then feel secure that He will not cause a side of the land to swallow you up, or that He will not send against you a violent sand-storm? Then, you shall find no Wakil (guardian one to guard you from the torment).
Do you, then, feel secure from that He makes a part of the land sink down along with you, or that He sends down a rain of stones on you, whereupon you will find no one to protect you?
Do you, then, feel secure against His causing you to be swallowed up by a tract of the earth, or letting loose a deadly whirlwind charged with stones towards you, and there you will find none to protect you?
Feel ye then secure that He will not cause a slope of the land to engulf you, or send a sand-storm upon you, and then ye will find that ye have no protector?
Do ye then feel secure that He will not cause you to be swallowed up beneath the earth when ye are on land, or that He will not send against you a violent tornado (with showers of stones) so that ye shall find no one to carry out your affairs for you?
বাংলা অনুবাদ
তোমরা কি নির্ভয় হয়ে গেছ যে তিনি তোমাদেরকে স্থলভাগেই যমীনের মধ্যে ধ্বসিয়ে দিবেন না, কিংবা তোমাদের উপর শিলা বর্ষণকারী ঝড়ো হাওয়া পাঠাবেন না? এমতাবস্থায় তোমাদের রক্ষাকারী কাউকে তোমরা পাবে না।
তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গিয়েছ যে, তিনি তোমাদেরসহ স্থলের কোন দিক ধ্বসিয়ে দেবেন না অথবা তোমাদের উপর শিলা বর্ষণকারী বাতাস প্রেরণ করবেন না? তারপর তোমরা তোমাদের জন্য কোন কর্মবিধায়ক পাবে না।
তোমরা কি নিশ্চিত আছ যে, তিনি তোমাদেরকে স্থলে কোথাও ভূ-গর্ভস্থ করবেননা অথবা তোমাদের উপর কংকর বর্ষণ করবেননা? তখন তোমরা তোমাদের কোন কর্ম বিধায়ক পাবেনা।
তোমরা কি নির্ভয় হয়েছ যে, তিনি তোমাদেরকে সহ কোনো অঞ্চল ধসিয়ে দেবে না অথবা তোমাদের উপর শিলা বর্ষণকারী ঝঞ্চা পাঠাবেন না? তারপর তোমরা তোমাদের জন্য কোনো কর্মবিধায়ক পাবে না।
তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে, তিনি তোমাদেরকেসহ কোন অঞ্চল ধ্বসিয়ে দিবেন না অথবা তোমাদের ওপর শিলা বর্ষণকারী ঝঞ্ঝা প্রেরণ করবেন না? তখন তোমরা তোমাদের কোন কর্মবিধায়ক পাবে না।
৬৮. হে মুশরিকরা! যখন আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে রক্ষা করে স্থলভাগে নিয়ে আসলেন তখন কি তোমরা এ ব্যাপারে নিরাপদ যে, তিনি তোমাদেরসহ সেটিকে ধ্বসিয়ে দিবেন না? না তোমরা এ ব্যাপারে নিরাপদ যে, তোমাদের উপর আকাশ থেকে পাথর নাযিল হবে না যা তোমাদের উপর বর্ষিত হবে যেভাবে লূত (আলাইহিস-সালাম) এর সম্প্রদায়ের উপর করা হয়েছিলো। ফলে তোমরা নিজেদের রক্ষাকারী কাউকে পাবে না। না ধ্বংস থেকে রক্ষাকারী কোন সাহায্যকারী পাবে।
তাফসীর
বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহ স্বীয় বান্দাদেরকে ভয় প্রদর্শন করতে গিয়ে বলছেনঃ যে আল্লাহ তোমাদেরকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে পারতেন তিনি কি তোমাদেরকে যমীনে ধ্বসিয়ে দিতে সক্ষম নন? নিশ্চয়ই তিনি সক্ষম। তাহলে সমুদ্রে তো তোমরা একমাত্র তাঁকেই ডেকে থাকো। আবার এখানে তাঁর সাথে অন্যদেরকে শরীক করছো, এটা কত বড়ই না অবিচার! তিনি তো তোমাদেরকে তোমাদের উপর পাথর বর্ষণ করে ধ্বংস করতে পারেন, যেমন হযরত লূতের (আঃ) কওমের উপর বর্ষিত হয়েছিল? যার বর্ণনা স্বয়ং কুরআন কারীমের মধ্যে কয়েক জায়গায় রয়েছে।সূরায়ে মুলকে রয়েছেঃ “তোমরা কি তার হতে যিনি আসমানে রয়েছেন নিশ্চিন্ত রয়েছে যে, তিনি তোমাদেরকে যমীনের মধ্যে ধ্বসিয়ে দেন, অতঃপর ঐ যমীন থর থর করতে থাকে? নাকি তোমরা নির্ভয় হয়ে গেছে এটা হতে যে, যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের প্রতি এক প্রচণ্ড বায়ু প্রেরণ করে দেন? সূতরাং তোমরা অচিরেই জানতে পারবে যে, আমার ভয় প্রদর্শন কিরূপ ছিল।”এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ঐ সময় তোমরা পাবে না কোন সাহায্যকারী, বন্ধু, কর্মবিধায়ক এবং রক্ষক।
তোমরা কি নির্ভয় হয়েছ যে, তিনি তোমাদেরকে সহ কোন অঞ্চল ধসিয়ে দেবে না অথবা তোমাদের উপর শিলা বর্ষণকারী ঝঞ্চা পাঠাবেন না? তারপর তোমরা তোমাদের জন্য কোন কর্মবিধায়ক পাবে না।
