
Table of Contents
ভূমিকা
বর্ণবাদ কোনো অজানা ধারণা নয়—এটি যেকোনো সমাজে যখন কোনো গোষ্ঠীকে জন্মগতভাবে শ্রেষ্ঠ বা অধিকারী বলে চিত্রিত করা হয়, তখনই এর সূত্রপাত। আধুনিক সংজ্ঞায়, বর্ণবাদ হলো যখন কোনো ব্যক্তির যোগ্যতা বা অধিকার তার বংশ, জাতি বা গোষ্ঠীভিত্তিক হয়, না যে তার ব্যক্তিগত মেধা বা কাজের উপর। ইতিহাসে নাৎসিরা আর্য জাতিকে বিশুদ্ধ রক্তের বলে শাসনের দাবিদার মনে করতো, হিন্দুত্বে ক্ষত্রিয়রা শাসক হিসেবে নির্ধারিত। একইভাবে, ইসলামী হাদিসে কুরাইশ বংশকে খিলাফত বা শাসনের জন্য বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা কোনো যুক্তিভিত্তিক নয় বরং জন্মগত অসমতা প্রতিষ্ঠা করে। এই প্রবন্ধে আমরা এই ধারণার পর্যালোচনা করবো, যুক্তি ও ইসলামিক দলিল ব্যবহার করে। এই হাদিসগুলো সহিহ হলেও, এগুলো মানবিক সমতার সাথে সাংঘর্ষিক, এবং আধুনিক সমাজে এরকম ধারণা অসভ্যতার চিহ্ন।
বর্ণবাদের সংজ্ঞা এবং ইসলামের বিধান
বর্ণবাদের সংজ্ঞার মধ্যে বলা আছে, কেউ যদি নিজ যোগ্যতা ছাড়া বংশ পরিচয় কিংবা জাতিগত বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্য একজনার চাইতে বেশি সুবিধা পায়, সেটিই বর্ণবাদ। মেধা যোগ্যতা বুদ্ধিমত্তা নেতৃত্ব দেয়ার গুণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে যদি কোন কোন গোত্র জন্মগতভাবেই শাসন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন, এরকম ধারণাবশত শাসন ক্ষমতায় কোন নির্দিষ্ট গোত্র বা বংশের মানুষকেই বসাতে হয়, এটিও বর্ণবাদের অন্তর্ভূক্ত। যেমন নাৎসিরা মনে করতো, তারাই বিশুদ্ধ রক্তের অধিকারী এবং তারাই পৃথিবী শাসন করার একমাত্র দাবীদার। অন্য সকল জাতি এবং গোত্রকে তাদের অধীনে থাকতে হবে। আবার, হিন্দুদের ভেতরে যারা ক্ষত্রিয়, তারাও মনে করতো, তাদের মধ্যে থেকেই শাসক নির্বাচিত হতে হবে, ব্রাহ্মনদের পরেই তাদের অবস্থান। ইসলামেও ঠিক একইভাবে কুরাইশ বংশকে সম্মানিত বংশ এবং খিলাফতের দাবীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামে অসংখ্য হাদিসে কুরাইশ বংশকে শাসন করার জন্য, বিশেষ মর্যাদার অধিকারী বংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ, কুরাইশ বংশের একজন অযোগ্য ব্যক্তিও অন্যান্য গোত্রের একজন যোগ্য ব্যক্তির চাইতে বিশেষ সম্মানের অধিকারী হবে, শুধুমাত্র তার জন্ম কুরাইশ বংশে হয়েছে এই কারণে। এটি খুবই স্পষ্টভাবে গোত্রাভিমান, জাতিভেদ এবং বর্ণবাদের প্রকরণ। কোন বিশেষ বংশে জন্ম নিলেই, সে কীভাবে কোন নির্দিষ্ট পদমর্যাদার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে, তা আমাদের জানা নেই। তবে এটুকু স্পষ্ট যে, এটি অত্যন্ত বাজে এবং অসভ্য ধারণা। আজ যদি শেখ হাসিনা সংবিধানে এই ধারাটি সন্নিবেশিত করে যে, এই দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে তাদের গোপালগঞ্জে জন্ম নেয়া শেখ পরিবারের সদস্য হলে হবে, সেটি যেমন অসভ্য আইন হবে, এটিও একটি অসভ্য আইন।
এই ধারণা কোনো যুক্তিভিত্তিক নয়—এটি প্রাচীন গোষ্ঠীগত অসমতা, যা মানবিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক। ফ্যাক্ট চেক করে দেখা যায় যে, এই হাদিসগুলো সহিহ, কিন্তু এর মানে এ নয় যে এগুলো সঠিক; এগুলো মধ্যযুগীয় সমাজের প্রতিফলন, যা আজকের যুক্তিবাদী চিন্তায় অগ্রহণযোগ্য।
কুরাইশ বংশের শাসনাধিকার: হাদিস বিশ্লেষণ
আসুন হাদিসগুলো পড়ে দেখি, [1] [2] [3] [4]
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৪/ রাষ্ট্রক্ষমতা ও প্রশাসন
পরিচ্ছেদঃ ১. জনগন কুরায়শ এর অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শ এর জন্য
৪৫৫০। আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা ইবনু কানাব, কুতায়বা ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “জনগণ এর বিষয়ে (প্রশাসনিক ব্যাপারে) কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা তাদের মুসলিমদের এবং কাফেররা তাঁদের কাফেরদের (অনুসারী)।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)
