Adh-Dhariyat
আয-যারিয়াত: 22
আরবি
وَفِى ٱلسَّمَآءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ
English Translations
And in the heaven is your provision and whatever you are promised.
And in the heaven is your provision, and that which you are promised.
And in the heavens, there is your sustenance and all that you have been promised.
And in heaven is your provision and also what you are being promised.
And in the heaven is your providence and that which ye are promised;
And in heaven is your Sustenance, as (also) that which ye are promised.
বাংলা অনুবাদ
এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিয্ক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযকের উৎস ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।
আর আসমানে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক আর যা কিছুর প্রতিশ্র“তি তোমাদের দেয়া হয়েছে।
২২. আসমানে তোমাদের পার্থিব ও ধর্মীয় জীবিকা এবং তোমাদেরকে যে সব ভালো-মন্দের ওয়াদা প্রদান করা হয়েছে সবই রয়েছে।
তাফসীর
51:15
আর আসমানে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু [১]।
[১] অর্থাৎ আসমানে তোমাদের রিফিক ও প্রতিশ্রত বিষয় রয়েছে। এর নির্মল ও সরাসরি তাফসীর এরূপ বৰ্ণিত আছে যে, আকাশে থাকা অর্থ “লওহে-মাহফুযে” লিপিবদ্ধ থাকা। বলাবাহুল্য প্রত্যেক মানুষের রিযিক, প্রতিশ্রত বিষয় এবং পরিণাম সবই লওহে-মাহফুযে লিপিবদ্ধ আছে। তাছাড়া ‘আসমান” বলে ঊর্ধজগতও উদ্দেশ্য হতে পারে। মানুষকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার এবং কাজ করার জন্য যা কিছু দেয়া হয় তার সবকিছুই রিযিক। আর সমস্ত আসমানী কিতাব ও এ কুরআনে কিয়ামত, হাশর ও পুনরুত্থান, হিসেবা-নিকেশ ও জবাবদিহি, পুরস্কার ও শাস্তি এবং জান্নাত ও জাহান্নামের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে وَمَاتُوْعَدُوْنَ বলে সে সবকেই বুঝানো হয়েছে। আল্লাহর এ বাণীর অর্থ হচ্ছে, দুনিয়ায় তোমাদের কাকে কি দিতে হবে তার ফায়সালা ঊর্ধজগত থেকেই হয়। তাছাড়া জবাবদিহি ও কর্মফল দেয়ার জন্য কখন তলব করা হবে সে ফায়সালাও সেখান থেকেই হবে। [দেখুন, কুরতুবী]।
