মেরাজের রাতে নবী উম্মেহানীর ঘরে ছিলেন

ভূমিকা

মিরাজের ঘটনার সময়ে নবী মুহাম্মদের স্ত্রী খাদিজা আর জীবিত নেই। খাজিদার মৃত্যুতে নিশ্চিতভাবেই নবী দুঃখিত ছিলেন। ঐদিকে উম্মে হানীর পিতা আবু তালিবেরও সেই কাছাকাছি সময়ে মৃত্যু ঘটে। এরকম সময়ে নবীর মনে পুরনো প্রেম জেগে ওঠা অস্বাভাবিক কিছু বলে আমার মনে হয় না। সব মানুষই দুঃখের সময়, শোকের সময় প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্য চায়। এটিই মানুষের স্বভাব। এই প্রবন্ধে আমরা দেখবো, মেরাজের রাতে মুহাম্মদ কোথায় ছিলেন, তা সম্পর্কে প্রখ্যাত সব আলেমগণ কী বলেছেন।


কাবা থেকে উম্মে হানীর ঘরের দূরত্ব

এই আলোচনার আরও গভীরে যাওয়ার পুর্বে আমাদের জেনে নিতে হবে, কাবা শরীফের থেকে উম্মে হানীর ঘরের দূরত্ব ঠিক কত ছিল। এই তথ্যটি এই আলোচনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ওপর অনেক তথ্যের গোঁজামিল আপনাদের পরিষ্কার হবে। তাই আসুন শুরুতে উম্মে হানীর ঘর থেকে কাবার দূরত্বের একটি চিত্র দেখি,

কাবা, আশপাশ অঞ্চল ও উম্মে হানীর ঘর – বার্ড’স আই ভিউ (কনসেপ্টচুয়াল)
ঐতিহাসিক বর্ণনায় “কাবার একদম কাছে, কয়েক কদমের পথ” – এখানে শুধু ভিজুয়ালাইজ করার জন্য স্কেমাটিক মানচিত্র
উত্তর
মসজিদুল হারাম (আনুমানিক স্কিমা)
মাতাফ (তাওয়াফের খোলা জায়গা)
কাবা
একটি গেট (কাল্পনিক)
পুরনো মক্কার ঘরবাড়ি (প্রতীকী)
উম্মে হানীর ঘর
(কাবার খুব কাছে)
কাবা থেকে উম্মে হানীর ঘর পর্যন্ত হাঁটার পথ
ঐতিহাসিক বর্ণনায়: “কয়েক কদম” ·
এখানে ধরা হয়েছে ≈ ৩০–৫০ মিটার / ≈ ৪০ কদম

যারা হজ্ব করেছেন, মক্কায় নিয়মিত যাওয়া আসা করেন, তারা মোটামুটি সকলেই এই বিষয়গুলো জানেন। আসুন একজন হাজ্বীর বর্ণনা থেকে দেখে নেয়া যাক, উম্মে হানীর ঘর ঠিক কোথায় ছিল,


আলেমগণের পরিষ্কার বক্তব্য

আসুন কয়েকজন প্রখ্যাত ইসলামিক আলেমের বক্তব্য শুনে নিই,


আবু বকর যাকারিয়া

এবারে আসুন বাঙলাদেশের প্রখ্যাত একজন আলেম ড আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়ার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ, যেই গ্রন্থটি সৌদি সরকার কর্তৃক সত্যায়িত, সেই বইটি থেকে দেখে নিই। শুরুতে ভিডিওতে দেখি, আবু বকর যাকারিয়ার তাফসির গ্রন্থটি কতটা বিশুদ্ধ সেই ভিডিও [1]

উম্মেহানী

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান ইবন আব্দুল আযীয আল সাউদ-এর নির্দেশে ও পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত কুরআনের তরজমা ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর থেকে আরও একটি অংশ দেখে নেয়া যাক, যেখানে দেখা যাচ্ছে, মেরাজ থেকে ফিরে উম্মে হানীর কাছে নবী ঘটনার বিবরণ বর্ণনা করেছেন [2]

উম্মেহানী 1

গিউম, লাইফ অফ মুহাম্মদ

এবারে আসুন পশ্চিমা বিশ্বে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সীরাত গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত গিউম ( Guillaume) এর The Life Of Mohammed থেকে একটি পাতা পড়ি, [3]

The following report has reached me from Umm Hani’ d. of Abū Talib, whose name was Hind, concerning the apostle’s night journey.
She said: ‘The apostle went on no night journey except while he was in my house. He slept that night in my house. He prayed the final night prayer,
then he slept and we slept. A little before dawn the apostle woke us, and
when we had prayed the dawn prayer he said, “O Umm Häni’, I prayed
with you the last evening prayer in this valley as you saw. Then I went to Jerusalem and prayed there. Then I have just prayed the morning prayer
with you as you see.”” He got up to go out and I took hold of his robe and laid bare his belly as though it were a folded Egyptian garment. I said,
“O prophet of God, don’t talk to the people about it for they will give you
the lie and insult you.” He said, “By God, I certainly will tell them.”
I said to a negress, a slave of mine, Follow the apostle and listen to what he says to the people, and what they say to him. He did tell them and they
were amazed and asked what proof he had.

