উমরের যৌন নির্যাতন ও জবরদস্তি শিশুবিবাহ

শুরুতেই ইসলামের একটি আকীদা বা বিশ্বাস সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। ইসলামের বিশ্বাস হচ্ছে, নবীর সাহাবীদের সম্পর্কে কোন সমালোচনা করা যাবে না। অর্থাৎ নবীর সাথে সাথে নবীর সাহাবীদের সমালোচনাও ইসলামে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু সমালোচনা নিষিদ্ধ হলে, বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা হারাম বলে বিবেচিত হলে সত্য জানার পথ তো বন্ধ হয়ে যায়। আর ইসলামের বিশ্বাস যদি এমনই হয়, তাহলে তো সাহাবীদের হাজারো দোষ প্রমাণ হলেও, শত যুক্তি তথ্য প্রমাণ থাকলেও একজন মুসলিম ঈমান হারাবার ভয়ে সেগুলো মানতে চাইবে না। নানা ধরণের অযৌক্তিক কথা বলে অন্ধভাবেই বিশ্বাস করবে যে, এগুলো সত্য নয়। কী অদ্ভুত কথা। আসুন এই বিষয়ে ইসলামের অবস্থান শুরুতেই কী তা জেনে নেয়া যাক,

এবারে মূল প্রসঙ্গে যাই। ইসলামের ইতিহাসে শুধুমাত্র যে নবী মুহাম্মদেরই এই রকম অপ্রাপ্তবয়ষ্ক নারীর প্রতি লোভ ছিল, তাই নয়। বহু সাহাবীরই একই চরিত্র ছিল। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমরের সম্পর্কেও একই তথ্য জানা যায় যে, তিনিও একজন অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন, যার তখনো পিরিয়ড শুরু হয় নি। সেই মেয়েটির পিতা ছিল হয়রত আলী। উমর রীতিমত জোরাজুরি করেই আলীর অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়ে উম্মে কুলসুমকে বিবাহ করেন বলে ইবনে সাদের তাবাকাত আল কাবীর গ্রন্থ থেকে জানা যায় [1]

যৌন
যৌন 1

শুধু যে বিবাহের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল তা নয়। হয়রত উমর সেই অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়ে উম্মে কুলসুমের সাথে ( জন্ম ৬২৭ খ্রিস্টাব্দ ) ৬৩৮ সালের নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে যৌনসঙ্গমও করেন [2]

যৌন 3
যৌন 5

আসুন এই বর্ণনাটি আমরা হায়াতুস সাহাবাহ গ্রন্থ থেকে দেখে নিই। মন দিয়ে পড়ে দেখুন, উমর সেই শিশুটির সাথে কী করেছিল [3]

যৌন 7

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.

The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.

This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.


তথ্যসূত্রঃ
  1. Muhammad ibn Saad. Kitab al-Tabaqat al-Kabir Volume 8. Translated by Bewley, A. (1995). The Women of Madina. London: Ta-Ha Publishers. Page: 299, 300 ↩︎
  2. Muhammad ibn Jarir al-Tabari. Tarikh al-Rusul wa’l-Muluk. Translated by Juynboll, G. H. A. (1989). Volume 13: The Conquest of Iraq, Southwestern Persia, and Egypt, pp. 109-110. Albany: State University of New York Press. ↩︎
  3. হায়াতুস সাহাবাহ, মুহাম্মদ ইউসুফ ছাহেব কান্ধলভী, দারুল কিতাব, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬ ↩︎