Table of Contents
ভূমিকা
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বিচারব্যবস্থায় অপরাধ দমনের নামে এমন কিছু দণ্ডবিধি প্রচলিত ছিল, যা আধুনিক সভ্য পৃথিবীতে চরম নিষ্ঠুর ও অমানবিক হিসেবে বিবেচিত। এর মধ্যে ‘রজম’ বা পাথর ছুড়ে হত্যা অন্যতম [1]। সমস্যা ঘটে তখনই, যখন সেইসব মধ্যযুগীয় বর্বর আইনকে মানব সভ্যতার অপরিবর্তনীয় ঈশ্বরিক আইন হিসেবে গণ্য করা হয়। কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত যৌন আচরণ বা ব্যভিচারের অভিযোগে তাকে জনসম্মুখে নৃশংসভাবে হত্যা করা কেবল একটি দণ্ড নয়, বরং এটি মানবমর্যাদার চরম লঙ্ঘন। আধুনিক মানবাধিকার ও যুক্তিবাদী দর্শনের আলোকে এই প্রথাটিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এটি প্রতিহিংসা এবং শারীরিক নির্যাতনের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ, যা কোনোভাবেই ন্যায়বিচারের আধুনিক সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
যিশুর মানবিক ও নৈতিক অবস্থান
বাইবেলের ‘যোহন ৮:৩-১১’ অংশে একটি ঐতিহাসিক ও নৈতিক সংকটের বর্ণনা পাওয়া যায়। সেখানে এক নারীকে ব্যভিচারের দায়ে পাথর ছুড়ে মারার জন্য যিশুর কাছে আনা হয়। ফরীশীরা তাকে জিজ্ঞেস করে, মোশির ব্যবস্থা অনুযায়ী একে পাথর মারার বিধান রয়েছে, তিনি কী বলেন? যিশু এখানে কোনো ধর্মীয় গোঁড়ামিতে না গিয়ে এক বিস্ময়কর মানবিক ও মনস্তাত্ত্বিক যুক্তি উপস্থাপন করেন।
তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে নির্পাপ, সেই প্রথম পাথর ছুঁড়ুক” [2]। যিশুর এই যুক্তিতে বিচারপ্রার্থীরা স্তব্ধ হয়ে যায়। কারণ তারা বুঝতে পারে যে, মানুষের তৈরি নৈতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কেউই নিখুঁত নয়। একে একে সবাই সরে যায় এবং যিশু সেই নারীকে মুক্তি দিয়ে বলেন, “আমিও তোমাকে দোষী করি না। যাও, আর পাপ করিও না” [3]। বাইবেলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ব্যভিচারিণী নারীর ঘটনাটি, যা বাইবেলের নতুন নিয়মে [4] -তে বর্ণিত হয়েছে।
3 সেই সময় ব্যবস্থার শিক্ষকরা ও ফরীশীরা, ব্যভিচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে এমন একজন স্ত্রীলোককে তাঁর কাছে নিয়ে এল৷ তারা সেই স্ত্রীলোককে তাদের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে যীশুকে বলল,
4 ‘গুরু, এই স্ত্রীলোকটি ব্যভিচার করার সময় হাতে নাতেই ধরা পড়েছে।
5 বিধি-ব্যবস্থার মধ্যে মোশি আমাদের বলছেন, এই ধরণের স্ত্রীলোককে যেন আমরা পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলি৷ এখন আপনি এবিষয়ে কি বলবেন?’
