
Table of Contents
ভূমিকা
দুর্ভিক্ষ কেবল উদরপূর্তির অভাব বা শস্যহানির একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি মানবসভ্যতার এক নিষ্ঠুরতম অধ্যায় এবং একটি গভীর প্রশাসনিক ও নৈতিক ব্যর্থতার স্মারক। একে নিছক একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অর্থনৈতিক মন্দা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি হলো সমাজের রাজনৈতিক কাঠামো, সুশাসন এবং বাজার ব্যবস্থার চূড়ান্ত বিপর্যয়েরই প্রতিফলন। যখন একটি সমাজ তার সদস্যদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম রসদ—বিশেষত খাদ্য—সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, তখন তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব কেবল মৃত্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা মানুষের অস্তিত্বের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দেয়।
দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস মানুষের শারীরিক সক্ষমতা কেড়ে নেয়, মানসিক ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত তৈরি করে এবং গোটা সামাজিক শৃঙ্খলার মধ্যে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এই চরম সংকটে সমাজের সবচেয়ে অরক্ষিত ও সংবেদনশীল অংশ—যেমন শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়োবৃদ্ধ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার মানুষেরা—সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়। একটি শিশুর জন্য দুর্ভিক্ষের অর্থ কেবল সাময়িক ক্ষুধা নয়, বরং তার শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে যাওয়া। ফলে দুর্ভিক্ষ কেবল সমসাময়িক হাহাকার নয়, এটি একটি জাতির অনাগত ভবিষ্যৎকে পঙ্গু করে দেওয়ার এক করুণ আখ্যান।
দুর্ভিক্ষের সংজ্ঞা ও প্রেক্ষাপট
দুর্ভিক্ষকে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় খাদ্যের চরম ও দীর্ঘস্থায়ী অভাব হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে ব্যাপক অনাহার এবং উচ্চ মৃত্যুহার দেখা দেয়। তবে আধুনিক সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতিতে দুর্ভিক্ষের সংজ্ঞা কেবল ‘খাদ্যের ঘাটতি’র মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি মূলত একটি বহুমাত্রিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়, যা প্রশাসনিক ব্যর্থতা, যুদ্ধবিগ্রহ, বাজারের অস্থিরতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি জটিল সংমিশ্রণ। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তাঁর যুগান্তকারী গবেষণায় দেখিয়েছেন যে, দুর্ভিক্ষ প্রায়শই বাজারে খাদ্যের জোগানের অভাবে ঘটে না, বরং মানুষের ‘এনটাইটেলমেন্ট’ (Entitlement) বা খাদ্য পাওয়ার অধিকার ও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার কারণে ঘটে [1]। অর্থাৎ, খাদ্যশস্য মজুদ থাকলেও ক্রয়ক্ষমতা হারানো বা বণ্টনের বৈষম্যের কারণে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী মৃত্যুর মুখে পতিত হতে পারে।
একটি বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দুর্ভিক্ষকে কেবল অনাহার নয়, বরং সামাজিক ও জীবনযাত্রার চরম বিচ্যুতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। যখন মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারণের মৌলিক রসদ—বিশেষত ক্যালরি গ্রহণের হার—একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে যায় এবং সমাজ তার সদস্যদের রক্ষা করতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তখনই তাকে দুর্ভিক্ষ হিসেবে গণ্য করা হয় [2]।
ইতিহাসের পাতায় এমন অনেক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের নজির রয়েছে যা কেবল প্রাকৃতিক নয়, বরং মানবসৃষ্ট বা নীতি-নির্ধারণী ভুলের কারণে আরও ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠেছিল:
শিশুদের ওপর দুর্ভিক্ষের প্রভাব
দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে সবচেয়ে অসহায় শিকার হলো শিশুরা। জৈবিক কারণেই শিশুদের শরীর ও মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশের জন্য এই বয়সে উচ্চমাত্রার পুষ্টির প্রয়োজন হয়, যা দুর্ভিক্ষের সময় সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়, যা কেবল শারীরিক রুগ্নতাই নয়, বরং উচ্চ শিশু মৃত্যুহারের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘস্থায়ী অনাহার শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রায় ধ্বংস করে দেয়; যার ফলে সাধারণ ডায়রিয়া, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ কিংবা নিউমোনিয়ার মতো রোগগুলো তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।