৩৪। প্রশাসন ও নেতৃত্ব
পরিচ্ছেদঃ ১. জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত
৪৫৯৭-(৩/১৮১৯) ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী (রহঃ) ….. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজন ভাল-মন্দ উভয় ব্যাপারেই কুরায়শদের অনুসারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৫২, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৫৫)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮২/ আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৩০০৬. আমীর কুরাইশদের থেকে হবে
৬৬৫৪। আবূল ইয়ামান (রহঃ) … মুহাম্মাদ ইবনু জুবায়র ইবনু মুতঈম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তারা কুরাইশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মুআবিয়া (রাঃ) এর নিকট ছিলেন। তখন মুআবিয়া (রাঃ) এর নিকট সংবাদ পৌছল যে, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, অচিরেই কাহতান গোত্র থেকে একজন বাদশাহ হবেন। এ শুনে তিনি ক্ষুদ্ধ হলেন এবং দাঁড়ালেন। এরপর তিনি আল্লাহ তা’আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করলেন, তারপর তিনি বললেন, যা হোক! আমার নিকট এ মর্মে সংবাদ পৌছেছে যে, তোমাদের কতিপয় ব্যাক্তি এরূপ কথা বলে থাকে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণিত নেই। এরাই তোমাদের মাঝে সবচেয়ে অজ্ঞ। সুতরাং তোমরা এ সকল মনগড়া কথা থেকে যা স্বয়ং বক্তাকেই পথভ্রষ্ট করে সতর্ক থাক। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, (খিলাফতের) এ বিষয়টি কুরাইশদের মধ্যেই থাকবে, যতদিন তারা দ্বীনের উপর কায়েম থাকবে। যে কেউ তাদের সঙ্গে বিরোধিতা করে তবে আল্লাহ তা’আলা তাকেই অধোমুখে নিপতিত করবেন। নুআয়ম (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) সুত্রে শুআয়ব এর অনুসরণ করেছেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জুবায়র ইবনু মুত‘ইম (রাঃ)
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮২/ আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৩০০৬. আমীর কুরাইশদের থেকে হবে
৬৬৫৫। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (খিলাফতের) এই বিষয়টি সর্বদাই কুরাইশদের মধ্যেই থাকবে, যতদিন তাদের থেকে দু’জন লোকও অবশিষ্ট থাকবে।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)
একইসাথে, নবী মুহাম্মদ সকল মুসলমানের জন্য কুরাইশ আমীরের আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন [5]।
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮২/ আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৩০০৮. ইমামের আনুগত্য ও মান্যতা, যতক্ষন তা নাফরমানীর কাজ না হয়
৬৬৫৮। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কেউ তার আমীর (ক্ষমতাসীন) থেকে এমন কিছু দেখে, যা সে অপছন্দ করে, তাহলে সে যেন ধৈর্য ধারণ করে। কেননা, যে কেউ জামাআত থেকে এক বিঘত পরিমাণ দুরে সরে মরবে, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
বর্ণবাদ শুধুমাত্র যে কোন বংশ বা গোত্র বা জাতিকে নিচু দেখালে হয় তা নয়, কোন জাতিকে অন্য জাতির চাইতে কোন না কোন ভাবে শ্রেষ্ঠ এরকম বলা হলেও সেটি বর্ণবাদ। অসংখ্য সহিহ হাদিসে নবী মুহাম্মদের বংশের প্রশংসা করা হয়েছে, এবং তার বংশকে সবচাইতে উঁচু স্থান দেয়া হয়েছে। নিচের হাদিসটি পড়ুন [6] [7] –
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৬/ রাসূলুল্লাহ ﷺ ও তার সাহাবীগণের মর্যাদা
পরিচ্ছেদঃ ৬৬. আনসারগণের ও কুরাইশদের মর্যাদা
