Al-An'am
আল-আনআম: 147
6 আল-আনআম Al-An'am · 165 আয়াত الأنعام
আরবি
فَإِن كَذَّبُوكَ فَقُل رَّبُّكُمْ ذُو رَحْمَةٍ وَٰسِعَةٍ وَلَا يُرَدُّ بَأْسُهُۥ عَنِ ٱلْقَوْمِ ٱلْمُجْرِمِينَ
English Translations
So if they deny you, [O Muḥammad], say, "Your Lord is the possessor of vast mercy; but His punishment cannot be repelled from the people who are criminals."
If they (Jews) belie you (Muhammad SAW) say you: "Your Lord is the Owner of Vast Mercy, and never will His Wrath be turned back from the people who are Mujrimun (criminals, polytheists, sinners, etc.)."
Then, if they give the lie to you, say, “Your Lord is the Lord of all-embracing mercy, and His punishment cannot be averted from the sinning people.”
'Then if they give you the lie, say: 'Your Lord is of unbounded mercy; but His punishment shall not be averted from the guilty folk.'
So if they give the lie to thee (Muhammad), say: Your Lord is a Lord of All-Embracing Mercy, and His wrath will never be withdrawn from guilty folk.
If they accuse thee of falsehood, say: "Your Lord is full of mercy all-embracing; but from people in guilt never will His wrath be turned back.
বাংলা অনুবাদ
অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যে মনে করে তবে তাদেরকে বল, তোমাদের প্রতিপালক প্রশস্ত দয়ার মালিক, (কিন্তু তাওবা না করে অপরাধীই থেকে গেলে) তবে অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হতে তাঁর শাস্তি রদ হয় না।
অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে তুমি বল, তোমাদের রব সর্বব্যাপী দয়ার অধিকারী। আর তার আযাব অপরাধী কওম থেকে ফেরানো হয় না।
সুতরাং এ সব বিষয়ে যদি তারা তোমাকে মিথ্যাবাদী মনে করে তাহলে তুমি বলে দাওঃ তোমাদের রাব্ব খুবই করুণাময়, আর অপরাধী সম্প্রদায় হতে তাঁর শাস্তির বিধান কখনই প্রত্যাহার করা হবেনা।
অতঃপর যদি তারা আপনার উপর মিথ্যারোপ করে, তবে বলুন, ‘তোমাদের রব সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর থেকে তাঁর শাস্তি রদ করা হয় না।‘
অতঃপর যদি তারা তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে বল: ‘তোমাদের প্রতিপালক সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের ওপর হতে তাঁর শাস্তি রদ করা যাবে না।’
১৪৭. হে রাসূল! তারা যদি আপনাকে মিথ্যুক বলে এবং আপনি নিজ প্রতিপালকের কাছ থেকে যা নিয়ে এসেছেন তা সত্য বলে জ্ঞান না করে তাহলে আপনি তাদেরকে হেদায়েতের প্রতি উৎসাহিত করার জন্য বলুন: তোমাদের প্রতিপালক তো বিস্তর দয়াবান। তাঁর দয়ার একটি নমুনা হলো তিনি তোমাদেরকে সময় দিচ্ছেন। তিনি তোমাদেরকে দ্রুত শাস্তির সম্মুখীন করছেন না। তেমনিভাবে আপনি তাদেরকে ভয় দেখিয়ে বলুন: নিশ্চয়ই তাঁর শাস্তি পাপ ও গুনাহে লিপ্ত সম্প্রদায় থেকে দূরে সরানো যাবে না।
তাফসীর
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তোমার বিরুদ্ধবাদী দল ইয়াহূদী এবং মুশরিকরা যদি তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে তাদেরকে বলে দাও তোমাদের প্রভু বড়ই করুণাময়! একথা বলে তাদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে যে, তারাও যেন তার সুপ্রশস্ত ও ব্যাপক করুণা যা করে, তাহলে রাসূল (সঃ)-এর অনুসরণের তাদেরকে তাওফীক প্রদান করা হবে। কেননা, যদি তিনি অনুগ্রহ না করেন তবে পাপী ও অপরাধীদের থেকে আল্লাহর শাস্তি কেউই টলাতে পারবে না। এখানে আগ্রহ উৎপাদন ও ভয় প্রদর্শন উভয়ই হচ্ছে। ভাবার্থ হচ্ছে-তোমরা রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ কর না, নতুবা তার শাস্তিতে পাকড়াও হয়ে যাবে। সব জায়গাতেই আল্লাহ তা'আলা আগ্রহ উৎপাদন ও ভয় প্রদর্শন এক সাথেই এনেছেন। যেমন এই সূরার শেষে রয়েছে- “আল্লাহ সত্বর শাস্তি প্রদানকারী এবং ক্ষমাশীল।” অর্থাৎ তিনি লোকদের পাপরাশি ক্ষমাকারী আবার তাদেরকে কঠোর শাস্তি প্রদানকারীও বটে। অন্য জায়গায় তিনি বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! আমার বান্দাদেরকে তুমি জানিয়ে দাও-আমি ক্ষমাশীল ও দয়ালু আর আমার শাস্তিও হচ্ছে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।” অন্য জায়গায় তিনি বলেনঃ “তিনি পাপ মার্জনাকারী, তাওবা কবুলকারী এবং কঠোর শাস্তি প্রদানকারী।” আল্লাহ তা'আলা আর এক জায়গায় বলেনঃ “নিশ্চয়ই তোমার প্রভুর পাকড়াও অত্যন্ত কঠোর। তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং পুনর্বারও সৃষ্টি করবেন। আর তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল, অত্যন্ত স্নেহ পরায়ণ।" এ সম্পর্কীয় বহু আয়াত রয়েছে।
অতঃপর যদি তারা আপনার উপর মিথ্যারোপ করে, তবে বলুন, ‘তোমাদের রব সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর থেকে তাঁর শাস্তি রদ করা হয় না।‘
