Ya-Sin

ইয়া-সীন: 33

36:33
36 ইয়া-সীন Ya-Sin · 83 আয়াত يس

আরবি

وَءَايَةٌ لَّهُمُ ٱلْأَرْضُ ٱلْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَـٰهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ

English Translations

Sahih International

And a sign for them is the dead earth. We have brought it to life and brought forth from it grain, and from it they eat.

Muhsin Khan

And a sign for them is the dead land. We gave it life, and We brought forth from it grains, so that they eat thereof.

Taqi Usmani

And a sign for them is the dead land. We gave it life and brought forth grain from it; so from it they eat.

Abul Ala Maududi

Let the dead earth be a Sign for them. We gave it life and produced from it grain whereof they eat.

Pickthall

A token unto them is the dead earth. We revive it, and We bring forth from it grain so that they eat thereof;

Yusuf Ali

A Sign for them is the earth that is dead: We do give it life, and produce grain therefrom, of which ye do eat.

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

মৃত যমীন তাদের জন্য একটা নিদর্শন। তাকে আমি জীবিত করি আর তা থেকে আমি উৎপন্ন করি শস্য যা থেকে তারা খায়।

রাওয়াই আল-বায়ান

আর মৃত যমীন তাদের জন্য একটি নিদর্শন, আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তা থেকে শস্যদানা উৎপন্ন করেছি। অতঃপর তা থেকেই তারা খায়।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত ধরিত্রী, যাকে আমি সঞ্জীবিত করি এবং যা হতে উৎপন্ন করি শস্য, যা তারা আহার করে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত যমীন, যাকে আমরা সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে বের করি শস্য, অতঃপর তা থেকেই তারা খেয়ে থাকে।

ফাতহুল মাজীদ

আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত জমিন। আমি তাকে সজীব করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, ফলে তা থেকে তারা খেয়ে থাকে।

মুখতাসার

৩৩. পুনরুত্থানকে অবিশ্বাসকারীদের জন্য পুনরুত্থান সত্য হওয়ার চিহ্ন হচ্ছে এই শুকনো ও খরাগ্রস্ত যমীন যার উপর আমি আসমান থেকে বারি বর্ষিয়ে নানাবিধ উদ্ভিদ উদ্গত করি এবং নানাবিধ শস্য নির্গত করি। যাতে করে মানুষ ভক্ষণ করতে পারে। বস্তুতঃ যিনি এই যমীনকে মৃত্যুর পর বৃষ্টি বর্ষানো ও উদ্ভিদ ফলানোর মাধ্যমে জীবিত করলেন তিনি মৃতদেরকে জীবিত করা ও পুনরুত্থানে সক্ষম।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

৩৩-৩৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ আমার অস্তিত্বের উপর, আমার সীমাহীন ক্ষমতার উপর এবং মৃতকে জীবিত করার উপর এটাও একটি নিদর্শন যে, মৃত যমীন, যা শুষ্ক অবস্থায় পড়ে রয়েছে যাতে কোন সজীবতা ও শ্যামলতা নেই, যাতে তৃণ-লতা প্রভৃতি কিছুই জন্মে না, তাতে যখন আকাশ হতে বৃষ্টিপাত হয় তখন তা নবজীবন লাভ করে এবং সবুজ-শ্যামল হয়ে ওঠে। চতুর্দিকে ঘাস-পাতা গজিয়ে ওঠে এবং নানা প্রকারের ফল-ফুল দৃষ্টি গোচর হয়। তাই মহান আল্লাহ্ বলেনঃ আমি ঐ মৃত যমীনকে জীবিত করে তুলি এবং তাতে উৎপন্ন করি বিভিন্ন প্রকারের শস্য, যার কিছু কিছু তোমরা নিজেরা খাও এবং কিছু কিছু তোমাদের গৃহপালিত পশু খেয়ে থাকে। ঐ যমীনে আমি তৈরী করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং তাতে প্রবাহিত করি নদ-নদী, যা তোমাদের বাগান ও শস্যক্ষেত্রকে পানিপূর্ণ ও সবুজ-শ্যামল করে থাকে। এটা এই কারণে যে, যাতে দুনিয়াবাসী এর ফলমূল হতে ভক্ষণ করতে পারে, শস্যক্ষেত্র ও উদ্যান হতে উপকার লাভ করতে পারে এবং বিভিন্ন প্রয়োজন পুরো করতে পারে। এগুলো আল্লাহর রহমত ও তার ক্ষমতাবলে পয়দা হচ্ছে, অন্য কারো ক্ষমতাবলে নয়। মানুষের হস্ত এগুলো সৃষ্টি করেনি। মানুষের না আছে এগুলো উৎপন্ন করার শক্তি, না আছে। এগুলো রক্ষা করার ক্ষমতা এবং না আছে এগুলো পাকাবার ও তৈরীর করার অধিকার। এটা শুধু আল্লাহ তা'আলারই কাজ এবং তারই মেহেরবানী। আর তাঁর অনুগ্রহের সাথে সাথে এটা তার ক্ষমতার নিদর্শনও বটে। সুতরাং মানুষের কি হয়েছে যে, তারা তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে না? এবং তাঁর অসংখ্য নিয়ামতরাশি তাদের কাছে থাকা সত্ত্বেও তাঁর অনুগ্রহ স্বীকার করছে না? একটি ভাবার্থ এও বর্ণনা করা হয়েছে যে, বাগানের ফল তারা খায় এবং নিজের হাতে বপনকৃত জিনিস তারা পেয়ে থাকে। যেমন হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ)-এর কিরআতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ তাদের হাত যে কাজ করেছে তা হতে (তারা ভক্ষণ করে থাকে)।পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি উদ্ভিদ, মানুষ এবং তারা যাদেরকে জানে না তাদের প্রত্যেককে সৃষ্টি করেছেন জোড়া জোড়া করে। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ অর্থাৎ “প্রত্যেক জিনিসকে আমি জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা উপদেশ লাভ কর।”(৫১:৪৯)

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত যমীন, যাকে আমরা সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে বের করি শস্য, অতঃপর তা থেকেই তারা খেয়ে থাকে।