নবী আক্রমণের হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠাতো

ভূমিকা

ঐতিহাসিকভাবে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের আলোচনায় ‘দাওয়াত’ বা ইসলামি আমন্ত্রণের একটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে নবী মুহাম্মদের মদিনা জীবনের শেষভাগে বিভিন্ন অঞ্চলের রাজা ও সম্রাটদের কাছে প্রেরিত চিঠিগুলো পর্যালোচনা করলে এর ভিন্ন একটি চিত্র ফুটে ওঠে। চিঠিগুলোকে ইসলামের শান্তির দাওয়াত হিসেবে না দেখে একটু গভীর বিশ্লেষণ করলেই দেখা যায়, সেগুলো ছিল খুব পরিষ্কার হুমকি। এমনকি, আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হুমকি নয়, সরাসরি দুনিয়াবি আক্রমণের হুমকি। বিশেষ করে হিজরি ৮ম সনের দিকে যখন মক্কার ওপর মুসলিমদের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, মুহাম্মদের দলে প্রচুর যোদ্ধা যোগ দেয়, তখন থেকে বিভিন্ন দূরবর্তী অঞ্চলে প্রেরিত বার্তাগুলোতে ধর্মীয় আহ্বানের চেয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি প্রদর্শনের ভাষা প্রবল হয়ে ওঠে। এই প্রবন্ধের লক্ষ্য হলো ওমানের শাসকদের কাছে প্রেরিত চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এটি বিশ্লেষণ করা যে, এই পত্রগুলো কি কেবল ধর্মীয় আহ্বান ছিল, নাকি এটি ছিল এমন এক সম্প্রসারণবাদী নীতি যেখানে কোনরূপ উস্কানি ছাড়াই দূরবর্তী জনপদকে যুদ্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।


ওমানের শাসকদের প্রতি প্রেরিত চিঠিঃ একটি কেস স্টাডি

মক্কা বিজয়ের পর মুহাম্মদ আরবের বিভিন্ন প্রান্তে এবং আরবের বাইরেও দূত পাঠান। ওমানের তৎকালীন দুই ভাই ও সহ-শাসক—জায়ফর বিন জুলান্দা এবং আবদ বিন জুলান্দার কাছে আমর ইবনুল আস [রা.]-এর মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এই চিঠির ভাষা ছিল অত্যন্ত কঠোর এবং দ্ব্যর্থহীন। চিঠির মূল বয়ানটি নিম্নরূপ: [1]

‘… আব্দুল্লাহর পুত্র মুহাম্মাদের পক্ষ হ’তে জুলান্দা আযদীর দুই পুত্র জায়ফার ও আব্দের প্রতি। শান্তি বর্ষিত হৌক ঐ ব্যক্তির উপরে যিনি হেদায়াতের অনুসরণ করেন। অতঃপর আমি আপনাদের দু’জনকে ইসলামের দিকে আহবান জানাচ্ছি। আপনারা ইসলাম কবুল করুন, নিরাপদ থাকুন। আমি সমগ্র মানবজাতির প্রতি আল্লাহর রাসূল হিসাবে প্রেরিত হয়েছি, যাতে আমি জীবিতদের সতর্ক করি এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। অতঃপর যদি আপনারা ইসলাম কবুল করেন, তবে আপনাদেরকেই আমি গবর্ণর নিযুক্ত করে দেব। আর যদি ইসলাম কবুলে অস্বীকার করেন, তাহ’লে আপনাদের রাজত্ব শেষ হয়ে যাবে। আমার ঘোড়া আপনাদের এলাকায় প্রবেশ করবে ও আমার নবুঅত আপনাদের রাজ্যে বিজয়ী হবে’।

ওমানের সম্রাটের নিকট নবী মুহাম্মদের হুমকি দিয়ে চিঠি

এবারে আসুন আর রাহীকুল মাখতুম গ্রন্থ থেকে দেখি, [2]

