কোরআনের ছাগলে খাওয়া হারিয়ে যাওয়া আয়াত – যা আর পাওয়া গেল না

ভূমিকা

ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, কোরআন কোনো এককালীন অবতীর্ণ গ্রন্থ নয়, বরং ২৩ বছর ধরে চলা একটি প্রক্রিয়া। তবে এই প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঠিক কখন ঘটেছিল, তা নিয়ে ঐতিহাসিক বর্ণনায় ভিন্নতা পাওয়া যায়। সহিহ মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, নবীর ইন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত ওহী অবতীর্ণ হওয়ার ধারা অত্যন্ত তীব্র ছিল এবং এমনকি তার মৃত্যুর দিনেও অনেক ওহী অবতীর্ণ হয়েছিল।

যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। যদি নবীর মৃত্যুর দিন পর্যন্ত ওহী অবতীর্ণ হতে থাকে, তবে সেই সর্বশেষ বাণীগুলো যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ বা মুখস্থ করার জন্য সাহাবীরা কতটা সময় পেয়েছিলেন? মৃত্যুর দিনটি তো রাজনৈতিকভাবে খুব উত্তপ্ত পরিস্থিতির দিন ছিল, তাহলে সেই দিন সাহাবীরা কীভাবে সেগুলো লিপিবদ্ধ করেছিলেন? একটি গ্রন্থ যখন তার রচয়িতা বা বাহকের জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সম্পাদিত (Edited) হতে থাকে, তখন তার চূড়ান্ত একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন’ তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন। নবীর মৃত্যুর পর ওহীর এই আকস্মিক সমাপ্তি এবং তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে কিছু আয়াত যে মূল সংকলন থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে, তার একটি যৌক্তিক ভিত্তি হাদিসগ্রন্থগুলো থেকেই পাওয়া যায়। সেই বিষয়টির সাথে যখন ছাগলে খাওয়া হারিয়ে যাওয়া আয়াতটির বিবরণ সামনে আসে, তখন কোরআনের সংকলন এবং সংরক্ষণ নিয়ে মারাত্মক সংশয় সৃষ্টি হয়।


মৃত্যুর দিন প্রচুর ওহী নাজিলের ঘটনা

নবীর মৃত্যুর দিন অবধি প্রচুর পরিমাণ ওহী নাজিলের হওয়ার সুস্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়। যেই বর্ণনা কোরআন সংকলনের পদ্ধতি সম্পর্কে একটি জটিল প্রশ্নের জন্ম দেয় [1] [2]

সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)
৫৬। তাফসীর
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই
হাদিস একাডেমি নাম্বারঃ ৭৪১৪, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৩০১৬
৭৪১৪-(২/৩০১৬) আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু বুকায়র আন নাকিদ, হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী ও ’আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ….. আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইন্তিকালের পূর্বে ও ইন্তিকাল পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ধারাবাহিকভাবে ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন সেদিনও তার প্রতি অনেক ওয়াহী অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৩, ইসলামিক সেন্টার ৭২৯৮)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

ছাগলে

হারানো আয়াত ও বাস্তব পরিস্থিতিঃ ঐশ্বরিক সুরক্ষা বনাম জাগতিক দুর্ঘটনা

আয়াত হারিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচাইতে বিতর্কিত ও আলোচিত বর্ণনাটি পাওয়া যায় আয়িশা-এর সূত্রে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘রজম’ (ব্যভিচারের শাস্তি হিসেবে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যু) এবং ‘বয়স্ক লোকের দশ ঢোক দুধপান’ সংক্রান্ত আয়াতগুলো নাযিল হয়েছিল এবং সেগুলো একটি সহীফায় বা কাগজে লিখিত অবস্থায় তার খাটের নিচে সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু নবীর মৃত্যুর পর শোকাতুর পরিবেশে যখন সবাই ব্যস্ত ছিলেন, তখন একটি সাধারণ ছাগল ঘরে ঢুকে সেই কাগজটি খেয়ে ফেলে। এবারে দেখি, সেই বিখ্যাত ছাগলে খেয়ে যাওয়া কোরআনের আয়াতের হাদিসটি [3] [4]

