Ya-Sin

ইয়া-সীন: 75

36:75
36 ইয়া-সীন Ya-Sin · 83 আয়াত يس

আরবি

لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَهُمْ وَهُمْ لَهُمْ جُندٌ مُّحْضَرُونَ

English Translations

Sahih International

They are not able to help them, and they [themselves] are for them soldiers in attendance.

Muhsin Khan

They cannot help them, but they will be brought forward as a troop against those who worshipped them (at the time of Reckoning).

Taqi Usmani

They cannot help them, rather they (the disbelievers themselves) are (like) an army brought forth for (protecting) them (the so-called co-gods)

Abul Ala Maududi

Those deities can render them no help. Yet these devotees act as though they were an army in waiting for them.

Pickthall

It is not in their power to help them; but they (the worshippers) are unto them a host in arms.

Yusuf Ali

They have not the power to help them: but they will be brought up (before Our Judgment-seat) as a troop (to be condemned).

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

ঐ সব ইলাহ তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়, বরং (উল্টো) এ লোকেরাই (ঐ সব ইলাহকে সাহায্য করার জন্য) সদা প্রস্তুত সেনাবাহিনীর মত হাযির হয়ে আছে।

রাওয়াই আল-বায়ান

এরা তাদের কোন সাহায্য করতে সক্ষম হবে না, বরং এগুলোকে তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীরূপে হাযির করা হবে।

শাইখ মুজিবুর রহমান

কিন্তু এসব ইলাহ তাদের সাহায্য করতে সক্ষম নয়, তাদেরকে তাদের বাহিনীরূপে উপস্থিত করা হবে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

কিন্তু তারা (এ সব ইলাহ্) তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়; আর তারা তাদের বাহিনীরূপে উপস্থিতকৃত হবে।

ফাতহুল মাজীদ

এসব ইলাহ তাদের কোনই সাহায্য করতে সক্ষম নয়। এরা তাদের সৈন্য হিসেবে উপস্থাপিত হবে।

মুখতাসার

৭৫. যে সব মাবূদকে তারা দেবতা হিসাবে গ্রহণ করেছে তারা তাদের নিজেদের সাহায্যই করতে পারে না। আর না তাদের সাহায্য করতে পারবে যারা আল্লাহর পরিবর্তে তাদের ইবাদাত করে। তারা ও তাদের দেবতারা এক সাথে শাস্তি ভোগ করবে। তবে একজন অপরজন থেকে পৃথক বলে ঘোষণা দিবে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

36:74

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

কিন্তু তারা (এ সব ইলাহ্) তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়; আর তারা তাদের বাহিনীরূপে উপস্থিত হবে [১]।

[১] এখানে جند এর অর্থ প্রতিপক্ষ নেয়া হলে আয়াতের উদ্দেশ্য হবে এই যে, তারা দুনিয়াতে যাদেরকে উপাস্য স্থির করেছে, তারাই কেয়ামতের দিন তাদের প্রতিপক্ষ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে। তবে হাসান ও কাতাদাহ রাহে মাহুমাল্লাহ থেকে বর্ণিত এ আয়াতের তাফসীর এই যে, কাফেররা সাহায্য পাওয়ার আশায় মূর্তিদেরকে উপাস্য স্থির করেছিল, কিন্তু অবস্থা হচ্ছে এই যে, স্বয়ং তারাই মূর্তিদের সেবাদাস ও সিপাহী হয়ে গেছে। তারা মূর্তিদের হেফাযত করে। কেউ বিরুদ্ধে গেলে তারা ওদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করে। অথচ তাদেরকে সাহায্য করার যোগ্যতা মূর্তিদের নেই। অথবা আয়াতের অর্থ, তারাও জাহান্নামে হাযির হবে, যেমন তাদের এ মূর্তিগুলোও জাহান্নামে তাদের সাথে উপস্থিত থাকবে। [দেখুন-ইবন কাসীর, ফাতহুল কাদীর]