নবীর স্ত্রী ও দাসীদের তালিকা

এই লেখাটির কাজ চলছে। আপাতত এই লেখাটিকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

স্ত্রী/দাসীর নামনবীর সাথে সম্পর্কপূর্ব সম্পর্কবিয়ে/সহবাসের সময় স্ত্রী/দাসীর বয়সসেইসময়ে মুহাম্মদের বয়সবয়সের পার্থক্য
খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ আল-আসাদী (৫৯৫–৬১৯)ফুফু [1] ২৭ বা ৪০ বছর২৫ বছর২ বছর বা ১৫ বছর
সাওদা বিনতে যাম‘আহ আল-‘আমেরী (৬১৯–৬৩২)৪০ বছর৪৯ বছর৯ বছর
আয়েশা বিনতে আবুবকর আত-তামীমী (৬২৩–৬৩২)বাল্যবন্ধুর মেয়ে [2] ৬ বছর / ৯ বছর৪৯ বছর / ৫২ বছর৪২ বছর
হাফছাহ/ হাফসা বিনতে ওমর আল-‘আদাভী(৬২৪–৬৩২)বন্ধুর মেয়ে১৯ বছর ৭ মাস৫৩ বছর ৯ মাস৩৪ বছর ২ মাস
জয়নব বিনতে খুযায়মা (৬২৫–৬২৭)সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশর বিধবা স্ত্রী২৮ বছর ৪ মাস৫৩ বছর ১০ মাস২৫ বছর ৬ মাস
উম্মু সালামাহ বিনতে আবু উমাইয়া মাখযূমী বা হিন্দ বিনতে আবি উমাইয়া (৬২৫–৬৩২)সাহাবী আবু সালামার বিধবা স্ত্রী২৮ বছর ৬ মাস৫৫ বছর২৬ বছর ৬ মাস
জয়নব বিনতে জাহশ (৬২৭–৬৩২)আপন ফুফাতো বোন৩৭ বছর ২ মাস৫৫ বছর ১১ মাস১৮ বছর ৯ মাস
জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিস (৬২৮–৬৩২)যুদ্ধবন্দী [3]২০ বছর৫৬ বছর ৯ মাস৩৬ বছর ৯ মাস
উম্মে হাবীবাহ রামলাহ বিনতে আবু সুফিয়ান আল-উমুভী বা রামালাহ (৬২৮–৬৩২)৩৪ বছর এবং ৭ মাস৫৭ বছর ৩ মাস২২ বছর ৮ মাস
রায়হানা বিনতে যায়েদ আল-কুরাযিয়াহ (৬২৯–৬৩২)যুদ্ধবন্দী [4]অজ্ঞাত, খুব সম্ভবত ১৪
সাফিয়া বিনতে হুয়াই বিন আখত্বাব(৬২৯–৬৩২)যুদ্ধবন্দী১৬ বছর ৬ মাস৫৭ বছর ৩ মাস৪০ বছর ৯ মাস
মায়মুনা বিনতে আল-হারিস (৬৩০–৬৩২)৩৫ বছর ২ মাস৫৭ বছর ১০ মাস২২ বছর ৮ মাস
মারিয়া আল-ক্বিবত্বিয়াহ(৬৩০–৬৩২)যৌনদাসী [5] অজ্ঞাত, খুব সম্ভবত ১৭ থেকে ২০ এর মধ্যে
মুলাইকা১৩ বছর৫৮ বছর ৯ মাস৪৫ বছর ৯ মাস
আসমা বিনতে নু‘মান আল-কিনদিয়াহ বা ‘জাউনিয়াহ’২০ বছর৫৯ বছর ৩ মাস৩৯ বছর ৩ মাস
‘আমরাহ বিনতে ইয়াযীদ আল-কিলাবিয়াহ১৫ বছর৬০ বছর ৫ মাস৪৫ বছর ৫ মাস
ফাতিমা বিনতে দাহহাক
জামীলা
আল জারিয়া
তুকানাহ
উম্মে শুরায়ক

প্রাসঙ্গিক একটি ভিডিও দেখে নিই,

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.

Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.

Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.

This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.


তথ্যসূত্রঃ
  1. খাদিজা (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আমার চাচাতো ভাই! আপনার ভাতিজা কি বলতে চায় তা শুনুন।, সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিসঃ ৪৫৯৪ ↩︎
  2. সহীহ বুখারী (তাওহীদ), হাদিসঃ ৫০৮১ ↩︎
  3. সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিসঃ ৩৯৩১ ↩︎
  4. বানু কুরাইজা আক্রমণে নবীর ভাগের গনিমতের মাল ↩︎
  5. মিশরের রাজা থেকে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ↩︎