Table of Contents
ভূমিকা
ইসলামি ধর্মতত্ত্বের অন্যতম কেন্দ্রীয় ভিত্তি এবং সাধারণ মুসলিমদের অবিচ্ছেদ্য বিশ্বাস হলো—বর্তমান কোরআন ‘লওহে মাহফুজ’ বা সংরক্ষিত ফলকে থাকা মূল কিতাবের একটি অবিকল ও চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। দাবি করা হয় যে, এর একটি দাড়ি-কমা বা একটি হরফও মুহাম্মদের মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়নি [1]। তবে এই তথাকথিত ‘ঐশ্বরিক সংরক্ষণের’ দাবিটি যখন ঐতিহাসিক বর্ণনা এবং হাদিসশাস্ত্রের কষ্টিপাথরে যাচাই করা হয়, তখন এক গভীর কাঠামোগত সংকট ও সংকলনকালীন মানবীয় হস্তক্ষেপের স্পষ্ট চিত্র ফুটে ওঠে। বিশেষ করে প্রতিটি সূরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ (তাসমিয়া) পাঠের উৎস, এর আয়াত হওয়া না হওয়া নিয়ে ফিকহশাস্ত্রের চিরস্থায়ী বিভেদ এবং সংকলকদের ব্যক্তিগত মর্জির ভিত্তিতে এর অবস্থান নির্ধারণ—কোরআনের ‘অবিকৃত’ বা ‘অপরিবর্তনীয়’ থাকার প্রচলিত বয়ানকে সরাসরি খণ্ডন করে। এই প্রবন্ধে আমরা প্রামাণ্য হাদিস ও তাফসীরের আলোকে বিশ্লেষণ করব যে, কোরআনের বর্তমান বিন্যাস কোনো সুসংগত ঐশ্বরিক পরিকল্পনা নয়, বরং এটি ছিল একটি বিবর্তনীয় এবং বহুলাংশে অনুমাননির্ভর মানবিক প্রক্রিয়ার ফলাফল।
বিসমিল্লাহ্ঃ সূরার অংশ নাকি বিভাজক রেখা?
সুনানু আবু দাউদ শরীফের একটি সহিহ হাদিস থেকে জানা যায় যে, মুহাম্মদ দীর্ঘ সময় ধরে বুঝতে পারতেন না একটি সূরা কোথায় শেষ হয়েছে এবং পরেরটি কোথায় শুরু হয়েছে। [2] [3]
সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২/ সালাত (নামায)
পরিচ্ছেদঃ ১৩১. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ্ পাঠ করার বর্ণনা।
৭৮৮. কুতায়বা ইবনু সাঈদ …. ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম নাযিল না হওয়া পর্যন্ত কোন সূরার শুরু চিহ্নিত করতে পারতেন না। হাদীছের এই পাঠ ইবনুস সারহ্-এর।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)

এই হাদিসটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত প্রশ্ন উত্থাপন করে। যদি জিব্রাইল প্রতিটি সূরাকে স্বতন্ত্রভাবে নাযিল করে থাকেন, তবে সেই সূরার সীমানা কেন অনিশ্চিত থাকবে? হাদিসটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সূরার শুরুর এই ‘বিসমিল্লাহ’ আদতে সূরার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নাযিল হয়নি, বরং এটি এসেছিল একটি সংকেত বা ‘মার্কিং’ হিসেবে। যুক্তি অনুযায়ী, যদি ‘বিসমিল্লাহ’ প্রতিটি সূরার অবিচ্ছেদ্য অংশ হতো, তবে তা শুরু থেকেই প্রতিটি সূরার সাথেই নাযিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এটি পৃথকভাবে এবং পরবর্তীতে নাযিল হওয়ার অর্থ হলো— মূল সূরাগুলো যখন প্রথমবার অবতীর্ণ হয়, তখন সেগুলোর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ ছিল না। প্রশ্নটি হচ্ছে, আল্লাহর কি সেই সময়ে মনে ছিল না? এই বিষয়টি কি আল্লাহর পরে মনে হয়েছে যে, শুরুর দিকে বিসমিল্লাহ ছাড়াই কিছু সূরা নাজিল করা হয়ে গেছে?
