
কোরআন হাদিসে এত বেশি পরিমাণে উদ্ভট আর হাস্যকর কথাবার্তা লিখিত যে, এগুলোর বিবরণ দিয়ে শেষ করা সম্ভব নয়। একটি হাদিস থেকে জানা যায়, একটি পাথর একবার নাকি মুসার কাপড় নিয়ে দৌঁড় দেয়। মুসা আবার পাথরটিকে মারপিট করে। মারপিট খেয়ে পাথরটির কতটা কষ্ট হয়েছিল, কতটা ব্যাথা পেয়েছিল, তা অবশ্য হাদিসে বর্ণিত নেই। তবে পাথর যদি আল্লাহর হুকুমেই সেই কাপড় নিয়ে দৌঁড় দিয়ে থাকে, তাকে মারার মাধ্যমে মুসা আসলে পরোক্ষভাবে কাকে মারধোর করলেন, তা বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই বুঝবেন [1]
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৩/ হায়িয
পরিচ্ছেদঃ ৩/১৮. নির্জনে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়িয
১৯৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী ইসরাঈলের লোকেরা নগ্ন হয়ে একে অপরকে দেখা অবস্থায় গোসল করতো। কিন্তু মূসা (আঃ) একাকী গোসল করতেন। এতে বনী ইসরাঈলের লোকেরা বলাবলি করছিল, আল্লাহর কসম, মুসা (’আঃ) ’কোষবৃদ্ধি’ রোগের কারণেই আমাদের সাথে গোসল করেন না। একবার মূসা (আঃ) একটা পাথরের উপর কাপড় রেখে গোসল করছিলেন। পাথরটা তাঁর কাপড় নিয়ে পালাতে লাগল। তখন মূসা (আঃ) ’পাথর! আমার কাপড় দাও,’ ’পাথর! আমার কাপড় দাও’ বলে পেছনে পেছনে ছুটলেন। এদিকে বনী ইসরাঈল মূসার দিকে তাকাল। তখন তারা বলল, আল্লাহর কসম মূসার কোন রোগ নেই। মূসা (আঃ) পাথর থেকে কাপড় নিয়ে পরলেন এবং পাথরটাকে পিটাতে লাগলেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) বলেনঃ আল্লাহর কসম, পাথরটিতে ছয় কিংবা সাতটা পিটুনীর দাগ পড়ে গেল।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫; গোসল, অধ্যায় ২০, হাঃ ২৭৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ১৮, হাঃ ৩৩৯
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.
The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.
This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.
তথ্যসূত্রঃ
- আল-লুলু ওয়াল মারজান, হাদিসঃ ১৯৪ ↩︎
