
ইসলামি বিশ্বাস অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা হিসেবে মহাবিশ্ব সম্পর্কে সবচাইতে ভাল জানেন আল্লাহ, আল্লাহর কাছ থেকে তার নবী এবং নবীর কাছ থেকে জেনেছেন তার সাহাবী বৃন্দ। তাই নবী ও তার সাহাবীগণের জ্ঞান পৃথিবীর যেকোন বিজ্ঞানী বা মস্তবড় পণ্ডিতের চাইতে বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু নবী এবং তার সাহাবীদের জ্ঞান কীরকম ছিল, তা জানতে গেলে মস্তবড় ধাঁধায় পড়তে হয়। আসুন জানি, মাটির নিচে কী আছে, সেই সম্পর্কে ইসলামের বিশ্বাস কী [1] –
মহান আল্লাহর বাণী:
وَمَا تَحْتَ الثَّرَى মুহাম্মদ ইব্ন্ন কা’ব (র) مَا تَحْتَ الثَّرَى এর অর্থ করেন, সপ্ত যমীন নিচের অবস্থিত বস্তু। ইমাম আওযাঈ (র) বলেন, ইয়াহইয়া ইব্ন আবূ কাসির (র) তাঁহার নিকট বর্ণনা করেন, একবার কা’ব (রা)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল, এই যমীনের নিচে কি আছে? তিনি বলিলেন, পানি। তাঁহাকে আবার জিজ্ঞাসা করা হইল, পানির নিচে কি? তিনি বলিলেন, মাটি। তাঁহাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হইল মাটির নিচে কি? তিনি বলিলেন মাটির নিচে পানি। তাহাকে জিজ্ঞাসা করা হইল, ঐ পানির নিচে কি? তিনি বলিলেন পাথর। তাহাকে আবারও জিজ্ঞাসা করা হইল, পাথরের নিচে কি? তিনি বলিলেন, ফিরিস্তা। জিজ্ঞাসা করা হইল ফিরিস্তার নিচে কি? তিনি বলিলেন, উহার নিচে একটি মাছ, যাহার দুইপ্রান্ত আরশের সহিত ঝুলন্ত। জিজ্ঞাসা করা হইল, মাছের নিচে কি? তিনি বলিলেন, উহার নিচে শূন্য ও অন্ধকার। উহার পরে কি তাহা আর জানা সম্ভব নয়।
ইব্ন আবূ হাতিম (র) বলেন, ইন্ন ওহব এর ভ্রাতুস্পুত্র আবু উবায়দুল্লাহ্ (র)…….. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করিয়াছেন, প্রত্যেক যমীনের মাঝে পাঁচশত বৎসরের দূরত্ব এবং সর্বনিম্ন যমীন মাছের উপর অবস্থিত। মাছের দুইপ্রান্ত আসমনে অবস্থিত। মাছটি একটি পাথরের উপর এবং পাথরটি একজন ফিরিস্তার হাতে দ্বিতীয় যমীন বায়ু আবদ্ধ। তৃতীয় যমীনে জাহান্নামের পাথর, চতুর্থ যমীনে জাহান্নামের গন্ধক। পঞ্চম যমীনে জাহান্নামের সাপসমূহ, যষ্ঠ যমীনে জাহান্নামের বিচ্ছু। সপ্ত যমীনে জাহান্নাম এবং সেইখানে ইল্লীস বন্দি অবস্থায় রহিয়াছে। তাহার এক হাত সামনে ও এক হাত পশ্চাতে বাধা। যখন আল্লাহর ইচ্ছা হয়, তাহাকে ছাড়িয়া দেন। হাদীসটি নিশ্চিত গারীব। ইহার মারফু’ হওয়াও বিবেচনা সাপেক্ষ।

তথ্যসূত্রঃ
- তাফসীরে ইবনে কাসীর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১৪৫ ↩︎

ভাই এইটা তো জাল হাদিসে আছে। তাছাড়া তাফসীর ইবনে কাসীর তো ইসলামিক গ্রন্থ না
ও আচ্ছা, তাফসীর ইবনে কাসীর তাহলে নাস্তিকদের লিখিত গ্রন্থ! বিষয়টি জানাবার জন্য ধন্যবাদ।