মুহাম্মদের বংশধারা – আদম থেকে মুহাম্মদ

হজরত আদম (আ.)
প্রথম মানুষ ও নবী। জীবনকাল ৯৬০ বছর [1]
হজরত শীস (আ.)
আদমের পরে ১৩০ বছর
হজরত ঈদ্রীস (আ.)
শীসের পরে প্রায় ৬০০–৭০০ বছর
হজরত হুদ (আ.)
ঈদ্রীসের পরে প্রায় ১০০০ বছর
হজরত সালিহ (আ.)
হুদের যুগের আশেপাশে
হজরত নূহ (আ.)
হুদের পরে প্রায় ২০০–৩০০ বছর। জীবনকাল ৯৫০ বছর। [2]
আদম থেকে নূহ এর মাঝে ১০০০ বছরের ব্যবধান [3]
হজরত লুত (আ.)
ইবরাহিমের সমসাময়িক
হজরত শুয়াইব (আ.)
ইবরাহিমের পরে প্রায় ২০০ বছর
হজরত ইবরাহিম (আ.)
নূহের পরে ১০–২০ প্রজন্ম (সহিহ মুসলিম)। আয়ু ১৭৫ বছর [4] [5]
নূহ-এর প্লাবনের পরে ইব্রাহিম (আ.)-এর জন্ম পর্যন্ত প্রায় ১,২৬৫ বছর।
হজরত ইসহাক (আ.)
ইবরাহিমের পরে
হজরত ইয়াকুব (আ.)
ইসহাকের পরে ৬০ বছর
হজরত ইউসুফ (আ.)
ইয়াকুবের পরে
হজরত আইয়ুব (আ.)
ইউসুফের প্রজন্মের কাছাকাছি
হজরত মূসা (আ.)
ইউসুফের পরে প্রায় ৪০০ বছর (সহিহ হাদিস)।
হজরত হারুন (আ.)
মূসার সমসাময়িক
হজরত দাউদ (আ.)
মূসার প্রায় ৪০০ বছর পরে[6]
হজরত সুলাইমান (আ.)
দাউদের পরে
হজরত ইলিয়াস (আ.)
হজরত আল-ইয়াসা (আ.)
হজরত যুলকিফল (আ.)
হজরত ইউনুস (আ.)
হজরত জাকারিয়া (আ.)
সুলাইমানের পরে দীর্ঘ ব্যবধান
হজরত ইয়াহিয়া (আ.)
জাকারিয়ার পুত্র
হজরত ইসা (আ.)
ইয়াহিয়ার যুগের সমসাময়িক। জীবনকালঃ এখনো জীবিত। ৩৩ বছর বয়সে আসমানে তুলে নেওয়া হয়।
সুলায়মানের প্রায় ৯০০–৯৫০ বছর পরে ঈসা [7]
হজরত ইসমাইল (আ.)
ইবরাহিমের পরে
হজরত মুহাম্মদ (সা.)
ইসার ৬০০ বছর পরে (সহিহ বুখারি/মুসলিম)। জীবনকাল ৬৩ বছর