AI অনুবাদঃ নিম্নোক্ত বর্ণনাটি রাসূলের মি’রাজ বা রাতের সফরের বিষয়ে আবু তালিবের কন্যা উম্মে হানি’র (যার আসল নাম ছিল হিন্দ) কাছ থেকে আমার কাছে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন: ‘রাসূলুল্লাহ আমার ঘরে থাকা অবস্থাতেই তাঁর রাতের সফর(মিরাজ) সম্পন্ন করেন। সেই রাতে তিনি আমার ঘরে ঘুমালেন। তিনি রাতের শেষ সালাত (ইশা বা বিতর) আদায় করলেন, তারপর ঘুমালেন এবং আমরাও ঘুমিয়ে পড়লাম। ভোরের কিছুক্ষণ আগে রাসূলুল্লাহ আমাদের জাগালেন, এবং যখন আমরা ফজরের সালাত আদায় করলাম, তিনি বললেন, “হে উম্মে হানি, এই উপত্যকায় আমি তোমার সাথে শেষ সন্ধ্যার সালাত আদায় করেছিলাম, যেমন তুমি দেখলে। তারপর আমি জেরুজালেম গিয়ে সেখানে সালাত আদায় করেছি। আর এইমাত্র আমি তোমার সাথে ফজরের সালাত আদায় করলাম, যেমন তুমি দেখলে।”’
তিনি বাইরে যাওয়ার জন্য উঠলেন এবং আমি তাঁর পোশাক ধরে টানলাম এবং তাঁর পেট থেকে তা ভাঁজ করা মিশরীয় কাপড়ের মতো সরিয়ে দিলাম। আমি বললাম, “হে আল্লাহর নবী, এ বিষয়ে লোকদের সাথে কথা বলবেন না, কারণ তারা আপনাকে মিথ্যাবাদী বলবে এবং আপনার অপমান করবে।” তিনি বললেন, “আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই তাদের বলব।”
আমি আমার একজন হাবশি দাসীকে বললাম, ‘রাসূলের পেছন পেছন যাও এবং শোনো তিনি লোকেদের কী বলেন, আর তারা তাঁকে কী বলে।’ তিনি তাদের বললেন, আর তারা অবাক হয়ে গেল এবং তাঁর কাছে এর প্রমাণ চাইল।”

উম্মেহানী 3

বোখারী শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ

এবারে আসুন আমরা বোখারী শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ থেকে নবীর বক্তব্য পড়ি। এই বিবরণে দেখা যাচ্ছে, নবী ভোর হওয়ার অল্প আগে তার সঙ্গীসাথীদের কাছে ফিরে এসেছে। অর্থাৎ নবী তার সঙ্গীদের সাথেই তার আগে ছিলেন। ফিরে আসার পরে সঙ্গীদের মধ্যে আবু বকর জিজ্ঞেস করলেন, আপনি রাতে কোথায় ছিলেন? আবু বকর তখন সব জায়গাতেই মুহাম্মদকে খুঁজে এসেছে, কিন্তু পায়নি। অর্থাৎ মাঝখানে নবী কোথাও গিয়েছিলেন এবং পুরো প্রায় রাতই সেখানে সেই বিশেষ জায়গাতে কাটিয়ে এসেছেন। তো, আবু বকরের প্রশ্নের জবাবে নবী বললেন, তিনি সেই সময়ে বায়তুল মোকাদ্দাস ঘুরে এসেছেন। আবার উল্টোদিকে, উম্মেহানীর বর্ণনা অনুসারে তিনি তার ঘরে এসেছিলেন এবং রাত্রে নামাজ পড়ে উম্মে হানীর ঘরেই ঘুমিয়েছিলেন। অর্থাৎ আবু বকরদের কাবার সামনে রেখে নবী উম্মে হানীর বাসায় গেলেন, সেখানে নামাজ পড়লেন, ঘুমালেন অথবা যা করার করলেন, এরপরে ঘুমিয়ে গেলেন। ভোর হওয়ার আগে আবার আবু বকরদের কাছে ফিরে এসে বললেন, তিনি বায়তুল মোকাদ্দাস ঘুরে এসেছেন। ঘটনা দুইটি পর্যালোচনা করুন [4]