কোরআনের সংকলন প্রক্রিয়ায় এই অসংগতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে যখন আমরা মুহাম্মদের অন্যতম প্রিয় এবং শ্রেষ্ঠ ক্বারী হিসেবে স্বীকৃত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের ব্যক্তিগত মাসহাফের (সংকলন) দিকে তাকাই। ঐতিহাসিক ও হাদিসশাস্ত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, ইবনে মাসউদের মাসহাফে সূরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ লিপিবদ্ধ ছিল না। ইবনে মাসউদ মনে করতেন বিসমিল্লাহ কোনো স্বতন্ত্র আয়াত নয়, বরং এটি কেবল বরকতের জন্য পঠিত একটি বাক্য। যদি ‘বিসমিল্লাহ’ সূরার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ওহী হতো, তবে মুহাম্মদের সরাসরি ছাত্র এবং সবচেয়ে বিজ্ঞ সাহাবীদের একজন কেন তা বাদ দেবেন? এটি সরাসরি প্রমাণ করে যে, আদি মুসলিমদের কাছে কোরআনের পাঠ ও কাঠামো কোনো একক ঐশ্বরিক ছাঁচে সীমাবদ্ধ ছিল না।
বর্তমানে আমরা কোরআনের প্রতিটি সূরার (সূরা তওবা ব্যতীত) শুরুতে যে বিসমিল্লাহ দেখি, তা যদি মূল নাযিলের সময় না থেকে থাকে বা ইবনে মাসউদের মতো জ্যেষ্ঠ সাহাবীদের কাছে কোরআনের অংশ হিসেবে বিবেচিত না হয়ে থাকে, তবে তা পরবর্তীতে সেখানে বসানো একটি ‘অতিরিক্ত’ সংযোজন হিসেবেই গণ্য হওয়ার কথা। এটি কোরআনের ‘এক বিন্দু পরিবর্তন হয়নি’—এই প্রচলিত ও আবেগনির্ভর দাবীর সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। মূলত জিব্রাইল বা মুহাম্মদ নয়, বরং পরবর্তী সংকলকরা তাদের নিজস্ব ইজতিহাদ বা গবেষণার ভিত্তিতে প্রতিটি সূরার মাথায় এই বাক্যটি বসিয়ে দিয়েছেন, যা কোরআনের তথাকথিত ‘অবিকৃত’ চরিত্রের ওপর একটি বড় ধরণের প্রশ্নচিহ্ন ছুড়ে দেয়।
তাফসীর ও ফিকহ শাস্ত্রের বিরোধঃ বিসমিল্লাহ আয়াত কিনা
কোরআনের আয়াত সংখ্যা এবং এর গঠন নিয়ে খোদ মুসলিম পণ্ডিতদের মধ্যেই কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেই। বিশেষ করে সূরা ফাতিহার ক্ষেত্রে ‘বিসমিল্লাহ’ আয়াত কিনা, তা নিয়ে ব্যাপক মতভেদ লক্ষ্য করা যায়। তাফসীরে জালালাইনে বলা হয়েছে: [4] –
সূরা আল-ফাতিহা মক্কায় অবতীর্ণ। এতে সাতটি আয়াত রয়েছে বিসমিল্লাহসহ। যদি তাসমিয়া ফাতিহার অংশ হয়, তখন صَرَاطَ الَّذِيْنَ হতে শেষ পর্যন্ত হবে সপ্তম আয়াত। আর যদি তাসমিয়া ফাতিহার অংশ না হয়ে থাকে, তবে সপ্তম আয়াত হবে غَيْرِ الْمَغْضُوبِ হতে শেষ পর্যন্ত।

এই যে দ্বিধা, এটি প্রমাণ করে যে ‘সংরক্ষিত’ কিতাবের মৌলিক কাঠামো নিয়েই সাহাবী এবং পরবর্তী সংকলকদের মধ্যে অস্পষ্টতা ছিল। ইমাম শাফেয়ীর মতে বিসমিল্লাহ প্রতিটি সূরার আয়াত, কিন্তু ইমাম মালিকের মতে এটি কোনো সূরারই অংশ নয়, বরং বরকতের জন্য ব্যবহৃত একটি বাক্য মাত্র [5]। যদি একটি কিতাব ‘লওহে মাহফুজ’ থেকে হুবহু অবতীর্ণ হয়, তবে তার একটি মৌলিক বাক্য ‘আল্লাহর বাণী’ নাকি ‘মানুষের বসানো শিরোনাম’—তা নিয়ে কেন সহস্র বছর ধরে বিতর্ক থাকবে? এই বিতর্কটিই প্রমাণ করে যে কোরআনের বর্তমান বিন্যাস এবং পাঠে মানুষের নিজস্ব বিবেচনা ও সংকলন পদ্ধতির প্রভাব রয়েছে।
