ইসলামে হায়েনা ও বেজি খাওয়া হালাল

বিভিন্ন হাদিসে বলা হয়েছে যে, ইসলামে হায়না, বেজি ইত্যাদি খাওয়া হালাল। আসুন কয়েকটি হাদিস পড়ি, [1] [2] [3] [4]

বুলুগুল মারাম
পর্ব – ১২ঃ খাদ্য
পরিচ্ছেদঃ হায়েনা খাওয়ার বিধান
১৩২৫। ইবনু আবী আম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমি জাবির (রাঃ) কে বললাম, হায়েনা কি হালাল শিকার? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।[1]
[1] আবূ দাউদ ২৭৯৯, নাসায়ী ৪৩৮৩, ৪৩৮৪, ইবনু মাজাহ ৩১৪০।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আম্মার ইবনু আবী আম্মার (রহঃ)

হায়েনা

সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২১/ খাদ্যদ্রব্য
পরিচ্ছেদঃ ৪৮২. বেজী খাওয়া সম্পর্কে।
৩৭৫৮. মুহাম্মদ ইবন আবদিল্লাহ (রহঃ) …. জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বেজী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ এটা তো শিকার মাত্র। ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে কেউ যদি একে শিকার করে, তবে এর বদলে একটি দুম্বা কুরবানী করতে হবে।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১১: হজ্জ
পরিচ্ছেদঃ ১২. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ – মুহরিম ব্যক্তির শিকার করা হতে বিরত থাকবে
২৭০৩-[৮] ’আবদুর রহমান ইবনু আবূ ’আম্মার (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ’আব্দুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ)-কে যবু’ (অর্থাৎ- ধারালো নখ ও হিংস্র দাঁতবিশিষ্ট হায়েনা, বেজি, কাঠবিড়ালী এবং মরু অঞ্চলের হিংস্র প্রাণী) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, এটা শিকারী প্রাণী কিনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তবে যবু’ কি খাওয়া যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ। এরপর আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিরমিযী, নাসায়ী ও শাফি’ঈ; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ)[1]
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৮০১, নাসায়ী ২৮৩৬, তিরমিযী ৮৫১, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক্ব ৮৬৮২, আহমাদ ১৪৪২৫, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ২৬৪৫, দারাকুত্বনী ২৫৪৪, মুসতাদরাক লিল হাকিম ১৬৬২, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯৮৭২।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

হায়না
বেজি

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism and Secular Humanist Ethics

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

Its purpose is not theological neutrality or artificial both-sides balance, but evidence-based critical examination of religious, philosophical, moral, and historical claims.

Neutrality here means methodological fairness: accurate use of sources, logical rigor, evidentiary discipline, and factual consistency. It does not mean moral indifference or equal treatment between harmful doctrines and their criticism.

Strong criticism should not be mistaken for bias if it is supported by evidence and sound reasoning.

This article should be evaluated through source quality, evidentiary strength, logical rigor, factual consistency, and fairness in representing opposing claims—not through theological sensitivity, apologetic expectations, or demand for rhetorical softness.


তথ্যসূত্রঃ
  1. বুলুগুল মারাম, হাদিসঃ ১৩২৫ ↩︎
  2. সুনান আবূ দাউদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিসঃ ৩৭৫৮ ↩︎
  3. মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিসঃ ২৭০৩ ↩︎
  4. তাহকীক বুলুগুল মারাম মিন আদিল্লাতিল আহকাম বা লক্ষ্যে পৌঁছার দলিলসম্মত বিধিবিধান, তাওহীদ পাবলিকেশন্স, পৃষ্ঠা ৫৮২ ↩︎