Ya-Sin

ইয়া-সীন: 74

36:74
36 ইয়া-সীন Ya-Sin · 83 আয়াত يس

আরবি

وَٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ ءَالِهَةً لَّعَلَّهُمْ يُنصَرُونَ

English Translations

Sahih International

But they have taken besides Allāh [false] deities that perhaps they would be helped.

Muhsin Khan

And they have taken besides Allah aliha (gods), hoping that they might be helped (by those so called gods).

Taqi Usmani

They have adopted gods other than Allah, so that they may be helped (by them).

Abul Ala Maududi

They set up deities apart from Allah, hoping that they will receive help from them.

Pickthall

And they have taken (other) gods beside Allah, in order that they may be helped.

Yusuf Ali

Yet they take (for worship) gods other than Allah, (hoping) that they might be helped!

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

তারা আল্লাহর পরিবর্তে অনেক ইলাহ গ্রহণ করেছে এই আশায় যে, তারা (ঐ সব ইলাহ দ্বারা) সাহায্যপ্রাপ্ত হবে।

রাওয়াই আল-বায়ান

অথচ তারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্য সব ইলাহ গ্রহণ করেছে, এই প্রত্যাশায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তারাতো আল্লাহর পরিবর্তে অন্য মা‘বূদ গ্রহণ করেছে এ আশায় যে, তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আর তারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্য ইলাহ্ গ্রহণ করেছে এ আশায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে।

ফাতহুল মাজীদ

তারা আল্লাহ ব্যতীত অনেক ‘ইলাহ গ্রহণ করেছে এ আশায় যে, তাদেরকে অনুগ্রহ করা হবে।

মুখতাসার

৭৪. আর মুশরিকরা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে মাবূদ বানিয়েছে। যাতে করে এরা তাদেরকে সাহায্য প্রদান করার মাধ্যমে আল্লাহর শাস্তি থেকে উদ্ধার করতে পারে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

৭৪-৭৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা মুশরিকদের ঐ বাতিল আকীদাকে খণ্ডন করছেন যা তারা তাদের বাতিল মাবুদদের উপর রাখতো। তারা এই আকীদা বা বিশ্বাস রাখতো যে, আল্লাহ ছাড়া যাদের তারা ইবাদত করছে তারা তাদের সাহায্য করবে। তারা তাদের তকদীরে বরকত আনয়ন করবে এবং তাদেরকে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করাবে। আল্লাহ তাআলা বলেন যে, তাদের এসব মা’রূদ তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়। তাদেরকে সাহায্য করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদেরই কোন সাহায্য করতে পারে না। এমন কি এই প্রতিমাগুলো তাদের শত্রুদের আক্রমণ হতে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারে না। কেউ এসে যদি তাদেরকে ভেঙ্গে চুরে ফেলে দেয় তবুও তারা তার কোনই ক্ষতি করতে সক্ষম নয়। তারা তো কথা বলতেও পারে না। কোন বোধ শক্তিও তাদের নেই। এই প্রতিমাগুলো কিয়ামতের দিন একত্রিত জনগণের হিসাব গ্রহণের সময় নিজেদের উপাসকদের সামনে অত্যন্ত অসহায় ও নিরুপায় অবস্থায় বিদ্যমান থাকবে যাতে মুশরিকদের পুরোপুরি লাঞ্ছনা ও অপমান প্রকাশ পায়। আর তাদের উপর হুজ্জত পুরো হয়। হযরত কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ প্রতিমাগুলো তো তাদের কোন প্রকারেরই সাহায্য করতে পারে না, তবুও এই নির্বোধ মুশরিকরা তাদের সামনে এমনভাবে বিদ্যমান থাকছে যে, যেন তারা কোন জীবন্ত সেনাবাহিনী! অথচ এগুলো তাদের কোন উপকারও করতে পারে না এবং কোন বিপদাপদ দূর করতে সক্ষম নয়। কিন্তু এতদসত্ত্বেও এই মুশরিকরা তাদের নামে জীবন দিচ্ছে। তারা এগুলোর বিরুদ্ধে কোন কথা শুনতেও চায় না বরং ক্রোধে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠছে। মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে সান্ত্বনা দিয়ে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তাদের কথা তোমাকে যেন দুঃখ না দেয়। আমি তো জানি যা তারা গোপন করে এবং যা তারা ব্যক্ত করে। সময় আসছে। খুঁটিনাটিভাবে আমি তাদেরকে প্রতিফল প্রদান করবো।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

আর তারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্য ইলাহ্ গ্রহণ করেছে এ আশায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে।