রাস্তায় নারী দেখে নবীর নিয়ন্ত্রণহীন উত্তেজনা ও তা প্রশমনের সুন্নত

ভূমিকাঃ আদর্শিক নেতার নৈতিক মানদণ্ড

সভ্যতা ও বন্যতার মধ্যে মৌলিক পার্থক্যরেখাটি টানা হয় মানুষের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। আদিম সমাজে যেখানে জৈবিক তাড়নাই ছিল আচরণের প্রধান চালিকাশক্তি, আধুনিক ও সুশীল সমাজে সেখানে স্থান করে নিয়েছে যুক্তি, ধৈর্য এবং আত্মসংযম। বিশেষ করে যৌনতা, যা মানুষের অন্যতম শক্তিশালী আদিম প্রবৃত্তি, তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারাই একজন ‘সভ্য’ মানুষের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি একটি জনসমষ্টির আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পথপ্রদর্শক বা ‘নবী’ হিসেবে নিজেকে দাবি করেন, তখন তার কাছে প্রত্যাশার পারদ থাকে সর্বোচ্চ। তার প্রতিটি আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রাত্যহিক জীবনের ঘটনাপ্রবাহ অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ (Role Model) হিসেবে উপস্থাপিত হয়। তবে ইসলামের নির্ভরযোগ্য উৎসগ্রন্থ হাদিসের বর্ণনা মুহাম্মদের যৌন আচরণ এবং নারী সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এমন কিছু তথ্য প্রদান করে, যা আধুনিক নৈতিকতা, লিঙ্গীয় সমতা এবং আত্মসংযমের ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক। এই প্রবন্ধে আমরা আলোচনা করবো কীভাবে জনৈক নারীর উপস্থিতি এবং তৎক্ষণাৎ যৌন আকাঙ্ক্ষা মেটানোর তাড়না একজন মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক উচ্চতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।


হাদিসের বিবরণঃ নারী শয়তানের বেসে আসে?

আসুন হাদিসগুলো পড়ি, [1] [2]

সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ
পরিচ্ছদঃ ২. কোন মহিলাকে দেখে কোন পুরুষের মনে যৌন কামনা জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে অথবা ক্রীতদাসীর সাথে গিয়ে মিলিত হয়
৩২৯৮-(৯/১৪০৩) আমর ইবনু আলী (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলাকে দেখলেনতখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব এর নিকট আসলেন। তিনি তখন তার একটি চামড়া পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর বের হয়ে সাহাবীগণের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়ত্বানের বেশে এবং ফিরে যায় শায়ত্বানের বেশে। অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩২৭৩, ইসলামীক সেন্টার ৩২৭১)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ১৭। বিবাহ
পরিচ্ছদঃ ২. কোন মহিলাকে দেখে কোন পুরুষের মনে যৌন কামনা জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে অথবা ক্রীতদাসীর সাথে গিয়ে মিলিত হয়
৩৩০০-(১০/…) সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কারো যদি কোন স্ত্রীলোক দেখে মনে কিছু উদয় হয় তখন সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে এবং তার সাথে মিলিত করে। এতে তার মনে যা আছে তা দূর করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৭৫, ইসলামীক সেন্টার ৩২৭৩)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)


প্রবৃত্তির তাড়না বনাম আত্মসংযমঃ সভ্য মানুষের দায়বদ্ধতা

সভ্যতার ক্রমবিকাশে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির অন্যতম স্মারক হলো তার জৈবিক প্রবৃত্তিকে সামাজিক ও নৈতিক কাঠামোর অধীনে আনা। একজন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেও প্রত্যাশা করা হয় যে, তিনি প্রকাশ্য স্থানে কোনো আকর্ষণীয় ব্যক্তিকে দেখে নিজের যৌন উত্তেজনা সংবরণ করবেন এবং তা সামাজিক শিষ্টাচারের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখবেন। কিন্তু সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় মুহাম্মদের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা এই ন্যূনতম সংযমের ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করে। সেখানে দেখা যায়, রাস্তায় কোনো নারীকে দেখে মুহাম্মদের মনে তীব্র কামনার উদ্রেক হয় এবং তিনি সেই মুহূর্তেই বাড়ি ফিরে তার স্ত্রী জয়নাবের সাথে মিলিত হয়ে সেই উত্তেজনা প্রশমন করেন।

এই ঘটনার গভীরতর বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি মৌলিক নৈতিক প্রশ্ন সামনে আসে। প্রথমত, একজন আদর্শিক নেতা বা আধ্যাত্মিক পুরুষের জন্য কি এটি স্বাভাবিক যে, তিনি পরস্ত্রী বা অচেনা কোনো নারীকে দেখে এতটাই কামাতুর হয়ে পড়বেন যে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে হবে? উদাহরণস্বরূপ, একজন আধুনিক পেশাজীবী বা শিক্ষক যদি তার কর্মস্থলে বা রাস্তায় কাউকে দেখে উত্তেজিত হয়ে কাজ ফেলে নিজ সঙ্গীর কাছে ছুটে যান, তবে তাকে কি আমরা ‘সভ্য’ বা ‘মানসিকভাবে স্থিতধী’ বলব? সমাজ তাকে বরং কামাসক্ত বা প্রবৃত্তির দাস হিসেবেই চিহ্নিত করবে। অথচ ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, নবীর চরিত্র হলো ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’ বা সর্বোত্তম আদর্শ। যদি একজন নবীর পক্ষেই পরনারীকে দেখে নিজের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে তার সাধারণ অনুসারীদের কাছ থেকে পবিত্রতা ও আত্মসংযমের প্রত্যাশা করা কতটা যৌক্তিক? এখানে ‘সভ্যতা’ বলতে যে মানসিক স্থিরতা ও ইন্দ্রিয়জ নিগ্রহকে বোঝানো হয়, মুহাম্মদের এই আচরণে তার চরম অভাব পরিলক্ষিত হয়।


নারীর বস্তুগত রূপান্তর এবং ‘শয়তানের বেশে’ উপস্থাপনা

হাদিসে বর্ণিত মুহাম্মদের এই আচরণ কেবল ব্যক্তিগত যৌন আবেগের প্রকাশ নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে আছে নারীর প্রতি এক গভীর নেতিবাচক এবং অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। উক্ত ঘটনায় মুহাম্মদ জনৈক নারীকে দেখে উত্তেজিত হওয়ার পর অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে”। একজন সভ্য এবং বিবেকবান মানুষের জন্য এই উক্তিটি চরমভাবে অবমাননাকর। এখানে পুরুষ নিজের যৌন কামনার দায়ভার নিজে গ্রহণ না করে বরং নারীর অস্তিত্বকেই ‘শয়তানি’ প্ররোচনা হিসেবে চিহ্নিত করছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি নারীকে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে স্বীকার করার পরিবর্তে তাকে কেবল প্রলোভনের আধার বা ‘যৌন বস্তু’ (Sexual Object) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে।

একটু গভীরে গিয়ে কল্পনা করুন, আপনার সঙ্গী বা স্ত্রী আপনার সাথে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে লিপ্ত, কিন্তু সেই মুহূর্তের শারীরিক উত্তেজনার উৎস আপনি নন, বরং রাস্তায় দেখা অন্য কোনো পুরুষ যাকে দেখে তিনি কামাতুর হয়েছেন। বিষয়টি আপনার জন্য যেমন গভীর অপমানের এবং মর্যাদাহানিকর, একজন নারীর জন্যও তা সমানভাবে অসম্মানজনক। মুহাম্মদ যখন অন্য নারীকে দেখে উত্তেজিত হয়ে বাড়ি ফিরে স্ত্রী জয়নাবের সাথে মিলিত হন, তখন জয়নাব সেখানে কেবল একজন ‘কামনা মেটানোর যন্ত্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। জয়নাব তখন চামড়া পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত ছিলেন, অর্থাৎ তার নিজস্ব ইচ্ছা বা মানসিক প্রস্তুতির চেয়ে মুহাম্মদের তাৎক্ষণিক যৌন আকাঙ্ক্ষা মেটানোই ছিল মুখ্য। এটি পরিষ্কারভাবে প্রমাণ করে যে, এই সম্পর্কে নারীর মানবিক সত্তা বা পারস্পরিক আবেগের চেয়ে পুরুষের জৈবিক তাড়না চরিতার্থ করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একজন সভ্য মানুষ কি তার সঙ্গীকে এভাবে কেবল কামতৃপ্তির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন? আধুনিক নীতিশাস্ত্রে একেই ‘অবজেক্টিফিকেশন’ বলা হয়, যা মানুষের মৌলিক মর্যাদাকে অস্বীকার করে।


অনুসারীদের জন্য প্রদত্ত উপদেশঃ প্রবৃত্তির দাসত্ব বনাম নৈতিক আদর্শ

মুহাম্মদের এই ব্যক্তিগত আচরণ কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই থেকে যায়নি, বরং তিনি এটিকে তার অনুসারীদের জন্য একটি সাধারণ নীতি বা ‘জীবনবিধান’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “তোমাদের কেউ কোনো স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়” । একজন বিশ্বজনীন নেতার কাছ থেকে এমন উপদেশ কি যৌক্তিক? নৈতিকতার বিচারে, এই ধরনের পরামর্শ মানুষকে আত্মসংযমের শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে বরং প্রবৃত্তির কাছে নতি স্বীকার করতেই উৎসাহিত করে। একজন সভ্য মানুষের বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত নিজের কামজ উত্তেজনাকে যুক্তিবোধ ও মানসিক দৃঢ়তা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা, কিন্তু এখানে সমাধান হিসেবে দেওয়া হয়েছে তাৎক্ষণিক যৌন মিলন।