চিঠি

চিঠির ভাষা ও সামরিক হুমকি বিশ্লেষণ

ওমানের শাসকদের কাছে প্রেরিত মুহাম্মদের এই চিঠির শব্দচয়ন ও বাক্য গঠন বিশ্লেষণ করলে একটি প্রচ্ছন্ন সামরিক শ্রেষ্ঠত্ববাদ ও সাম্রাজ্যবাদী আল্টিমেটাম স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চিঠিতে ব্যবহৃত ‘আসলাম, তাসলাম’ (ইসলাম কবুল করুন, নিরাপদ থাকুন)—এই সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ শব্দবন্ধটি কেবল একটি ধর্মীয় আমন্ত্রণ ছিল না। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় কূটনৈতিক পরিভাষায় এটি ছিল একটি দ্ব্যর্থহীন হুমকি; যার সহজ অর্থ হলো—নিরাপত্তা কেবল ইসলামের ছায়াতলেই সম্ভব, এর বাইরে গেলেই জীবনের ও সম্পদের নিরাপত্তা বিপন্ন হবে। এই চিঠির প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, এটি কোনো কোমল অনুরোধ ছিল না, বরং ছিল একটি চূড়ান্ত রাজনৈতিক হুমকি।

এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো ‘সার্বভৌমত্বের বিলোপ’। চিঠিতে সরাসরি বলা হয়েছে, “যদি আপনারা ইসলাম কবুলে অস্বীকার করেন, তাহলে আপনাদের রাজত্ব শেষ হয়ে যাবে”। এটি কোনো পরকালীন শাস্তির ভয় দেখানো নয়, বরং ইহজাগতিক ক্ষমতার মসনদ কেড়ে নেওয়ার একটি পরিষ্কার ঘোষণা। তৎকালীন ওমান মদিনার ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য কোনো সামরিক হুমকি (Threat) ছিল না, এমনকি তাদের সাথে মুসলিমদের কোনো পূর্বশত্রুতা বা সীমান্ত সংঘাতের ইতিহাসও ছিল না। তাসত্ত্বেও “আমার ঘোড়া আপনাদের এলাকায় প্রবেশ করবে”—এই বাক্যটি সরাসরি একটি সার্বভৌম ভূখণ্ডে আগ বাড়িয়ে সামরিক আগ্রাসনের বার্তা দেয়। রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যখন একটি উদীয়মান শক্তি কোনো অহিংস ও অ-উস্কানিমূলক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করে, তখন তাকে ‘প্রি-এমপ্টিভ অ্যাটাক’ বা ‘আগ্রাসনমূলক বিস্তার’ হিসেবেই গণ্য করা হয়। এই ভাষ্যটি প্রমাণ করে যে, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার কেবল যুক্তিবাদী প্রচারের ওপর নির্ভর করেনি, বরং মদিনার কেন্দ্রীয় শক্তির আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষাও সেখানে সমান্তরালভাবে সক্রিয় ছিল।


আধুনিক প্রেক্ষাপটে তুলনা ও নৈতিক পর্যালোচনা

আধুনিক আন্তর্জাতিক আইন এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের (Sovereignty) মানদণ্ডে মুহাম্মদের এই কূটনৈতিক আচরণটি বিশ্লেষণ করলে এর অনৈতিক এবং আগ্রাসী রূপটি আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। বর্তমান বিশ্বে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অন্য একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি (Non-interference policy) মেনে চলে। কিন্তু মুহাম্মদের প্রেরিত এই চিঠিতে দেখা যায়, তিনি কেবল ধর্মীয় আদর্শ প্রচারেই ক্ষান্ত হননি, বরং সরাসরি অন্য একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণের হুমকি দিয়েছেন। একে আধুনিক রাজনৈতিক বিজ্ঞানের ভাষায় ‘মাফিয়া স্টাইল ডিপ্লোমেসি’ বলা যেতে পারে, যেখানে একজন শক্তিশালী নেতা অপেক্ষাকৃত দুর্বল বা নিরীহ পক্ষকে এই শর্ত দেন যে—“আমার বশ্যতা স্বীকার করো, তাহলে তোমাকে রক্ষা করবো; অন্যথায় তোমাকে ধ্বংস করে দেবো”

বিষয়টিকে আরও সহজভাবে বোঝার জন্য একটি সমসাময়িক উদাহরণের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, ভারতের কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে এই মর্মে একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠালেন যে, “আপনাকে এবং আপনার জনগণকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করতে হবে; যদি আপনারা এই আদর্শ গ্রহণ করেন তবেই আপনাদের ক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে, অন্যথায় আমি আমার বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে আপনাদের সীমানায় প্রবেশ করবো এবং আপনাদের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব মুছে দেবো”—তবে বিশ্ববিবেক একে কোনোভাবেই ‘শান্তির আহ্বান’ হিসেবে গ্রহণ করবে না। বরং এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর বর্বর আগ্রাসন হিসেবে নিন্দিত হবে। মুহাম্মদের ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য। ওমান তখন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র ছিল, যারা কোনোভাবেই মদিনার জন্য সামরিক বা রাজনৈতিক হুমকি ছিল না। এমতাবস্থায় কেবল নিজস্ব মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং আনুগত্য আদায়ের জন্য এমন সামরিক হুমকি প্রদান করা কোনোভাবেই একটি সভ্য ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণের পরিচায়ক হতে পারে না। এটি মূলত ধর্মীয় আবরণে একটি সুপরিকল্পিত আধিপত্যবাদী নীতি বা গুণ্ডারাজ কায়েম করার নামান্তর।


রাজনৈতিক আধিপত্য ও ‘জিজিয়া’র অর্থনীতি

মুহাম্মদের এই পত্রালাপের উদ্দেশ্য কেবল ‘আত্মার মুক্তি’ বা পরলৌকিক কল্যাণ ছিল না; এর সমান্তরালে ছিল একটি অত্যন্ত নিপুণ রাজনৈতিক আধিপত্য এবং অর্থনৈতিক শোষণের পরিকল্পনা। ওমান তৎকালীন সময়ে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল। ভারত, পারস্য এবং আবিসিনিয়ার মধ্যকার সমুদ্র বাণিজ্যের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ওমানের বন্দরগুলোর (যেমন সোহর) ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। নবী মুহাম্মদের প্রেরিত চিঠিতে যখন বলা হয়, “আপনারা ইসলাম কবুল করলে আমি আপনাদেরকেই গভর্নর নিযুক্ত করব”, তখন কার্যত তাদের ওপর একটি কর-নির্ভর রাজনৈতিক কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া হয়। ‘যাদুল মাআদ’ এবং ‘আর রাহিকুল মাখতুম’ উভয় গ্রন্থেই উল্লেখ আছে যে, ওমানের শাসকরা ইসলাম গ্রহণের পর আমর ইবনুল আসকে সেখানে যাকাত ও সদকা সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এখানে একটি গভীর বিশ্লেষণের দিক হলো—যদিও ওমানের শাসকরা ইসলাম গ্রহণ করায় সরাসরি ‘জিজিয়া’র (অমুসলিমদের কর) অধীনে আসেননি, কিন্তু তারা ‘যাকাত’ ও ‘উশর’ প্রদানের মাধ্যমে মদিনার কেন্দ্রীয় কোষাগার বা ‘বাইতুল মাল’-কে সমৃদ্ধ করতে বাধ্য হন। এটি ছিল মূলত ‘প্রোটেকশন মানি’ বা বশ্যতা স্বীকারের একটি অর্থনৈতিক সংস্করণ। চিঠিতে পরিষ্কার শর্ত ছিল: যদি তারা ইসলাম গ্রহণ না করতো, তবে যুদ্ধের মাধ্যমে তাদের সম্পদ লুণ্ঠন করা হতো (গনিমত) এবং পরবর্তীতে তাদের ওপর অপমানজনক জিজিয়া কর চাপিয়ে দেওয়া হতো। অর্থাৎ, মুহাম্মদের এই দাওয়াতের পেছনে একটি পরিষ্কার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছিল—হয় স্বেচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তন করে কর প্রদান করো, নয়তো যুদ্ধের মাধ্যমে সম্পদ হারানো এবং জবরদস্তিমূলক করের (জিজিয়া) শৃঙ্খলে আবদ্ধ হও। এই পুরো প্রক্রিয়াটি প্রমাণ করে যে, নবী এমন সব অঞ্চলকে টার্গেট করতেন যাদের কোনো উস্কানি ছিল না, কিন্তু যাদের অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব মদিনার উদীয়মান সাম্রাজ্যের জন্য অত্যন্ত লোভনীয় ছিল। মূলত ধর্মকে এখানে একটি ‘টুল’ বা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দূরবর্তী স্বাধীন জনপদগুলোকে মদিনার অর্থনৈতিক উপনিবেশে পরিণত করার এক আদিম রূপ আমরা দেখতে পাই।


উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, ওমানের দুই শাসকের কাছে প্রেরিত মুহাম্মদের এই চিঠিটি ইসলামের প্রাথমিক যুগের রাজনৈতিক ও সামরিক দর্শনের একটি অকাট্য দলিল। তথাকথিত ‘শান্তির ধর্ম’ এবং ‘আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ’ (Defensive Jihad)-এর যে আধুনিক বয়ান বর্তমানে প্রচার করা হয়, এই চিঠিটি তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে। ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণ এবং চিঠির কঠোর ভাষা দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণ করে যে, ইসলামের বিস্তার কেবল আধ্যাত্মিক বা নৈতিক প্রচারের মাধ্যমে ঘটেনি। বরং এর মূলে ছিল একটি সুপরিকল্পিত সামরিক ভীতি এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর আগ বাড়িয়ে কর্তৃত্ব স্থাপনের এক সাম্রাজ্যবাদী আকাঙ্ক্ষা। ওমান বা পারস্যের মতো দূরবর্তী অঞ্চলগুলো মদিনার জন্য কোনো তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল না, তবুও তাদের বিরুদ্ধে “রাজত্ব শেষ করে দেওয়া” বা “ঘোড়া নিয়ে আক্রমণ করা”র যে হুমকি মুহাম্মদ দিয়েছিলেন, তা কোনোভাবেই আত্মরক্ষার সংজ্ঞায় পড়ে না।

সফিউর রহমান মোবারকপুরীর ‘আর রাহিকুল মাখতুম’ এবং ইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়াহর ‘যাদুল মাআদ’-এর মতো নির্ভরযোগ্য ইসলামি উৎসগুলো থেকেই এটি স্পষ্ট যে, এই পত্রগুলো ছিল মূলত একটি ‘এক্সপ্যানশনিস্ট’ বা সম্প্রসারণবাদী নীতির বহিঃপ্রকাশ। নবী মুহাম্মদ এখানে কোনো আক্রান্ত পক্ষ হিসেবে নয়, বরং একজন শক্তিশালী আক্রমণকারী ও থ্রেটদাতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। আধুনিক সভ্যতার মানদণ্ড, আন্তর্জাতিক আইন কিংবা নৈতিক ন্যায়বিচারের যুক্তিতে কোনো উস্কানি ছাড়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে ধর্ম পরিবর্তনের শর্তে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দেওয়া চরম অসভ্যতা এবং অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে। সুতরাং, ইতিহাসের নির্মোহ ও যৌক্তিক বিশ্লেষণ এটাই দাবি করে যে, ইসলামের প্রাথমিক বিজয়গুলো কোনো স্বর্গীয় অলৌকিকতা বা কেবল আদর্শিক শ্রেষ্ঠত্বের ফল ছিল না; বরং তা ছিল উন্নত সামরিক শক্তি এবং বশ্যতা স্বীকার না করলে সমূলে বিনাশ করার এক কঠোর ও আগ্রাসী রাজনীতির অনিবার্য ফলাফল।


তথ্যসূত্রঃ
  1. নবীদের কাহিনী-৩, সীরাতুর রাসূল(ছাঃ), মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব, হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, পৃষ্ঠা ৪৭৮ ↩︎
  2. আর রাহীকুল মাখতুম, আল কোরআন একাডেমী, পৃষ্ঠা ৩৭০ ↩︎