শারীরিক প্রভাবের বাইরেও, দুর্ভিক্ষের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও স্নায়বিক বিকাশের ওপর অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করে। শৈশবে পর্যাপ্ত ক্যালরি ও প্রোটিনের অভাব মস্তিষ্কের কোষ গঠনে স্থায়ী বাধা দেয়, যা পরবর্তী জীবনে তাদের মেধা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনকে চরমভাবে ব্যাহত করে। এর ফলে একটি সমাজ বা রাষ্ট্র কেবল তার বর্তমান শিশু সম্পদকেই হারায় না, বরং ভবিষ্যতে একটি শারীরিকভাবে পঙ্গু ও মানসিকভাবে দুর্বল জনশক্তির বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়।
মানসিকভাবেও শিশুরা দুর্ভিক্ষের চরম ট্রমার মধ্য দিয়ে যায়। খাদ্যের তীব্র অনিশ্চয়তা, চোখের সামনে প্রিয়জনদের মৃত্যু দেখা এবং সামাজিক অস্থিরতা তাদের মনে গভীর বিষণ্ণতা, চরম উদ্বেগ এবং দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। এই মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতগুলো পরবর্তী জীবনে তাদের ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক আচরণের ওপর দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, দুর্ভিক্ষ একটি জাতির মেরুদণ্ড তথা শিশুদের সম্ভাবনাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিয়ে উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে কয়েক দশক পিছিয়ে দেয়।
ইসলামের দৃষ্টিতে দুর্ভিক্ষ ও নবীর অভিশাপ
ইসলামী ধর্মতত্ত্বে দুর্ভিক্ষকে কেবল একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে ঐশ্বরিক শাস্তি বা পরীক্ষার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। বিভিন্ন হাদিসের বর্ণনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইসলামের নবী মুহাম্মদ তাঁর ধর্মতাত্ত্বিক বা রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে দুর্ভিক্ষকে একটি হাতিয়ার বা দোয়া (অভিশাপ) হিসেবে ব্যবহার করেছেন। যখন কোনো নির্দিষ্ট গোত্র বা জনপদ তাঁর বার্তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করত বা ইসলামের প্রতিকূলে অবস্থান নিত, তখন তিনি তাদের ওপর খাদ্যসংকট এবং দীর্ঘমেয়াদী অনাহার নেমে আসার প্রার্থনা করতেন।
সহীহ বুখারীর বর্ণনা অনুযায়ী, মুহাম্মদ মুযার গোত্রের ওপর আল্লাহর শাস্তি কঠোর করার জন্য এবং ইউসুফ (আ.)-এর সময়ের মতো ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামিয়ে আনার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন [8]। আরেকটি বর্ণনায় দেখা যায়, মক্কাবাসীরা যখন ইসলামের প্রতি অনীহা প্রদর্শন করে, তখন তিনি তাদের ওপর সাত বছরের দুর্ভিক্ষের দোয়া করেন। এই দোয়ার ফলে পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় হয়ে পড়ে যে মানুষ ক্ষুধার তাড়নায় মৃত পশুর চামড়া এবং পচা গলিত জানোয়ার খেতে বাধ্য হয়; এমনকি ক্ষুধার তীব্রতায় তারা আকাশের দিকে তাকালে ধোঁয়া দেখতে পেত [9]।
যৌক্তিক এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত বিতর্কিত এবং নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দুর্ভিক্ষ একটি সামষ্টিক বিপর্যয় যা কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধীকে চিহ্নিত করে আঘাত করে না; বরং এটি নির্বিচারে নারী, শিশু, বৃদ্ধ এবং সমাজের সবচেয়ে অসহায় ও নিরপরাধ মানুষদের চরম কষ্টের মুখে ঠেলে দেয়। যারা রাজনৈতিক বা ধর্মীয় দ্বন্দ্বে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়, সেই নিষ্পাপ শিশুদের অনাহারে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই একজন ‘করুণাময়’ নেতার আদর্শ হতে পারে না। এমনকি আবু সুফিয়ান যখন মুহাম্মদকে তাঁর নিজের প্রচারিত ‘আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা’র উপদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষার আবেদন জানান, তখন এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে মুহাম্মদের এই প্রার্থনা সামাজিক ও মানবিক নৈতিকতার পরিপন্থী ছিল [9]। এই ধরনের নির্বিচার অভিশাপ প্রদান এবং একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর বিনাশ কামনা করা একজন সুস্থ ও সংবেদনশীল মানুষের পরিচায়ক নয়, বরং এটি ক্ষমতার দাপট এবং চরম প্রতিহিংসামূলক মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ বলে গণ্য হতে পারে।
সহীহ বুখারী
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অধ্যায়ঃ ১৫/ বৃষ্টির জন্য দু’আ
হাদিস নাম্বার: 952
৯৫২। কুতাইবা ইবনু সায়ীদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শেষ রাকাআত থেকে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! সালামা ইবনু হিশামকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে রক্ষা করুণ। হে আল্লাহ! দুর্বল মু’মিনদেরকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রের উপর আপনার শাস্তি কঠোর করে দিন। হে আল্লাহ! ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) এর যমানার দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর ন্যায় (এদের উপর) কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দিন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বললেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করুন। আর আসলাম গোত্র, আল্লাহ তাদেরকে নিরাপদে রাখুন। ইবনু আবূ যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বলেন, এ সমস্ত দু’আ ফজরের সালাত (নামায/নামাজ)-এ ছিল।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
সহীহ বুখারী
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অধ্যায়ঃ ১৫/ বৃষ্টির জন্য দু’আ
৯৫৩। হুমাইদী ও উসমান ইবনু আবূ শাইবা (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন লোকদেরকে ইসলাম বিমুখ ভুমিকায় দেখলেন, তখন দু’আ করলেন, হে আল্লাহ! ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) এর যামানার সাত বছরের (দুর্ভিক্ষের) ন্যায় তাঁদের উপর সাতটি বছর দুর্ভিক্ষ দিন। ফলে তাঁদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ আপতিত হল যে, তা সব কিছুই ধ্বংস করে দিল। এমনকি মানুষ তখন চামড়া, মৃতদেহ এবং পচা ও গলিত জানোয়ারও খেতে লাগলো। ক্ষুদার তাড়নায় অবস্থা এতদূর চরম আকার ধারণ করল যে, কেউ যখন আকাশের দিকে তাকাত তখন সে ধুঁয়া দেখতে পেত। এমতাবস্থায় আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহনের পূর্বে) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মদ! তুমি তো আল্লাহর আদেশ মেনে চল এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার আদেশ দান কর। কিন্তু তোমার কওমের লোকেরা তো মরে যাচ্ছে। তুমি তাঁদের জন্য আল্লাহর নিকট দু’আ কর। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’লা বলেছেনঃ
আপনি সে দিনটির অপেক্ষায় থাকুন যখন আকাশ সুস্পষ্ট ধুঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাবে সেদিন আমি প্রবলভাবে তোমাদের পাকড়াও করব”। (৪৪ঃ ১০-১৬)
আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সে কঠিন আঘাত এর দিন ছিল বদরের যুদ্ধের দিন। ধুঁয়াও দেখা গেছে, আঘাতও এসেছে। আর মক্কার মুশরিকদের নিহত ও গ্রেফতারের যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, তাও সত্য হয়েছে। সত্য হয়েছে সুরা রুম-এর এ আয়াতও (রুমবাসী দশ বছরের মধ্যে পারসিকদের উপর আবার বিজয় লাভ করবে)।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
উপসংহার
দুর্ভিক্ষ মানব ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ও অন্ধকার অধ্যায়। এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট জাতির খাদ্য নিরাপত্তার অভাব নয়, বরং এটি তাদের অস্তিত্বের ভিত্তিকে চুরমার করে দেয়। দুর্ভিক্ষের সময় সবচেয়ে করুণ পরিণতির শিকার হয় শিশু, নারী এবং শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষেরা। নৈতিকতার মানদণ্ডে বিচার করলে দেখা যায়, চরমতম শত্রুর ক্ষেত্রেও দুর্ভিক্ষের মতো ভয়াবহ অভিশাপ কাম্য হতে পারে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে, তবে সেই অন্যায়কারীর ব্যক্তিগত বিচার বা দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই ন্যায়বিচারের পথ। কিন্তু অন্যায়ের শাস্তিস্বরূপ গোটা সমাজের ওপর অনাহার ও মড়ক চাপিয়ে দেওয়া প্রকৃতপক্ষে সেই বিচারককেই একজন অন্যায়কারীতে রূপান্তরিত করে। যারা এই প্রতিহিংসার সাথে যুক্ত নয়, তাদেরও যখন এই যন্ত্রণার ভাগীদার করা হয়, তখন প্রতিহিংসাকারী এবং অপরাধীর মধ্যে কোনো নৈতিক পার্থক্য অবশিষ্ট থাকে না। সভ্য সমাজের লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্ষুধা ও হাহাকারমুক্ত একটি বিশ্ব গঠন করা, যেখানে প্রতিহিংসা নয় বরং মানবিকতাই হবে সর্বোচ্চ মানদণ্ড।
তথ্যসূত্রঃ
- Sen, 1981, Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation, Oxford University Press ↩︎
- Howe & Devereux, 2004, Famine Intensity and Magnitude Scales: A Proposal for an Instrumental Definition of Famine, Disasters Journal ↩︎
- De Waal, 1997, Famine Crimes: Politics and the Disaster Relief Industry in Africa, Indiana University Press ↩︎
- Ó Gráda, 2009, Famine: A Short History, Princeton University Press ↩︎
- Mukerjee, 2010, Churchill’s Secret War, Basic Books ↩︎
- Dikötter, 2010, Mao’s Great Famine, Walker & Company ↩︎
- Currey & Hugo, 1984, Famine as a Geographical Phenomenon, D. Reidel ↩︎
- সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৯৫২ ↩︎
- সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৯৫৩ 1 2