এই উপদেশের সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি নারীকে একজন স্বাধীন সত্তা থেকে নামিয়ে কেবল পুরুষের ‘যৌন উপশমকারী’ (Sexual Reliever) হিসেবে সাব্যস্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো পুরুষ রাস্তায় কোনো সুন্দরী নারীকে দেখে কামাতুর হয়ে হন্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরে তার স্ত্রীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তবে সেই স্ত্রীর মর্যাদা কোথায় থাকে? সেখানে স্ত্রী কোনো প্রেমের সঙ্গী নন, বরং তিনি পরনারীকে দেখে জন্মানো উত্তেজনার এক প্রকার ‘বিকল্প আধার’ মাত্র। এটি কেবল স্ত্রীর প্রতি অসম্মান নয়, বরং পুরুষের নিজের চরিত্রের দুর্বলতাকেও প্রকট করে তোলে। একজন সভ্য মানুষ মানেই যিনি তার আদিম প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম; কিন্তু এখানে শেখানো হচ্ছে যে, উত্তেজনা জাগলেই তা মেটাতে হবে, তা সে যার ওপরই হোক—স্ত্রী বা ক্রীতদাসী। এই মানসিকতা কি একজন নৈতিক নেতার জন্য শোভন, না কি এটি আদিম অসভ্য কামুকতারই এক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ? এই ধরনের উপদেশ কি আধুনিক যুগে কোনো সভ্য সমাজ গ্রহণ করতে পারে, যেখানে নারীর মর্যাদা ও পুরুষের আত্মসংযম সমান্তরালভাবে চলার কথা?


উপসংহারঃ সভ্যতার মানদণ্ডে নবীর আচরণের চূড়ান্ত মূল্যায়ন

পরিশেষে বলা যায়, সভ্যতা ও সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো মানুষের আদিম প্রবৃত্তির ওপর যুক্তিবোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের বিজয়। একজন সাধারণ মানুষ যখন জনসমক্ষে নিজের কামজ উত্তেজনা সংবরণ করতে পারেন না বা সেই উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে তাৎক্ষণিক যৌন মিলনের তাড়না অনুভব করেন, তখন তাকে মানসিকভাবে অসংযমী হিসেবেই গণ্য করা হয়। সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় মুহাম্মদের যে আচরণ ফুটে উঠেছে, তা কেবল একজন ‘সভ্য’ মানুষের সংজ্ঞাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং একজন নৈতিক নেতার আদর্শিক উচ্চতাকেও ধূলিসাৎ করে দেয়। একজন নবী, যাকে অনুসারীরা পবিত্রতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার সর্বোচ্চ শিখর মনে করেন, তার যদি পরনারীকে দেখে নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং সেই উত্তেজনা প্রশমনে নিজ স্ত্রীকে কেবল একটি ‘বস্তু’ হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, তবে সেই আদর্শের নৈতিক ভিত্তি অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

নারীকে ‘শয়তানের রূপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা এবং পরনারীকে দেখে জাগ্রত কামনার দায় স্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া—এই দৃষ্টিভঙ্গি আধুনিক মানবিক মূল্যবোধ ও নারী অধিকারের চরম পরিপন্থী। এটি প্রমাণ করে যে, এই জীবনদর্শনে নারীর নিজস্ব কোনো স্বতন্ত্র মর্যাদা নেই; তিনি পুরুষের জৈবিক ক্ষুধা নিবারণের একটি মাধ্যম মাত্র। একজন প্রকৃত সভ্য মানুষ সেটিই, যিনি নিজের চোখের দৃষ্টি এবং মনের ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে জানেন, অন্যের ওপর তার প্রক্ষেপণ করেন না। মুহাম্মদের এই আচরণ ও উপদেশ বিশ্লেষণ করলে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, এখানে আত্মসংযমের চেয়ে প্রবৃত্তির চরিতার্থতাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই একজন কালজয়ী নৈতিক নেতার উপযুক্ত আচরণ হতে পারে না। শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন থেকেই যায়—যে আচরণ একজন সাধারণ সভ্য মানুষের জন্য অশোভন, তা কীভাবে একজন আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকের জন্য অনুকরণীয় ‘সুন্নাহ’ হতে পারে?


তথ্যসূত্রঃ
  1. সহীহ মুসলিম, হাদীস একাডেমী, হাদিসঃ ৩২৯৮ ↩︎
  2. সহীহ মুসলিম, হাদীস একাডেমী, হাদিসঃ ৩৩০০ ↩︎