মুহাম্মদের বংশধারা – আদম থেকে মুহাম্মদ
ইসলামিক মিথোলজির বংশতালিকা অনুযায়ী ধারাবাহিকতা। এগুলো ঐতিহাসিকভাবে যাচাইযোগ্য নয় এবং ইহুদি-খ্রিস্টীয় ধারার সঙ্গে ব্যাপকভাবে মিল রেখে নির্মিত।
হযরত আদম
ইসলামিক কাহিনিতে প্রথম মানব। বয়স ৯৬০ বছর বা ১০০০ বছরের মতো বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। উচ্চতা ছিল ৬০ হাত বা ৯০ ফুট। তার সন্তানগণ হাবিল ও কাবিল তাদের আপন বোনদের বিবাহ করেন, সেই সময়ে এটিই নাকি আল্লাহর বিধান ছিল।
হযরত শীস
আদমের ১৩০ বছরে জন্ম বলে জানা যায়।
আনুশ
বাইবেলীয় বংশানুক্রমের অবিকল প্রতিলিপি।
কেইনান
মাহলাইল
ইয়ারিদ
ইদ্রিস
ইসলামে তাঁকে নবী বলা হয়; বাইবেলের এনক/হানোক চরিত্রের সঙ্গে অভিন্ন।
মেতুশালাখ
বাইবেলীয় ৯৬৯ বছরের চরিত্রের প্রতিলিপি।
লামিক
১০
নূহ
ইসলামিক কাহিনিতে দ্বিতীয় প্রাচীনতম প্রধান চরিত্র; বাইবেলীয় বর্ণনা থেকে সম্পূর্ণ ধার করা।
আদম থেকে নূহ পর্যন্ত প্রচলিত হিসেবে ১০ প্রজন্ম বা আনুমানিক ১০০০ বছর।
১১
সাম (শেম)
আরবদের পূর্বপুরুষ হিসেবে দাবি করা হয়।
১২
আর্ফাখশাদ
১৩
শালাহ
১৪
ইবর
এথনিক “হিব্রু/ইবরানী” নামের উৎস হিসেবে দাবি।
১৫
ফালিহ
১৬
রা’উ
১৭
সারুগ
১৮
নাহুর
১৯
ইবরাহিম
ইসলামিক বর্ণনায় এক অত্যন্ত কেন্দ্রীয় চরিত্র; বংশলতিকা মূলত বাইবেল থেকে গ্রহণ।
নূহ থেকে ইবরাহিম ১০০০ বছরের ব্যবধান।
২০
হযরত ইসমাইল (আ.)
২১
হিদার
২২
ইরাম
২৩
ইওয়াদ
২৪
মায্যি
২৫
সামি
২৬
যারিহ
২৭
নাহিস
২৮
মুকাসির
২৯
আইহাম
৩০
আফনাদ
৩১
আইছার
৩২
যিশান
৩৩
আইযি
৩৪
ইরাওয়া
৩৫
ইয়ালহান
৩৬
ইয়াহজিন
৩৭
ইয়াসরিবি
৩৮
সানবার
৩৯
হামদান
৪০
আদ দাহা
৪১
উবাইদ
৪২
আবকার
৪৩
আ’য়েফ
৪৪
মাখি
৪৫
নাহিস
৪৬
জাহিম
৪৭
তাবিখ
৪৮
ইয়াদলাফ
৪৯
বালদাস
৫০
হিযা
৫১
নাসিদ
৫২
আওয়ান
৫৩
ওবাই
৫৪
কামওয়াল
৫৫
বুয
৫৬
আওয
৫৭
সালামান
৫৮
হুমাইসা
৫৯
আওয়াদ
৬০
আদনান
৬১
মা’দ
৬২
নিজার
৬৩
মুদার
৬৪
ইলাস
৬৫
মুদরাইকা
৬৬
খুজাইমা
৬৭
কিনান
৬৮
আননাদর
৬৯
মালিক
৭০
ফাহর
৭১
গালিব
৭২
লুই
৭৩
কা’ব
৭৪
মুরাহ
৭৫
কিলাব
৭৬
কুছাই
৭৭
আব্দ মানাফ
৭৮
হাসিম
৭৯
আব্দুল মোত্তালিব
৮০
আব্দুল্লাহ
৮১
হযরত মুহাম্মদ
ইবরাহিম → মুহাম্মদ এর মধ্যবর্তী কাল প্রথাগত বংশতালিকায় সাধারণভাবে ~২০০০–২৫০০ বছরের মতো ধরে নেওয়া হয় (প্রায় ২০–২৫ প্রজন্ম), কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রমাণের দৃষ্টিতে এই টাইমলাইন অত্যন্ত বিতর্কিত ও অনির্ভরযোগ্য।

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.

The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.

This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.


তথ্যসূত্রঃ
  1. সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিসঃ ৩০৭৬ ↩︎
  2. সুরা আনকাবুত 29:14 ↩︎
  3. নবীদের কাহিনী, ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব ↩︎
  4. আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ইবনে কাসীর ↩︎
  5. তারিখ আল-উমাম ওয়াল-মুলূক, তাবারী ↩︎
  6. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইবন কাসীর ↩︎
  7. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইবনে কাসীর ↩︎