সূরা তওবা এবং সংকলকদের ব্যক্তিগত অনুমান
কোরআনের ৯ নম্বর সূরা ‘আত-তওবা’র শুরুতে বিসমিল্লাহ নেই। এর কারণ হিসেবে যে হাদিসটি পাওয়া যায়, তা কোরআনের ঐশ্বরিক সংকলন পদ্ধতির ওপর বড় ধরণের প্রশ্ন চিহ্ন এঁকে দেয়। উসমান (রাঃ)-কে যখন জিজ্ঞেস করা হলো কেন তিনি সূরা আনফাল ও সূরা তওবার মাঝে বিসমিল্লাহ লেখেননি, তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন যে, মুহাম্মদ এই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে যাননি। যেহেতু সূরা দুটির বিষয়বস্তু অনেকটা একই রকম ছিল, তাই উসমান ‘অনুমান’ (Guesswork) করে সেগুলোকে পাশাপাশি বসিয়ে দেন এবং বিসমিল্লাহ বাদ দেন [6]।
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন
পরিচ্ছেদঃ ১০. সূরা আত-তাওবাহ
৩০৮৬। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ)-কে বললাম, শত আয়াতের চাইতে ক্ষুদ্রতম সূরা আল-আনফালকে শত আয়াত সম্বলিত সূরা বারাআতের পূর্বে স্থাপন করতে কিসে আপনাদেরকে উদ্বুদ্ধ করল? যার ফলে আপনারা এই দুটি সূরাকে একত্রে মিলিয়ে দিলেন, অথচ উভয়ের মাঝখানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ বাক্যটি লিখেননি এবং এটিকে সপ্ত দীর্ঘ সূরার মধ্যে রেখে দিয়েছেন। আপনাদের এরূপ করার কারণ কি?
উসমান (রাযিঃ) বললেন, একই সময়কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অনেকগুলো সূরা অবতীর্ণ হত। অতএব তার উপর কোন আয়াত অবতীর্ণ হলে তিনি লেখকদের কাউকে ডেকে বলতেন, এ আয়াতগুলো অমুক সূরায় যোগ কর যাতে এই এই বিষয়ের বর্ণনা রয়েছে। অতএব তার উপর আয়াত অবতীর্ণ হলে তিনি বলতেন, ঐ সূরাতে এ আয়াতটি শামিল কর যাতে এই এই বিষয়ের বর্ণনা রয়েছে।
সূরা আল-আনফাল ছিল মদীনায় অবতীর্ণ প্রাথমিক সূরাসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর বারাআত ছিল (নাযিলের দিক হতে) কুরআনের শেষ দিকের সূরা। সূরা বারাআতের আলোচ্য বিষয় সূরা আল-আনফালের আলোচ্য বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। তাই আমার ধারণা হল, এটি (বারাআত) তার অন্তর্ভুক্ত। এদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তিনি আমাদের স্পষ্ট করে বলে যাননি যে, এ সূরা (বারাআত) আনফালের অন্তর্ভুক্ত কি না। তাই আমি উভয় সূরাকে একত্রে মিলিয়ে দিয়েছি এবং সূরাদুটাের মাঝখানে বিসমিল্লাহির রাহমাননির রাহীম বাক্যও লিখিনি, আর এটিকে সপ্ত দীর্ঘ সূরাসমূহের অন্তর্ভুক্ত করেছি।
হাসান।
