মুগীরা ইবনে শুবা ছিলেন মুহাম্মদের একজন বিশিষ্ট সাহাবী। ফাতিমার বাড়িতে আক্রমণের ক্ষেত্রে তার একটি বড় ভুমিকা ছিল বলে বিভিন্ন বর্ণনাতে পাওয়া যায়। নবী মুহাম্মদ তাকে নিজের ভাতিজা বলেই পরিচয় দিতেন বলে জানা যায়, অর্থাৎ তিনি ছিলেন নবীর কাছে খুবই সম্মানিত সাহাবী। আসুন সেই বিষয়টি আগে জেনে নেয়া যাক, [1]

উমর ইবনে খাত্তাবের আদেশে মুগীরা বাহরাইন, বসরা এবং কুফার গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আমীরে মুয়াবীয়ার শাসনকালে তিনি কুফার গভর্নর পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। উমর ইবনে খাত্তাবের হত্যাকারী আবু ল’লু’ ছিলেন মুগীরার একজন দাস। তার সম্পর্কে খুবই জরুরি একটি তথ্য আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থ থেকে জানা যায়। মুগীরা ইবনে শুবা সম্পর্কে একটি অবৈধ যৌন সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। বিচার প্রক্রিয়ায় ইসলামী শরীয়তের বিধান অনুসারে চারজন পুরুষ সাক্ষী প্রয়োজন হয়, যাদের প্রত্যেক সাক্ষীকে সুরমাদানিতে সুরমাকাঠি ঢুকানোর মত অবস্থায় প্রত্যক্ষ করতে হবে। কিন্তু সাক্ষীদের তিনজন সাক্ষী দিলো তারা ঐভাবেই দেখেছে, কিন্তু একজন বললেন ঠিক এত কাছ থেকে তিনি দেখেননি। এই কারণে মুগীরা ইবনে শুবাকে কোন শাস্তি দেয়া হয়নি। খলিফা কিন্তু ঠিকই জানতেন, মুগীরা ইবনে শুবা আসলেই সেই অবৈধ যৌন সঙ্গম করেছিল। কারণ ঘটনার শেষে খলিফা উমরের বক্তব্য দেখলেই বোঝা যায় খলিফা সব ঠিকই বুঝেছিলেন [2]



এবারে আসুন মুগীরা ইবনে শুবার সম্পর্কে আরও কিছু বক্তব্য দেখে নেয়া যাক, [3]

About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.
The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.
This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.

তাহলে সে জানালা খুলে অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিল, এতবড় একজন বিচক্ষণ গভর্ণর যে জানে তার সামনে তার শত্রুর বসবাস, সেই দিকের জানালা খুলেই সে এমন কাজে লিপ্ত হলো! একটু বেশি হাস্যকর হয়ে গেল না!
আবার একজন সাক্ষি দিল দুই টি রঙিন পা দেখেছে, তাহালে সেই জানালা দিয়ে তাদের মাথা, কোমর, পা পর্যন্ত সব দেখা যাচ্ছিল? তাহলে তা কত বড় জানালা? এতবড় জালানা খুলে কাজ করছিলেন?
আবার একজন বললো সে জানালা দিয়ে ভালো করে দেখতে পাই নি তাই উপরে উঠে দেখেছে, তাহলে সেই ঘরের চাল নিশ্চয় ছিলনা, তা না হলে সোজসোজি দেখতে পাইনি তাই উপরে গিয়ে কিভাবে দেখলো? উপরে উঠলে তো বেশি আড়াল হওয়ার কথা।!
আর উম্মে জামিল যে এসেছিল, তখন তার স্ত্রীরা সবাই তামাক সেবনে ব্যস্ত ছিল হয়তো!
আফসোস! এই জামানায় এসে এমন কথাও বিশ্বাস করা লাগে? ! !