ইসলামে স্বামী প্রায় সিজদার উপযুক্ত

ভূমিকা

ইসলামী ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে, বিশেষ করে হাদিস সংকলনগুলোতে, নারীর অবস্থান প্রায়শই পুরুষকেন্দ্রিক ক্ষমতা-সম্পর্কের মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে, যা আধুনিক যুক্তি-ভিত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে নারীর ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং মানবিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে। এই প্রবন্ধে দুটি উল্লেখযোগ্য হাদিসের বিশ্লেষণ করা হবে: একটি যেখানে নবী মুহাম্মদ স্বামীকে স্ত্রীর সিজদার উপযোগী বলে বর্ণনা করেছেন (যদিও নিষিদ্ধ), এবং অন্যটি যেখানে একটি নারী তার মৃত সন্তানের লাশের পাশে স্বামীর সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হয়ে তার শোক গোপন করে। এই হাদিসগুলোর প্রমাণিত সত্যতা (হাসান বা সহিহ) সত্ত্বেও, এগুলো নারীকে পুরুষের যৌন এবং কর্তৃত্বের অধীনস্থ হিসেবে উপস্থাপন করে, যা ফেমিনিস্ট দৃষ্টিকোণ থেকে মিসোগাইনিস্টিক এবং প্যাট্রিয়ার্কাল কাঠামোকে শক্তিশালী করে। এই বিশ্লেষণে যুক্তি, মানবাধিকারের আধুনিক মানদণ্ড এবং মনোবিজ্ঞানীয় প্রমাণের ভিত্তিতে এগুলোর তীব্র সমালোচনা করা হবে, কোনো ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস বা প্রচলিত মতামতকে অগ্রাধিকার না দিয়ে।


স্বামীকে সিজদা: নারীকে অধস্তন করার একটি প্রতীকী বর্ণনা

ইসলামী হাদিস সংকলনগুলোতে, যেমন মিশকাতুল মাসাবীহ, সুনান আদ-দারেমী এবং অন্যান্য, একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বর্ণনা পাওয়া যায় যেখানে নবী মুহাম্মদ বলেন যে, আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা যদি বৈধ হতো, তাহলে তিনি স্ত্রীদেরকে স্বামীদের সিজদা করার নির্দেশ দিতেন। উদাহরণস্বরূপ, মিশকাতুল মাসাবীহ-এর হাদিস নম্বর ৩২৬৬-এ কায়স ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত: “আমি যদি (আল্লাহ ব্যতিরেকে) অপর কাউকে সিজদা করতে বলতাম তবে স্বামীদের জন্য রমণীদেরকে সিজদা করার নির্দেশ করতাম।” এই হাদিসের প্রামাণ্যতা ‘হাসান’ হিসেবে রেট করা হয়েছে। অনুরূপ বর্ণনা আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে মিশকাতুল মাসাবীহ-এর ৩২৫৫-এ এবং সুনান আদ-দারেমী-র ১৫০১-এ পাওয়া যায়, যেখানে স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকারকে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে।

আধুনিক মানবাধিকার এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণে এই হাদিসটি নারীর মর্যাদাকে চরমভাবে অবমাননাকর। সিজদা, যা সাধারণত ঈশ্বরের প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের প্রতীক, এখানে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অধীনতাকে তুলনা করা হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে নারীকে পুরুষের অধীনস্থ হিসেবে দেখা হয়, যা আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভয়ঙ্করভাবে মিসোগাইনিস্টিক। এই ধরনের বর্ণনাগুলো প্যাট্রিয়ার্কাল সমাজের প্রতিফলন, যেখানে নারীর অধিকার স্বামীর কর্তৃত্বের অধীনে সীমাবদ্ধ। কোনো যুক্তিই বলে না যে, এটি হাইপারবোল বা মেটাফরিকাল; বরং এটি সরাসরি নারীকে পুরুষের উপাস্য-সমতুল্য অবস্থানে রাখে, যা মানবিক সমতার সাথে সাংঘর্ষিক। আধুনিক মনোবিজ্ঞানে, এমন বর্ণনা নারীর মধ্যে অভ্যন্তরীণকৃত অসমতাকে প্রচার করে, যা ডোমেস্টিক অ্যাবিউজ বা মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। যদি এই হাদিসের কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থাকে যা এটিকে নিরপেক্ষ করে, তাহলে তা গবেষণায় প্রমাণিত নয়; বরং এটি নারীর অধিকারকে ক্ষুণ্ন করার একটি উদাহরণ।

মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১৩: বিবাহ
পরিচ্ছেদঃ ১০. তৃতীয় অনুচ্ছেদ – স্ত্রীদের সাথে সদ্ব্যবহার এবং তাদের প্রত্যেকের (স্বামী-স্ত্রীর) পারস্পরিক হক ও অধিকার সংক্রান্ত
৩২৬৬-[২৯] কায়স ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (ইরাকে অবস্থিত, কূফার সন্নিকটবর্তী) ‘হীরা’ শহরে গিয়ে দেখতে পেলাম যে, তারা তাদের নেতাকে সম্মানার্থে সিজদা করছে। এটা দেখে আমি মনে মনে বললাম, নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ই সিজদা পাওয়ার সর্বাধিক উপযুক্ত। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, আমি হীরা’র সফরে দেখতে পেলাম যে, সেখানকার অধিবাসীরা তাদের নেতাকে সিজদা করে। আমি স্থির করেছি যে, আপনিই সাজদার অধিক হকদার। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, (তবে কি আমার মৃত্যুর পরে) তুমি আমার কবরের সম্মুখ দিয়ে গমনকালে কবরকে সিজদা করবে? উত্তরে আমি বললাম, (নিশ্চয়) না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না, (কস্মিনকালেও) করো না। কেননা আমি যদি (আল্লাহ ব্যতিরেকে) অপর কাউকে সিজদা করতে বলতাম তবে স্বামীদের জন্য রমণীদেরকে সিজদা করার নির্দেশ করতাম। (আবূ দাঊদ)[1]
[1] হাসান : আবূ দাঊদ ২১৪০, দারিমী ১৫০৪, মুসতাদরাক লিল হাকিম ২৭৬৩।
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ কায়েস ইবনু সা‘দ আনসারী (রাঃ)

মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-১৩ঃ বিবাহ
পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
পরিচ্ছদঃ ১০. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ – স্ত্রীদের সাথে সদ্ব্যবহার এবং তাদের প্রত্যেকের (স্বামী-স্ত্রীর) পারস্পরিক হক ও অধিকার সংক্রান্ত
৩২৫৫-(১৮) আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি কোনো মানবকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে স্ত্রীকে তার স্বামীর জন্য সিজদা করার নির্দেশ দিতাম।(তিরমিযী)(1)
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)। 

সুনান আদ-দারেমী
অধ্যায়ঃ ২. সালাত অধ্যায়
পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
পরিচ্ছদঃ ১৫৯. (আল্লাহ ব্যতীত) কারো উদ্দেশ্যে সাজদা করা নিষেধ
১৫০১. কাইস ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন (পারস্যের) হীরা নামক শহরে গমণ করলাম, সেখানে দেখলাম, তারা তাদের নেতা/ রাজাকে সিজদা করছে। তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনাকে সাজদা করবো না? তিনি বললেন: “আমি যদি কোনো ব্যক্তিকে (অন্য কারো উদ্দেশ্যে) সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে অবশ্যই আমি নারীদেরকে তাদের স্বামীদের উদ্দেশ্যে সাজদা করার নির্দেশ দিতাম। কারণ, আল্লাহ তাদের (স্ত্রীলোকদের) উপর তাদের (স্বামীদের) (অনেক বেশি) হাক্ব (অধিকার) নির্ধারণ করেছেন।”(1)
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)


মৃত সন্তানকে পাশে রেখে সাহাবীর যৌনসঙ্গম

ইসলামী পারিবারিক কাঠামোতে নারীর নিজস্ব আবেগ ও শোকের তুলনায় স্বামীর যৌন পরিতৃপ্তিকে কতটা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, তা আবু তালহা ও তাঁর স্ত্রী উম্মে সুলাইমের এই ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়। এই বর্ণনায় দেখা যায়, নিজের সন্তান ঘরে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকা সত্ত্বেও উম্মে সুলাইম তাঁর মাতৃত্বকালীন তীব্র শোক গোপন করে স্বামীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত করেন এবং যৌন মিলনে লিপ্ত হন [1]। আধুনিক মনস্তত্ত্ব ও মানবিক মূল্যবোধের নিরিখে এটি একটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক চিত্র, যেখানে একজন নারীর স্বাভাবিক আবেগীয় প্রতিক্রিয়াকে পুরোপুরি অবদমন করে তাঁকে কেবল পুরুষের যৌন চাহিদা মেটানোর একটি মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়েছে।

সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৭১/ আক্বীক্বাহ
পরিচ্ছেদঃ ৭১/১. যে সন্তানের ‘আক্বীক্বাহ দেয়া হবে না, জন্ম লাভের দিনেই তার নাম রাখা ও তাহনীক করা (কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেয়া)।
৫৪৭০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,আবূ ত্বলহার এক ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ল। আবূ ত্বলহা বাইরে গেলেন, তখন ছেলেটি মারা গেল। আবূ ত্বলহা ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ ছেলেটি কী করছে? উম্মু সুলাইম বললেনঃ সে আগের চেয়ে শান্ত। তারপর তাঁকে রাতের খাবার দিলেন। তিনি আহার করলেন। তারপর উম্মু সুলাইমের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করলেন। যৌন সঙ্গম ক্রিয়া শেষে উম্মু সুলাইম বললেনঃ ছেলেটিকে দাফন করে আস। সকাল হলে আবূ ত্বলহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে তাঁকে এ ঘটনা বললেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ গত রাতে তুমি কি স্ত্রীর সঙ্গে রয়েছ? তিনি বললেনঃ হাঁ! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ! তাদের জন্য তুমি বারাকাত দান কর।
কিছুদিন পর উম্মু সুলাইম একটি সন্তান প্রসব করল। রাবী বলেনঃ) আবূ ত্বলহা আমাকে বললেন, তাকে তুমি দেখাশোনা কর যতক্ষণ না আমি তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে নিয়ে যাই। অতঃপর তিনি তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে নিয়ে গেলেন। উম্মু সুলাইম সঙ্গে কিছু খেজুর দিয়ে দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (কোলে) নিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তার সঙ্গে কিছু আছে কি? তাঁরা বললেনঃ হাঁ, আছে। তিনি তা নিয়ে চিবালেন এবং তারপর মুখ থেকে বের করে বাচ্চাটির মুখে দিলেন। তিনি এর দ্বারাই তার তাহ্নীক করলেন এবং তার নাম রাখলেন ’আবদুল্লাহ। [১৩০১; মুসলিম ৩৮/৫, হাঃ ২১৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৬১)
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি উক্ত হাদীসটিই বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৬২)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, মোহাম্মদ এই বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং তাঁদের সেই মিলনের ওপর আল্লাহর বারাকাত বা কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন। মৃত সন্তানের লাশের পাশে এই যৌনক্রিয়াকে একটি ‘মহৎ’ বা ‘বরকতময়’ কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা মূলত নারীর মানবিক মর্যাদা ও ব্যক্তিসত্তার চরম অবমাননা। এটি সমাজে এই বার্তাই দেয় যে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই নারীর প্রধান ও আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাঁর শরীরকে স্বামীর কামনাবাসনা চরিতার্থ করার জন্য লভ্য রাখা, এমনকি নিজের সন্তানের মৃত্যুর মতো চরম বিয়োগান্তক মুহূর্তেও। নবীর পক্ষ থেকে এই আচরণের ভূয়সী প্রশংসা ও দোয়া প্রমাণ করে যে, ধর্মীয় এই বিধানে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের বা যন্ত্রণার চেয়ে পুরুষের তথাকথিত যৌন অধিকারের স্থান অনেক উঁচুতে। এ ধরনের বর্ণনা নারীকে কেবল একটি যৌনদাসীসুলভ অবস্থানে নামিয়ে আনে, যেখানে তার মাতৃত্ব বা মানবিক সত্তার চেয়ে স্বামীর তৃপ্তিই চূড়ান্ত মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।


আধুনিক দৃষ্টিকোণঃ নারীবাদ, মানবাধিকার এবং যুক্তি

নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে, এই হাদিসগুলো ইসলামী গ্রন্থে লিঙ্গভিত্তিক অসমতার উদাহরণ। সিজদার এই হাদিসগুল নারীকে পুরুষের অধীনস্থ করে, যা আধুনিক মানবাধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক—যেমন ইউএন সিডাউ কনভেনশন, যা লিঙ্গ সমতাকে নিশ্চিত করে। যৌন মিলন হাদিসটি নারীর আবেগীয় অবদমনকে স্বাভাবিকীকরণ করে, যা মনোবিজ্ঞানীয় গবেষণায় ডিপ্রেশন বা ট্রমার কারণ হিসেবে চিহ্নিত। কোনো প্রচলিত মতামত বা বহুল বিশ্বাস এগুলোকে সমর্থন করে না; বরং যুক্তি দেখায় যে এগুলো ৭ম শতাব্দীর সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের প্রতিফলন, যা আজকের সমাজে অপ্রাসঙ্গিক এবং ক্ষতিকর।


উপসংহার

এই হাদিসগুলো ইসলামী বিধানে নারীর অধিকারকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন করে, যা পুরুষকেন্দ্রিক কর্তৃত্বকে চিরস্থায়ী করে। যুক্তি এবং প্রমাণের ভিত্তিতে, এগুলোকে অন্ধবিশ্বাসের পরিবর্তে সমালোচনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে, যাতে নারীর মর্যাদা পুনরুদ্ধার হয়। কোনো ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান না করে, এটি স্পষ্ট যে এমন বর্ণনা নারীবাদী অগ্রগতির সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।


তথ্যসূত্রঃ
  1. সহীহ বুখারী, তাওহীদ পাবলিকেশন, হাদিস নম্বর: ৫৪৭০ ↩︎