সুনান ইবনু মাজাহ
৯/ বিবাহ
পরিচ্ছেদঃ ৯/৩৬. বয়স্ক লোকে দুধ পান করলে।
২/১৯৪৪’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রজম সম্পর্কিত আয়াত এবং বয়স্ক লোকেরও দশ ঢোক দুধপান সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হয়েছিল, যা একটি সহীফায় (লিখিত) আমার খাটের নিচে সংরক্ষিত ছিল। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন এবং আমরা তাঁর ইন্তিকালে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লাম, তখন একটি ছাগল এসে তা খেয়ে ফেলে।
মাজাহ ১৯৪৪ সহীহুল বুখারী ১৪৫২, নাসায়ী ৩৩০৭, ২০৬২, মুয়াত্তা মালেক ১২৯৩, দারেমী ২২৫৩, তা’লীক ইবনু মাজাহ।
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

বয়ষ্ক লোকের দুধপান

যৌক্তিক বিচারে এখানে একটি গুরুতর তাত্ত্বিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। ইসলামি ধর্মতত্ত্ব দাবি করে যে, কোরআন ‘লওহে মাহফুজে’ সংরক্ষিত এবং পৃথিবী থেকে এর একটি হরফও হারিয়ে যাওয়া অসম্ভব। কিন্তু এই হাদিসটি নির্দেশ করে যে, ওহীর পার্থিব সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক এবং তা সাধারণ জাগতিক দুর্ঘটনার (যেমন একটি গৃহপালিত প্রাণীর ক্ষুধা) শিকার হতে পারত। যদি একটি ছাগল কোরআনের লিখিত আয়াত খেয়ে ফেলার মাধ্যমে তা মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তবে “ঐশ্বরিক সুরক্ষা”র সার্বজনীন দাবিটি তার যৌক্তিক ভিত্তি হারায়। এটি প্রমাণ করে যে, ওহীর সংকলন প্রক্রিয়াটি কোনো অলৌকিক বর্ম দ্বারা সুরক্ষিত ছিল না, বরং তা ছিল সম্পূর্ণভাবে মানুষের ব্যক্তিগত যত্ন এবং তৎকালীন পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল।


রহিতকরণের তত্ত্ব এবং বিদ্যমান বৈপরীত্য

ইসলামি তত্ত্বে কোনো আয়াতের বিধান বা শব্দ পরিবর্তনকে ‘নাসখ’ বা রহিতকরণ বলা হয়। কোরআনের ঘোষণা অনুযায়ী, আল্লাহ কোনো আয়াত রহিত করলে তার পরিবর্তে উত্তম বা সমপর্যায়ের কোনো আয়াত নাযিল করেন। কিন্তু দুধপান সংক্রান্ত আয়াতের ক্ষেত্রে এই রহিতকরণ তত্ত্বটি একটি বড় ধরণের যৌক্তিক গোলকধাঁধা তৈরি করে।[5] [6]

আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে, তাত্থেকে উত্তম কিংবা তারই মত আয়াত নিয়ে আসি, তুমি কি জান না যে, আল্লাহ প্রত্যেক বস্তুর উপর ক্ষমতাবান।
— Taisirul Quran
আমি কোন আয়াতের হুকুম রহিত করলে কিংবা আয়াতটিকে বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তদনুরূপ আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জাননা যে, আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপরই ক্ষমতাবান?
— Sheikh Mujibur Rahman
আমি যে আয়াত রহিত করি কিংবা ভুলিয়ে দেই, তার চেয়ে উত্তম কিংবা তার মত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
— Rawai Al-bayan
আমরা কোনো আয়াত রহিত করলে বা ভুলিয়ে দিলে তা থেকে উত্তম অথবা তার সমান কোনো আয়াত এনে দেই [১] আপনি কি জানেন না যে, আল্লাহ্‌ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
— Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria

আমি যখন এক আয়াতের বদলে অন্য আয়াত নাযিল করি- আর আল্লাহ ভালভাবেই জানেন, যা তিনি নাযিল করেন– তখন এই লোকেরা বলে, ‘তুমি তো মিথ্যা রচনাকারী।’ প্রকৃত ব্যাপার এই যে, এ সম্পর্কে তাদের অধিকাংশেরই কোন জ্ঞান নেই।
— Taisirul Quran
আমি যখন এক আয়াতের পরিবর্তে অন্য এক আয়াত উপস্থিত করি, আর আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তা তিনিই ভাল জানেন, তখন তারা বলেঃ তুমিতো শুধু মিথ্যা উদ্ভাবনকারী, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানেনা।
— Sheikh Mujibur Rahman
আর যখন আমি একটি আয়াতের স্থানে পরিবর্তন করে আরেকটি আয়াত দেই- আল্লাহ ভাল জানেন সে সম্পর্কে, যা তিনি নাযিল করেন– তখন তারা বলে, তুমি তো কেবল মিথ্যা রটনাকারী; রবং তাদের অধিকাংশই জানে না।
— Rawai Al-bayan
আর যখন আমরা এক আয়াতের স্থান পরিবর্তন করে অন্য আয়াত দেই— আর আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন যা তিনি নাযিল করবেন সে সম্পর্কে— , তখন তারা বলে, ‘আপনি তো শুধু মিথ্যা রটনাকারী’, বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।
— Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria

সহিহ মুসলিমের বর্ণনা মতে, প্রথমে ‘দশবার দুধপানে হারাম সাব্যস্ত হওয়া’র আয়াত নাজিল হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ‘পাঁচবার’ দ্বারা রহিত করা হয়। কিন্তু সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি হলো—আয়িশা-এর ভাষ্য অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ যখন ইন্তেকাল করেন, তখনও এই পাঁচবার দুধপানের বিষয়টি কোরআনের আয়াত হিসেবে তিলাওয়াত করা হতো। আসুন দেখি, নবীর মৃত্যু অবধি ঐ আয়াতটি যে কোরআনের আয়াত হিসেবে তিলাওয়াত করা হতো, সে হাদিসটি [7]

সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১৮/ দুধপান
পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই
৩৪৬৬। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনে এই আয়াতটি নাযিল হয়েছিলঃ عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ ‘দশবার দুধপানে হারাম সাবিত হয়।’ তারপর তা রহিত হয়ে যায় خَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ এর দ্বারা। (পাঁচবার পান দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হয়) তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেন অথচ ঐ আয়াতটি কুরআনের আয়াত হিসাবে তিলাওয়াত করা হত।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

উপরের হাদিসে লক্ষ্য করুন, নবীর মৃত্যু অবধি পাঁচবার দুধপানে হারাম সাব্যস্ত হওয়ার কোরআনের আয়াত তিলাওয়াত করা হতো। হাদিসের মধ্যে “অথচ” শব্দটি লক্ষ্য করুন। তাহলে সেই আয়াতটি কোথায়? এবারে আসুন এই হাদিসটির ব্যাখ্যা পড়ে নিই, যা থেকে জানা যায় পাঁচবার দুধপানের আয়াত নবীর মৃত্যুর সময় অবধি কোরআনের আয়াত হিসেবে প্রচলিত ছিল, কিন্তু সেই আয়াতটি আর পাওয়া যায় না [8]

ছাগলে 2

যৌক্তিক প্রশ্ন হলো, যদি নবীর মৃত্যু অবধি এটি কোরআনের অংশ হিসেবে পঠিত হয়ে থাকে, তবে বর্তমান সংকলনে এটি অনুপস্থিত কেন? ওহীর সমাপ্তি ঘটে নবীর মৃত্যুর সাথে সাথে। মৃত্যুর পরে নতুন কোনো আয়াত নাজিল হওয়া বা বিদ্যমান কোনো আয়াত রহিত হওয়া ধর্মতাত্ত্বিকভাবে অসম্ভব। যদি আয়াতটি ‘রহিত’ হয়ে থাকে, তবে তা নবীর জীবদ্দশায় হওয়ার কথা। কিন্তু হাদিসের ‘অথচ’ শব্দটি নির্দেশ করে যে, এটি তিলাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত ছিল অথবা এটি আদৌ রহিত হয়নি বরং হারিয়ে গেছে। যদি এটি রহিত হয়ে থাকে, তবে এর পরিবর্তে ‘উত্তম’ কোন আয়াতটি বর্তমানে বিদ্যমান? এই শূন্যস্থানটি নির্দেশ করে যে, রহিতকরণের অজুহাতটি আসলে সংকলন প্রক্রিয়ায় ঘটে যাওয়া কোনো বিচ্যুতি বা তথ্য হারানোর ঘটনাকে ঢাকার একটি ধর্মীয় ব্যাখ্যা মাত্র।


উপসংহার: সংকলনের নিখুঁততা বনাম ঐতিহাসিক বাস্তবতা

কোরআনের প্রতিটি শব্দ এবং আয়াত যেভাবে নাজিল হয়েছিল ঠিক সেভাবেই সংরক্ষিত আছে—এই জনপ্রিয় দাবিটির সাথে আয়িশা-এর বর্ণিত এই ঘটনাগুলো এক তীব্র দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। যৌক্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওহী সংরক্ষণের বিষয়টি যতটা না ঐশ্বরিক গ্যারান্টির ওপর নির্ভরশীল ছিল, তার চেয়েও বেশি ছিল তৎকালীন আরবের ভঙ্গুর সংরক্ষণ পদ্ধতির অধীন।

একটি আয়াত নবীর মৃত্যু পর্যন্ত তিলাওয়াত করা সত্ত্বেও বর্তমানে কোরআনে তা না থাকা এবং অন্য একটি লিখিত আয়াত ছাগলে খেয়ে ফেলার কারণে হারিয়ে যাওয়া—এই দুটি ঘটনাই প্রমাণ করে যে, ওহীর ভৌত সংকলন (Physical Compilation) প্রক্রিয়াটি ছিল মানবিক ত্রুটি ও প্রাকৃতিক দুর্ঘটনার শিকার। যদি রহিতকরণের মাধ্যমেই এই আয়াতগুলো বাদ দেওয়া হতো, তবে তা নবীর জীবদ্দশায় একটি সুশৃঙ্খল উপায়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শোকের মুহূর্তে ছাগলের মাধ্যমে ওহী হারিয়ে যাওয়া কোনো পরিকল্পিত ঐশ্বরিক রহিতকরণ নয়, বরং এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি। সুতরাং, কোরআনের বর্তমান সংকলনটি যে ওহী হিসেবে আসা সকল বাণীর একটি সম্পূর্ণ রূপ, এই দাবিটি ঐতিহাসিক ও যৌক্তিক প্রমাণের কষ্টিপাথরে প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়।


তথ্যসূত্রঃ
  1. সহীহ মুসলিম, হাদীস একাডেমী, হাদিসঃ ৭৪১৪ ↩︎
  2. সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৪৮৪, হাদিসঃ ৭২৪৩ ↩︎
  3. সুনান ইবনু মাজাহ, হাদিসঃ ১৯৪৪ ↩︎
  4. সুনানু ইবনে মাজাহ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৯৬ ↩︎
  5. সূরা বাকারাঃ ১০৬ ↩︎
  6. সূরা নাহলঃ ১০১ ↩︎
  7. সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৩৪৬৬ ↩︎
  8. আল-আওনুল মাহমুদ ফি-হল্লি সুনানে আবী দাউদ (কিতাবুয্ যাকাত – কিতাবুল জিহাদ), সংকলন ও সম্পাদনাঃ মাওলানা আব্দুল হাফীজ বিন আব্দুর রউফ, আল-মাহমূদ প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ৩৭২ ↩︎