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। আমরা এ হাদীস শুধু ’আওফ হতে, তিনি ইয়াযীদ আল-ফারিসী হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে এই সূত্রেই জেনেছি। ইয়াযীদ আল-ফারেসী বসরাবাসী তাবিঈগণের অন্তর্ভুক্ত। আর ইয়াযীদ ইবনু আবান আর-রাকাশীও বাসরাবাসী তাবিঈগণের অন্তর্ভুক্ত। তবে তিনি পূর্বোক্ত জনের চাইতে কনিষ্ঠ। ইয়াযীদ আর-রাকাশী (রাহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। যদি কোরআনের প্রতিটি বর্ণ ও বিন্যাস স্বয়ং ঈশ্বর কর্তৃক নির্ধারিত হতো, তবে সেখানে একজন সংকলকের ‘অনুমান’ বা ‘ধারণা’র কোনো স্থান থাকার কথা নয়। উসমানের এই সিদ্ধান্তটি প্রমাণ করে যে:
- কোরআনের বিন্যাস বা বিসমিল্লাহর অবস্থান কোনো সুনির্দিষ্ট ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল না।
- সংকলকরা তাদের বুদ্ধিমত্তা ও রুচি অনুযায়ী কিতাবটির কাঠামো সাজিয়েছেন।
ঐতিহাসিক ও যৌক্তিক পর্যালোচন
কোরআনের ‘অপরিবর্তনীয়তা’র দাবীটি একটি বৃত্তীয় যুক্তির (Circular reasoning) ওপর দাঁড়িয়ে। কোরআন নিজেকে সংরক্ষিত দাবী করে, তাই মুসলমানরা একে সংরক্ষিত মনে করে। কিন্তু যখন আমরা পাণ্ডুলিপি বিদ্যা (Manuscript evidence) এবং আদি হাদিসগুলোর দিকে তাকাই, তখন চিত্রটি ভিন্ন হয়।
উপসংহার
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এটি স্পষ্ট যে, কোরআনের ‘বিসমিল্লাহ’ সংক্রান্ত জটিলতা কিতাবটির অলৌকিক ও অপরিবর্তনীয় হওয়ার দাবীকে দুর্বল করে দেয়। একটি সূরা অন্য সূরার থেকে আলাদা করার জন্য যদি নতুন করে আয়াত নাযিল করতে হয় এবং সেই আয়াতটি সূরার অংশ কি অংশ নয় তা নিয়ে যদি শত শত বছর বিতর্ক চলে, তবে সেই কিতাবকে ‘সম্পূর্ণ স্পষ্টভাবে সংরক্ষিত’ বলা একটি অতিশয়োক্তি মাত্র। কোরআনের বর্তমান রূপটি মুহাম্মদের প্রাপ্ত ওহীর অবিকল প্রতিফলন নয়, বরং এটি সাহাবীদের সংকলন প্রক্রিয়া, ব্যক্তিগত স্মৃতি এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের একটি সমন্বিত ফলাফল।
About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.
Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.
Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.
This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.
তথ্যসূত্রঃ
- সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৯ ↩︎
- সুনান আবূ দাউদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৭৮৮ ↩︎
- সুনানু আবু দাউদ শরীফ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪২৮, হাদিসঃ ৭৮৭-৭৮8 ↩︎
- তাফসীরে জালালাইন, জালালুদ্দিন মহল্লী এবং জালালুদ্দিন সুয়ুতী, ইসলামিয়া কুতুবখানা প্রকাশনী, সপ্তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬২৯ ↩︎
- আল-ইতকান ফি উলুমিল কুরআন, জালালুদ্দিন সুয়ুতী ↩︎
- জামি’ আত-তিরমিজি, হাদিসঃ ৩০৮৬ ↩︎