৩৯০৫। মুহাম্মাদ ইবনু সা’দ (রহঃ) হতে তার বাবার সনদে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ কুরাইশদেরকে অপদস্ত করার ইচ্ছা করবে, আল্লাহ তাকে অপদগ্ৰস্ত করবেন।
সহীহঃ সহীহাহ (১১৭৮)।
আবূ ঈসা বলেন, এ সনদ সূত্রে হাদীসটি গারীব। আবদ ইবনু হুমাইদ-ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম ইবনু সা’দ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি সালিহ ইবনু কাঈসান হতে, তিনি ইবনু শিহাব (রাহঃ) হতে উক্ত সনদে একই রকম বর্ণনা করেছেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)
৪৪। ফাযীলাত
পরিচ্ছেদঃ ১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশের ফযীলত এবং নুবুওয়াত প্রাপ্তির আগে (তাকে) পাথরের সালাম করা প্রসঙ্গ
৫৮৩২-(১/২২৭৬) মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রাযী ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহম (রহঃ) …… আবূ আম্মার শাদ্দাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ওয়াসিলাহ্ ইবনু আসকা (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ মহান আল্লাহ ইসমাঈল (আঃ) এর সন্তানদের থেকে কিনানাহ-কে চয়ন করে নিয়েছেন, আর কিনানাহ (‘র বংশ) হতে, কুরায়শ’ কে বাছাই করে নিয়েছেন আর কুরায়শ (বংশ) হতে বানু হাশিমকে বাছাই করে নিয়েছেন এবং বানু হাশিম হতে আমাকে বাছাই করে নিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৩৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৭৭০)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
একইসাথে, রাজত্ব করার জন্য মুহাম্মদ কুরাইশ বংশকে নির্ধারণ করে গেছেন, আর আযান দেয়ার জন্য নির্ধারণ করে গেছেন হাবশী বা কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের। ধরা যাক, একজন বাঙালি মানুষ নেতৃত্ব দেয়ার জন্য বেশি যোগ্য। অথচ, যোগ্যতা থাকার পরেও সে কুরাইশ না হওয়ার কারণে খলিফা হতে পারবে না [8]।
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৬/ রাসূলুল্লাহ ﷺ ও তার সাহাবীগণের মর্যাদা
পরিচ্ছেদঃ ৭২. ইয়ামানের মর্যাদা
৩৯৩৬। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাজত্ব কুরাইশদের মাঝে, বিচার-বিধান আনসারদের মধ্যে, (সুমধুর সুরে) আযান হাবশীদের মাঝে এবং আমানতদারি আযদ অর্থাৎ ইয়ামানবাসীদের মাঝে।
সহীহঃ সহীহাহ (১০৮৩)।
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি মু’আবিয়াহ ইবনু সালিহ হতে, তিনি আবূ মারইয়াম আল-আনসারী হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এই সনদে উপর্যুক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা করেছেন, তবে মারফুরূপে নয়। এ হাদীস যাইদ ইবনু হুবাবের বর্ণিত হাদীসটির তুলনায় অনেক বেশি সহীহ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
উপসংহার
ইসলামে কুরাইশের বিশেষ মর্যাদা একটি প্রাচীন বর্ণবাদী ধারণা, যা হাদিসে সহিহভাবে উল্লেখিত হলেও যুক্তি এবং মানবিক সমতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। এই হাদিসগুলো ইসলামের চিরন্তন বিধান শরীয়তের আইনের উৎস, কিন্তু এগুলো আধুনিক প্রগতিশীল সমাজে অসমতা সৃষ্টি করে। আধুনিক চিন্তায় এরকম ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে, এসব পুরনো অসভ্য ধারণা অন্ধভাবে মেনে নেয়ার কোন উপায় নেই।
তথ্যসূত্রঃ
- সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৪৫৫০ ↩︎
- সহীহ মুসলিম, হাদিস একাডেমী, হাদিসঃ ৪৫৯৭ ↩︎
- সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৬৬৫৪ ↩︎
- সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৬৬৫৫ ↩︎
- সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিস নম্বরঃ ৬৬৫৮ ↩︎
- সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিসঃ ৩৯০৫ ↩︎
- সহীহ মুসলিম, হাদীস একাডেমী, হাদিসঃ ৫৮৩২ ↩︎
- সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিসঃ ৩৯৩৬ ↩︎