উম্মেহানী 5

তাফসীরে ইবনে কাসীর

এবারে আসুন তাফসীরে ইবনে কাসীরে কী বলা হয়েছে দেখি। সেই তাফসীর দেখার আগে বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়ার একটি বক্তব্য শুনে নিই, [5]

হযরত উম্মে হানী বিনতে আবূ তালেব (রা) কর্তৃক বর্ণিত রেওয়ায়েত মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বলেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ সায়েব কলবী (রা.)…. উম্মে হানী বিনতে আবূ তালেব (রা) হইতে বর্ণিত তিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর মি’রাজ সম্পর্কে বলেন, যেই রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর মি’রাজ সংঘটিত হয় সেই রাত্রে তিনি আমার ঘরে নিদ্রিত ছিলেন। ইশার সালাত শেষে তিনি পুনরায় নিদ্রা যান। আমরাও নিদ্রা যাই । ভোর হইবার পূর্বে আমরা রসূলুল্লাহ (সা) কে জাগ্রত করিলাম । যখন তিনি সালাত পড়িলেন এবং আমরাও তাহার সহিত সালাত পড়িলাম তখন তিনি বলিলেন হে উম্মে হানী আমি তোমাদের সহিত ইশার সালাত পড়িয়াছিলাম এবং এখন ফজরের সালাতও তোমাদের সহিত পড়িলাম। এই সময়ের মধ্যেই আল্লাহ তা’আলা আমাকে বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত পৌছাইয়াছেন এবং পুনরায় তোমাদের নিকট পৌছাইয়া দিয়াছেন । যেমন তুমি দেখিতেছ। কালবী নামক রাবী মুহাদ্দিসিনগণের নিকট বর্জিত । কিন্তু আবূ ইয়ালা তাহার মুসনাদে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আনসারী….উম্মে হানী (রা) হইতে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন এবং অধিক বিস্তারিত বর্ণনা করিয়াছেন। হাফিয আবুল কাসেম তবরানী আব্দুল আ’লা ইবনে আব্দুল মুসাভির…. হযরত উম্মে হানী হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মি’রাজের রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সা) আমার ঘরে ছিলেন। অতঃপর আমি তাহাকে না পাইয়া বড়ই অস্থির হইলাম এবং আমার বিনিদ্ররাত্র অতিবাহিত করিলাম ভয় হইল, কুরাইশরা তাহাকে কোন বিপদে ফেলে নাই

উম্মেহানী 7

তাফসীরে মাযহারী

একই কথা বর্ণিত আছে তাফসীরে মাযহারীতে, [6]

উম্মেহানী 9

আসুন তাফসীরে মাযহারী থেকে আরও পড়ি, [7]

উম্মেহানী 11
উম্মেহানী 13

তাফসীরে জালালাইন

একই বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাফসীরে জালালাইনে [8]

উম্মেহানী 15

তাফসীরে মা’আরেফুল কোরআন

একই বর্ণনা পাওয়া যায় পাকিস্তানের প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা মুহাম্মদ শফী লিখিত তাফসীরে মা’আরেফুল কোরআন থেকেও [9]

উম্মেহানী 17

মুখতাসার যাদুল মা’আদ

এবারে আসুন ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রচিত মুখতাসার যাদুল মা’আদ গ্রন্থ থেকে একটি দলিল দেখে নিই, যেখানে দেখা যাচ্ছে, মিরাজ থেকে ফেরার পরে উম্মে হানীর সাথে তার দেখা এবং উম্মে হানীকেই তিনি ঘটনাটি প্রথম খুলে বলেন [10]

উম্মেহানী 19

সিরাতে রাসুলাল্লাহ – ইবনে ইসহাক

এবারে আসুন প্রথমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত সিরাতে রাসুলাল্লাহ গ্রন্থ থেকে বিবরণটি দেখে নিই, [11]

রাসুলে করিমের (সা.) মিরাজ সম্পর্কে উম্মে হানী বিনতে আবু তালিব ওরফে হিন্দের কাছ থেকে কিছু বর্ণনা আমি পেয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমার বাড়িতে থাকা অবস্থায়ই তিনি মিরাজে গেছেন, অন্য কোনো খান থেকে যাননি। সে রাতে তিনি আমার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। সে রাতে তিনি এশার নামাজ পড়ে ঘুমাতে গেলেন। আমরাও ঘুমিয়ে পড়লাম। ভোরের একটু আগে রাসুলে করিম (সা.) আমাদের জাগিয়ে দিলেন। আমরা ফজরের নামাজ পড়লাম। তারপর তিনি বললেন, “উম্মে হানি, কালকে তো এইখানে এই উপত্যকায় আপনাদের সঙ্গে আমি এশার নামাজ পড়লাম। সে তো আপনি দেখেছিলেন। তারপর আমি জেরুজালেমে গেলাম এবং ওখানে নামাজ পড়লাম। আবার এখানে আমি এক্ষনি আপনাদের সঙ্গে ফজরের নামাজ পড়লাম, এই যেমন দেখলেন । তিনি বাইরে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াতেই আমি তাঁর জামা চেপে ধরলাম, তাতে টান লেগে তাঁর পেট উদাম হয়ে গেল, যেন আমি এক ভাঁজ করা মিসরীর কাপড় ধরে টেনেছিলাম। আমি বললাম, রাসুলুল্লাহ, এ কথা কাউকে যেন বলবেন। না, ওরা বলবে এটা মিথ্যা কথা, আপনাকে তারা অপমান করবে।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কসম, তাদের আমি বলবই।’

উম্মেহানী 21

সীরাতুন নবী – ইবন হিশাম

এবারে আসুন দেখি ইবনে হিশামের সীরাতুন নবী গ্রন্থে কী বলা, [12]

উম্মেহানী 23

তাফসীরে ইবনে আব্বাস

এবারে আসুন তাফসীরে ইবনে আব্বাস থেকে একটি পাতার কিছু অংশ পড়ে নেয়া যাক [13]

উম্মেহানী 25

সৌদি সরকারের হজ্ব ও ওমরা গাইড

এবারে আসুন সৌদি সরকার দ্বারা প্রকাশিত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড থেকে দেখে নিই, যেই বইটই সৌদি সরকার বিনামূল্যে বিতরণের জন্য দেয় [14]

উম্মেহানী 27
উম্মেহানী 29

উপসংহার

বর্তমান সময়ে অনেক ইসলামিক এপোলোজিস্টই মেরাজের এই ঘটনা অস্বীকার করার জন্য উম্মে হানীর ঘরে থাকার ব্যাপারটি পুরোপুরি অস্বীকার করে। তারা এই কাজটি করেন নবী মুহাম্মদের চরিত্র রক্ষার চেষ্টা হিসেবে, তা আমরা ভালভাবেই বুঝি। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে ইসলামের পুরনো যুগের আলেমগণ এই বিষয়টি তেমন কেউই অস্বীকার করেননি। বড়জোর অনেকে বলেছেন নবী সেই সময়ে কাবার হাতিমে বা আশেপাশে ছিলেন। কিন্তু কাবা এবং উম্মে হানির ঘরের অবস্থান লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, সেটি খুব বেশি দূরত্বে ছিল না। মাত্র কয়েক কদমের দূরত্ব। তাই মেরাজের রাতে মুহাম্মদ উম্মে হানীর ঘরে ছিলেন না, এটি পরিষ্কারভাবেই তথ্যের বিকৃতি এবং অসত্য তথ্য।


তথ্যসূত্রঃ
  1. কুরআনের তরজমা ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর, ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া, দ্বিতীয় খণ্ড, বাদশাহ্‌ ফাহ্দ কুরআন মুদ্রণ কমপ্রেক্স, পৃষ্ঠা ৯৫৯ ↩︎
  2. কুরআনের তরজমা ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর, ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া, দ্বিতীয় খণ্ড, বাদশাহ্‌ ফাহ্দ কুরআন মুদ্রণ কমপ্রেক্স, পৃষ্ঠা ১৪৬৬ ↩︎
  3. The Life Of Mohammed, Guillaume, Page 184 ↩︎
  4. বোখারী শরীফ বাঙলা তর্জমা ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা, সীরাতুন নবী সঙ্কলন, মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী, পঞ্চম খণ্ড, হামিদিয়া লাইব্রেরী, ১৯৭৭-৭৮ সালে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ৫০৭ ↩︎
  5. তাফসির ইবন কাসির, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৫১ ↩︎
  6. তাফসীরে মাযহারী, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৮৮ ↩︎
  7. তাফসীরে মাযহারী, সপ্তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৬, ১৭ ↩︎
  8. তাফসীরে জালালাইন, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬৫০ ↩︎
  9. তাফসীরে মা’আরেফুল কোরআন, মাওলানা মুহাম্মদ শফী, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৯৬ ↩︎
  10. মুখতাসার যাদুল মা’আদ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম, পৃষ্ঠা ২১৭ ↩︎
  11. সিরাতে রাসুলাল্লাহ (সাঃ), অনুবাদ, শহীদ আখন্দ, প্রথমা প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ২১৮ ↩︎
  12. সীরাতুন নবী (সা.), ইবন হিশাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৬ ↩︎
  13. তাফসীরে ইবনে আব্বাস, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৩২ ↩︎
  14. হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড, ইসলাম হাউজ থেকে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ↩︎