6 তাঁকে পরীক্ষা করার ছলেই তারা একথা বলছিল, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তারা খুঁজে পায়৷ কিন্তু যীশু হেঁট হয়ে মাটিতে আঙ্গুল দিয়ে লিখতে লাগলেন।
7 ইহুদী নেতারা যখন বার বার তাঁকে জিজ্ঞেস করতে লাগল, তখন তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে নিস্পাপ সেই প্রথম একে পাথর মারুক।’
8 এরপর তিনি আবার হেঁট হয়ে আঙ্গুল দিয়ে মাটিতে লিখতে লাগলেন।
উল্লেখ্য, ইহুদিদের আইন বা মূসার শরীয়ত অনুসারে ব্যভিচারে ধরা পড়া নারীকে পাথর মেরে হত্যা করার বিধান ছিল [5] [6] –
যদি কোন পুরুষের তার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকে, তাহলে সেই পুরুষ এবং মহিলা দুজনেই ব্যভিচারের দোষে দোষী হবে। সেই পুরুষ এবং মহিলা দুজনের অবশ্যই যেন প্রাণদণ্ড হয়।
যদি কোন পুরুষ অপরের স্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত থাকাকালীন ধরা পড়ে তবে দুজনকেই অবশ্যই মরতে হবে – সেই স্ত্রীলোকটিকে এবং তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত পুরুষটিকে হত্যা করে তোমরা অবশ্যই ইস্রায়েলের মধ্যে থেকে এই দুষ্টাচার দূর করবে।
আধুনিক যুক্তিবাদে যিশুর এই অবস্থানটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল ক্ষমা নয়, বরং বিচারকের নিজের নৈতিকতা নিয়ে এক গভীর প্রশ্ন। যেখানে কোনো নির্দিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ (victim) নেই, সেখানে একজন অপরাধীকে ধ্বংস করার চেয়ে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া এবং তার জীবনের মর্যাদা রক্ষা করা যে উচ্চতর নৈতিকতা, যিশুর এই ঘটনায় তার প্রতিফলন ঘটে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও বর্ণনা
ঐতিহাসিক বর্ণনা ও হাদিস অনুযায়ী, গামিদিয়া গোত্রের এক মহিলা স্বেচ্ছায় নবী মুহাম্মদের কাছে এসে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করেন এবং নিজেকে ‘পবিত্র’ করার জন্য শাস্তির দাবি জানান। মহিলাটি তখন গর্ভবতী ছিলেন। তাকে সন্তান জন্ম দেওয়া পর্যন্ত ফিরে যেতে বলা হয়। সন্তান জন্ম নেওয়ার পর তিনি যখন আবার আসেন, তখন তাকে নির্দেশ দেওয়া হয় সন্তানকে দুধ ছাড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। অবশেষে যখন শিশুটি শক্ত খাবার (রুটি) খাওয়ার উপযুক্ত হয়, তখন মহিলাটিকে একটি গর্তে বুক পর্যন্ত পুঁতে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। এই নিষ্ঠুর প্রক্রিয়ার সময় যখন রক্ত ছিটকে আসছিল, তখন উপস্থিত কেউ কেউ তাকে অভিশাপ দেন, যদিও পরবর্তীতে তার এই ‘তওবা’ বা অনুশোচনাকে মহান হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩০/ অপরাধের শাস্তি
পরিচ্ছেদঃ ৫. যে ব্যক্তি নিজে ব্যভিচার স্বীকার করে
৪২৮৪। আবূ গাসসান মালিক ইবনু আবদুল ওয়াহিদ মিসমাঈ (রহঃ) … ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমন করল। সে বলল, হে আল্লাহর নবী! আমি ’হদ্দ’ (শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি) এর উপযোগী হয়েছি। অতএব আমার উপর তা কার্যকর করুন। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং বললেন, তাকে ভালভাবে সংরক্ষণ করে রেখো। পরে সে যখন সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। সে তাই করলো।
এরপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি (শাস্তি প্রদানের) নির্দেশ দিলেন। তখন মহিলার কাপড় শক্ত করে বাঁধা হল। এরপর তিনি তার ব্যাপারে (শাস্তি কার্যকর করার) আদেশ দিলেন। তাকে পাথর মারা হল। পরে তিনি তার উপর (সালাত) আদায় করলেন। তখন উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! আপনি তার (জানাযার) সালাত আদায় করলেন অথচ সে তো ব্যাভিচার করেছে! তিনি বললেন, নিশ্চয়ই সে এমনভাবে তাওবা করেছে, যদি তা মদিনার সত্তরজন লোকের মধ্যে বণ্টিত হতো, তবে তাদের জন্য তাই যথেষ্ট হতো। তুমি কি তার চেয়ে অধিক উত্তম তাওবাকারী কখনও দেখেছো। সেতো নিজের জীবন আল্লাহর ওয়াস্তে প্রদান করেছে।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
অর্থাৎ বাইবেলের বর্ণনার ঠিক বিপরীত চিত্র পাওয়া যায় ইসলামি ঐতিহ্যে গামিদিয়া গোত্রের এই মহিলার ঘটনায়। ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ জিনার দায়ে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে আল্লাহো আকবর ধ্বনি দিয়ে সম্মিলিতভাবে পাথর ছুড়ে রজমের বিধান কার্যকর করতে ছিল সর্বদাই অতি উৎসাহী। এমনকি, খোদ ইহুদিরাও এই বর্বর বিধান বন্ধ করে ফেলেছিল, নবীর চাপের কারণে তারা সেই বিধান কার্যকর করতে বাধ্য হয়, হাদিসে এমন প্রমাণও পাওয়া যায়। সেটি অন্য প্রবন্ধে আলোচনা করা হবে। আপাতত এই প্রবন্ধে যেটি দেখানো হচ্ছে, তা হচ্ছে, একজন গর্ভবতী নারী ছিলেন, যিনি নিজেই তার ভুলের জন্য অনুতপ্ত ছিলেন এবং শাস্তি কামনা করেছিলেন। সেই নারীর বাচ্চাটি পেট থেকে বের হওয়ার পরে নবী মুহাম্মদ তাকে পাথর ছুড়ে হত্যার নির্দেশনা দেন। মুহাম্মদ সেই নারীকে ক্ষমা করেননি, বা শাস্তি কমিয়ে দেননি। অত্যন্ত বর্বর পদ্ধতিতে সেই মাকে, যার একটি শিশু সন্তান ছিল, তাকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পর্যায়ক্রমিক ধারাটি আধুনিক নৈতিক মানদণ্ডে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এখানে যে বিষয়গুলো বিবেচ্য তা হচ্ছে,
মহিলাটি যখন প্রথমবার আসেন, তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তাকে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়। সন্তান প্রসবের পর তাকে আবার দুই বছর দুধ পান করানোর জন্য ফিরে যেতে বলা হয়। আধুনিক দণ্ডবিজ্ঞানের আলোকে, একজন মানুষকে তার নিশ্চিত ভয়াবহ মৃত্যু সম্পর্কে জানিয়ে দিয়ে দীর্ঘ তিন বছর অপেক্ষায় রাখা চরম মানসিক নির্যাতন বা সাদিজম হিসেবে গণ্য। [7]
একজন মা যখন তার সন্তানকে বড় করছেন এবং সেই সন্তান তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল, তখন তাকে মৃত্যুর প্রতীক্ষায় রাখা মাতৃত্বের চরম অবমাননা। অবশেষে যখন শিশুটি হাতে এক টুকরো রুটি নিয়ে খেতে শেখে, তখন সেই মা-কে গর্তে পুঁতে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। এটি কেবল মায়ের মৃত্যু নয়, বরং একটি শিশুর শৈশবকে পৈশাচিকভাবে ধ্বংস করার নামান্তর। [8]
পাথর নিক্ষেপের সময় যখন রক্ত ছিটকে আসছিল, তখন উপস্থিত ঘাতকদের একজন সেই মহিলাকে গালি দেন। যদিও পরবর্তীতে মুহাম্মদ একে মহান তওবা হিসেবে বর্ণনা করেন, কিন্তু আধুনিক যুক্তিবাদে প্রশ্ন ওঠে—যেই দণ্ড একজন মানুষকে পৈশাচিক যন্ত্রণার মাধ্যমে হত্যা করে, সেই দণ্ডকে ‘পবিত্রতা’ হিসেবে দেখা কেবল একটি ধর্মীয় আচ্ছন্নতা ছাড়া আর কিছু নয়।
আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ
এবারে আসুন দেখে নিই, নবী মুহাম্মদের এই বিচারের প্রক্রিয়াটি কেমন ছিল। কারণ সচক্ষে না দেখলে আপনারা হয়তো এভাবে মেরে ফেলার ভয়াবহতা বুঝতে পারবেন না,
প্রশ্ন হচ্ছে, এরকম ব্যভিচারের ঘটনায় আসলে কার কি ক্ষতি হচ্ছে? একইসাথে নিচের বিষয়গুলোও বিবেচনায় আনতে হয়ঃ
যৌন সম্পর্ক যদি দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্মতির ভিত্তিতে হয়, তবে সেখানে কোনো তৃতীয় পক্ষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। আধুনিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, এটি কোনো ফৌজদারি অপরাধই হতে পারে না। ব্যক্তিগত নৈতিকতা ও রাষ্ট্রীয় আইনের মধ্যে পার্থক্য করা আধুনিক সভ্যতার অন্যতম ভিত্তি।
পাথর ছুড়ে হত্যার পদ্ধতিটি এমনভাবে পরিকল্পিত যাতে অপরাধী একবারে মারা না যায়। ধীরে ধীরে পাথরের আঘাতে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চূর্ণবিচূর্ণ করে দীর্ঘক্ষণ যন্ত্রণার মাধ্যমে তাকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়। এটি জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার ঘোষণা’ (UDHR)-এর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন, যেখানে নিষ্ঠুর ও অমানবিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে [9]।
গামিদিয়া মহিলার ঘটনায় সবথেকে বড় ট্র্যাজেডি হলো শিশুটি। মায়ের কথিত ‘পাপ’ স্খলনের নামে একটি শিশুকে অনাথ করা এবং তাকে তার মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই উচ্চতর ন্যায়বিচার হতে পারে না। আধুনিক শিশু অধিকার সনদে শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যা এই ঘটনায় চরমভাবে উপেক্ষিত [10]।
উপসংহার
পাথর ছুড়ে হত্যার মতো প্রথাগুলো ইতিহাসের একটি অন্ধকার সময়কে নির্দেশ করে যখন মানুষের জীবন ও মর্যাদা অপেক্ষা ধর্মীয় ডগমা ও কঠোরতা বেশি মূল্যবান ছিল। বাইবেলে যিশুর ক্ষমাশীলতা যেখানে মানবিক উত্তরণের একটি ইঙ্গিত দেয়, সেখানে গামিদিয়া মহিলার ঘটনাটি ধর্মের নামে চরম নিষ্ঠুরতার দলিল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আধুনিক যুক্তিবাদী সমাজের কর্তব্য হলো—এসব আদিম ও অমানবিক প্রথাকে কোনো প্রকার পবিত্রতা বা ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে বৈধতা না দিয়ে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা। মানুষের আইন হওয়া উচিত বিজ্ঞানমনস্ক, সহমর্মী এবং জীবনের সুরক্ষাকারী; যা প্রতিহিংসা নয় বরং সংশোধনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।
About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.
Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.
Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.
This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.
তথ্যসূত্রঃ
- ইসলামি আইনশাস্ত্রে ‘রজম’ বা প্রস্তরাঘাতঃ প্রেমের শাস্তি পাথর ছুড়ে হত্যা ↩︎
- যোহন ৮:৭ ↩︎
- যোহন ৮:১১ ↩︎
- যোহন ৮:৩-১১ ↩︎
- লেবীয় ২০:১০ ↩︎
- দ্বিতীয় বিবরণ ২২:২২ ↩︎
- সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৪২০৭ ↩︎
- সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪৪২ ↩︎
- Universal Declaration of Human Rights, Article 5 ↩︎
- UN Convention on the Rights of the Child ↩︎
